A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৭ – ভূমিরুপ পরিবর্তন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — ভূমিরুপ পরিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ২🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু, খাড়া ঢালযুক্ত, ঢেউ খেলানো, বিস্তীর্ণ সমতলভূমিকে মালভূমি বলে। যেমন- তিব্বত মালভূমি, ভারতের দাক্ষিণাত্যের মালভূমি ইত্যাদি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সমুদ্র তলদেশের বিস্তৃত অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি জমা হওয়ায় এর চাপে অবনমিত স্থান আরও নিচে নেমে যায়। পরবর্তীতে ভূআলোড়ন বা ভূমিকম্পের ফলে এবং পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখণ্ডের প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে ঊর্ধ্ব ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এ সমস্ত ভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপক অনুসারে নিশুর নিজ এলাকাটি সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত। এটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা প্রভৃতি নদ-নদী তাদের অসংখ্য উপনদী ও শাখা নদীর বাহিত পলিমাটি দ্বারা প্লাবন সমভূমি অঞ্চল গঠিত। যমুনা নদীর তীরবর্তী সিরাজগঞ্জ বিস্তৃত প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। এখানে ভূমির বন্ধুরতা নেই বললেই চলে। যমুনা নদী থেকে বের হয়ে বেশ কিছু শাখা নদী (যেমন- ধলেশ্বরী) এবং উপনদী (যেমন- করতোয়া, আত্রাই) উক্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে। এসব নদী উপত্যকা, নদীর প্রাকৃতিক বাঁধ এবং বিস্তীর্ণ ভূমি নিয়ে এ অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি গড়ে ওঠেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপক অনুসারে নিশুর নিজ এলাকা সিরাজগঞ্জ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি এবং নিশু ও তার সহপাঠীদের ভ্রমণকৃত অঞ্চল মধুপুর, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত। নিচে উল্লিখিত ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করা হলো: পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা প্রভৃতি নদ-নদী এবং তাদের অসংখ্য উপনদী ও শাখা নদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা প্লাবণ সমভূমি অঞ্চল গঠিত। বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তৃত সমভূমি। অসংখ্য ছোট বড় নদী বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। সমভূমির উপর দিয়ে নদীগুলো প্রবাহের কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর ।

এভাবে বন্যার সঙ্গে পলিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ৮০% ভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত। এ অঞ্চলের মাটি খুব উর্বর বলে কৃষিজ দ্রব্য উৎপাদনে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
অপরদিকে, আজ থেকে অর্ধ মিলিয়ন বছর পূর্বে বরফ যুগের পরোক্ষ প্রভাবের ফলে প্লাইস্টোসিন যুগের ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের সুবিশাল বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় (প্লাইস্টোসিন যুগে) এভাবে গঠিত হয়েছে। মধুপুর অঞ্চলের মাটির রং লাল এবং কংকরময় বলে কৃষিকাজের পক্ষে বিশেষ উপযোগী নয়। এ অঞ্চলের মাটি অন্যান্য অঞ্চলের মাটি হতে সহজেই পৃথক করা যায়।
সুতরাং বলা যায়, সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি ও মধুপুর অঞ্চল ভূমিরূপ দুইটির মধ্যে যথেষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৭ – ভূমিরুপ পরিবর্তন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”