A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নির্দিষ্ট পরজীবীর সংক্রমণে…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৭ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ৬🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নির্দিষ্ট পরজীবীর সংক্রমণে মানুষের রক্ত স্বল্পতা এবং কাঁপুনিসহ জ্বর আসে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াও বিভিন্নভাবে পরজীবীর ক্ষতি থেকে মানুষ রক্ষা পেতে পারে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

খাদ্যজালকের বিন্যাস সমন্বিত পিরামিড আকৃতির ছকই হলো ইকোলজিক্যাল পিরামিড।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পরিবেশে পানি শুকিয়ে গেলে Ulothrix-এর প্রোটোপ্লাস্ট বিভক্ত হয়ে কলোনি সৃষ্টি করে এবং মিউসিলেজ নিঃসৃত আবরণীতে অপত্য কোষগুলো আবৃত থাকে। এ অবস্থাকে বলা হয় পামেলা দশা। পামেলা দশা শৈবালকে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে। অনুকূল পরিবেশে কলোনি থেকে জুস্পোর সৃষ্টির মাধ্যমে নতুন শৈবাল সূত্র তৈরি হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত লক্ষণসমূহ যেমন- রক্তস্বল্পতা এবং কাঁপুনিসহ জ্বর এর কারণ ম্যালেরিয়া পরজীবী (Plasmodium vivax).

রোগ জীবাণুবাহী অ্যানোফিলিস জাতীয় স্ত্রী মশকী যখন কোন সুস্থ মানুষকে দংশন করে তখন মশকীর লালার সাথে রোগ জীবাণুর স্পোরোজোয়েট মানবদেহে প্রবেশ করে। হেপাটিক সাইজোগনির পর ম্যালেরিয়ার জীবাণু রক্তের লোহিত কণিকা আক্রমন করে এবং সেখানে অযৌন প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে যাকে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি বলে। লোহিত কণিকার অভ্যন্তরে মেটাক্রিপ্টোমেরোজোয়েট হিমোগ্লোবিনকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। পরবর্তীতে লোহিত রক্ত কনিকা ভেঙ্গে মেরোজোয়েট বেরিয়ে আসে এবং পুনরায় নতুন লোহিত কণিকা আক্রমণ করে। এভাবে লোহিত রক্ত কণিকার ভাঙ্গনের ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে সুমনার রোগের লক্ষণগুলো দেখে সহজেই বোঝা যায় সে ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত। ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে।

মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস: মশকী বদ্ধ, পচা পানিতে ডিম পাড়ে এবং সেখানে ডিম ফুটে লার্ভা ও পিউপা দশার বিকাশ ঘটে। তাই মশা নিধনের জন্য মশার জননক্ষেত্রগুলো বিনাশ করাই উত্তম।

মশার লার্ভা ও পিউপা ধ্বংস: যেসব জলাশয়ে মশকী ডিম পাড়ে সেখানে পানির ওপর কেরোসিন বা পেট্রোল জাতীয় তেল ছিটিয়ে দিলে পানির উপর একটি পাতলা স্তর সৃষ্টি হয়। ফলে এ স্তর ভেদ করে মশকীর লার্ভাগুলোর পক্ষে বাতাস গ্রহণ সম্ভবপর না হওয়ায় তারা মারা যায়। বি এইচ সি, ডায়েলড্রিন ইত্যাদি কীটনাশক ওষুধ তেলের সাথে মিশিয়ে পানিতে ছিটিয়ে দিলে মশকীর লার্ভা ও পিউপা মারা যায়। জলাশয়ে কই, খলসে, তেলাপিয়া জাতীয় লার্ভা খাদক মাছ চাষের মাধ্যমে মশকীর লার্ভা ও পিউপা ধ্বংস করা যায়।

পূর্ণাঙ্গ মশকী নিধন: দংশন উদ্যত মশকী হাত বা মসকুইটো র‍্যাকেট দিয়ে মেরে ফেলা। বিভিন্ন ফাঁদের সাহায্যে মশকী ধরা। বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান যেমন- সালফার ডাইঅক্সাইডের ধোঁয়া মশা তাড়াতে বা মেরে ফেলতে পারে। বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ও বিকিরণ দিয়ে বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে মশার বংশ বিস্তার রোধ করা যায়।

কাজেই, উপরিউক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নির্দিষ্ট পরজীবীর সংক্রমণে…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৭ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”