A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নির্বাচন প্রতিনিধি বাছাইয়ের…’ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ২০২৬ – বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৮ম অধ্যায় — বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা🔢 সৃজনশীল নং ১৭🏢 প্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নির্বাচন প্রতিনিধি বাছাইয়ের উত্তম পন্থা। বাংলাদেশে নিয়মিত স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এখানে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি ভিন্ন। স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনসমূহে বাংলাদেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেয়। 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৮

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পরোক্ষ গণতন্ত্র হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে নাগরিকগণ সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ না করে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করে। আধুনিক রাষ্ট্রসমূহের আয়তন বিশাল এবং জনসংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় সকল নাগরিকের পক্ষে সরাসরি শাসনকাজে অংশ নেওয়া সম্ভব হয় না। এ ব্যবস্থায় নাগরিকগণ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করেন এবং সেই প্রতিনিধিরাই আইন প্রণয়ন ও শাসনকার্য পরিচালনা করেন। যদি প্রতিনিধিরা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ তাদের পরিবর্তন করতে পারে। একে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রও বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করো।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় নাগরিকদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে সরকার নয়, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এ দেশের জনগণ নির্বাচনে সঠিক মাত্রায় অংশগ্রহণ করে বলেই রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে তাদের অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত আছে। জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখছে। উদ্দীপকে উল্লেখিত বাংলাদেশের নাগরিকগণ জেনে, বুঝে এবং সকল প্রভাবমুক্ত হয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। আর এভাবে ভোট প্রয়োগের ফলে সৎ, যোগ্য ও দক্ষ প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়া সম্ভব। আর এমন জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে পারলে দেশে আইনের শাসন কায়েম হবে, দুর্নীতি দূর হবে। কেবল নিজের ভোটদানের মাধ্যমেই একজন নাগরিকের দায়িত্ব শেষ হয় না। অন্যকে ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে ভোটদানে উৎসাহিত করাও নাগরিকের কর্তব্য। নির্বাচনি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা কেবল সরকার বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে নির্বাচনকালীন সকল প্রকার সন্ত্রাসী অপতৎপরতা বন্ধে নাগরিক সচেতনতা একান্ত প্রয়োজন। সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা। এক্ষেত্রে নাগরিকগণ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করে থাকে। পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশে সরকারি সহযোগিতায় নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সকল পর্যায়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তা সত্ত্বেও নির্বাচনকে অর্থবহ, ফলপ্রসূ ও প্রাণবন্ত করার ক্ষেত্রে নাগরিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নির্বাচন প্রতিনিধি বাছাইয়ের…’ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ২০২৬ – বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি)”