A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নজীব দীর্ঘ দশ…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ🔢 সৃজনশীল নং ৪🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নজীব দীর্ঘ দশ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে ঢাকায় আসে। এখানকার গাড়ির কালো ধোঁয়া, কলকারখানার নির্গত গ্যাসের ফলে সৃষ্ট দূষণে তার জন্য একটি অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

CFC এরপূর্ণরূপহলো— Chlorofluro Carbon ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জীবেরবেঁচেথাকারজন্যবায়ুমণ্ডলেরট্রপোস্ফিয়ারস্তরটিঅধিকগুরুত্বপূর্ণ।এস্তরটিবায়ুমণ্ডলেরসবচেয়েনিচেরস্তরএবংভূপৃষ্ঠেরসাথেলেগেআছে।

জীবজগতেরপ্রতিটিপ্রাণীরবেঁচেথাকারজন্যযেঅনুকূলঅবস্থাবাউপাদানথাকাপ্রয়োজনতাএস্তরেবিদ্যমান; যেমন- প্রয়োজনীয়তাপমাত্রা, অক্সিজেনইত্যাদি।একারণেট্রপোস্ফিয়ারস্তরটিজীবেরবেঁচেথাকারজন্যঅধিকগুরুত্বপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জীবনধারণ ও বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদান বায়ু। কিন্তু তা দূষিত হলে আমাদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। উদ্দীপকে নজীব বায়ু দূষণের কারণে অস্বস্তির মধ্যে পড়ে।

বায়ুদূষণের ফলে বিভিন্ন দূষক পদার্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এতে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। যথা-     
i. যানবাহন থেকে নির্গত নানা ধরনের গ্যাসীয় পদার্থের মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) উল্লেখযোগ্য। এ গ্যাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে রক্তের অক্সিজেন সঞ্চালন ক্ষমতা হ্রাস পায় । 
ii. জ্বালানি তেল ও কয়লা দহনের দরুন সালফার ডাই অক্সাইড (SO2) উৎপন্ন হয়। এতে শ্বাসকষ্ট, মাথা ধরা, বমি বমি ভাব হয়। 
iii. রাসায়নিক ও পেট্রোক্যামিকেল কারখানায় যেমন: ইনসুলেটর কারখানা থেকে উৎপন্ন হাইড্রোজেন সালফাইড (HS) গ্যাস চোখ ও গলার ক্ষতি করে। 
iv. তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্গত সূক্ষ্ম ধূলিকণা ক্যান্সার রোগ সৃষ্টি করে।

V. বিস্ফোরক দ্রব্য, রঙ, সার প্রভৃতি উৎপাদনের সময় যে অ্যামোনিয়া (NH3) নির্গত হয়, তা মানুষের শ্বাসনালীর ক্ষতি করে।

সুতরাং বলা যায় যে, বায়ু দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। এজন্য বায়ুদূষণ রোধে আমাদের সচেতন হতে হবে। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বায়ুদূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এজন্য করণীয় কিছু বিষয় হলো— 
i. জীবাশ্ম জাতীয় জ্বালানি যেমন- কয়লা, কাঠ ইত্যাদির ব্যবহার হ্রাস করা; 
ii. বৃক্ষ নিধন বন্ধ এবং ব্যাপকভাবে বন সৃষ্টি করা; 
iii. তাপবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার কমিয়ে জলবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহারে প্রাধান্য দেয়া; 
iv. যানবাহনে সীসা মুক্ত জ্বালানি ব্যবহার করা; 
V. জৈব বর্জ্য বেশি জমতে না দেয়া; 
vi. কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনা; 
vii. যানবাহনে CNG (Compressed Natural Gas) ব্যবহার বৃদ্ধি করা; viii. ইটের ভাটায় কাঠের ব্যবহার বন্ধ করা; 
ix. কলকারখানায় ও ইটের ভাটায় চিমনি অনেক উঁচু করে দেয়া; X. কলকারখানা থেকে নির্গত বর্জ্য ও বিষাক্ত গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করা; xi. জনবসতি এলাকায় শিল্প-কারখানা স্থাপন বন্ধ করা; 
xii. পারমাণবিক বিস্ফোরণ, এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা; এবং 
xiii. বায়ু দূষণের প্রভাব বা কুফল সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা ।

আমি মনে করি সুতরাং, উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা গেলে বায়ুদূষণ অনেকখানি রোধ করা যাবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নজীব দীর্ঘ দশ…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৯ – বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”