A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী…’ সিলেট বোর্ড ২০২৩ – রেচন প্রক্রিয়া, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ৭ম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর:🏫 বোর্ড: সিলেট শিক্ষা বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী শান্ত শ্রেণিকক্ষে রেচন ক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে উত্তরে শিক্ষক বলেন- উদ্ভিদ যেমন তার দেহের অতিরিক্ত পানি বায়বীয় অঙ্গের মাধ্যমে বাষ্পাকারে বের করে দেয় তেমনি প্রাণীও একটি বিশেষ অঙ্গের মাধ্যমে গৃহীত পানি নিঃসরণ করে যার আকৃতি শিমের বিচির মতো।

উত্তর:

ইউরোক্রোম হলো এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ যার উপস্থিতিতে মূত্রের রং হালকা হলুদ হয়।

উত্তর:

বৃক্কে সৃষ্ট ছোট আকারের পাথর জাতীয় পদার্থই বৃক্কে পাথর হিসেবে পরিচিত। বৃক্কে পাথর সৃষ্টির ফলে উপসর্গ হিসেবে কোমরের পিছনে ব্যথা অনুভূত হয়। অনেক সময় প্রস্রাবের সাথে রক্ত বের হয় এবং কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। এছাড়াও শরীর ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবে অতিরিক্ত প্রোটিন যাওয়া, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বা ক্ষেত্রবিশেষে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বলা যায়, বৃক্কে পাথর একটি জটিল সমস্যা।

উত্তর:

উদ্দীপকের প্রাণীর বিশেষ অঙ্গটি হচ্ছে বৃক্ক। বৃক্কের প্রধান কাজ হচ্ছে প্রাণীর ক্ষতিকর নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে বের করা। একজন স্বাভাবিক মানুষ প্রতিদিন প্রায় ১,৫০০ মিলিলিটার মূত্র ত্যাগ করে। মূত্রে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি নাইট্রোজেনঘটিত পদার্থ থাকে।
বৃক্কস্থিত নেফ্রন একটি জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রমাগতভাবে মূত্র উৎপন্ন করে। উৎপন্ন মূত্র সংগ্রাহী নালিকার মাধ্যমে বৃক্কের পেলভিসে পৌঁছায় এবং পেলভিস থেকে ইউরেটারের ফানেল আকৃতির প্রশস্ত অংশ বেয়ে ইউরেটারে প্রবেশ করে। ইউরেটার থেকে মূত্র মূত্রথলিতে আসে এবং সাময়িকভাবে জমা থাকে। মূত্রথলি মূত্র দ্বারা পরিপূর্ণ হলে মূত্র ত্যাগের ইচ্ছে জাগে এবং মূত্রথলির নিচের দিকে অবস্থিত ছিদ্রপথে দেহের বাইরে বেরিয়ে আসে। এভাবে বৃক্ক মানবদেহ থেকে ক্ষতিকর নাইট্রোজেন জাতীয় বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে। বৃক্ক মানবদেহে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড ইত্যাদির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়াও মানবদেহের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, পানি, অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করে।

উত্তর:

উদ্দীপকে উদ্ভিদের প্রক্রিয়াটিকে প্রস্বেদন এবং প্রাণীর ক্ষেত্রে রেচন প্রক্রিয়াটিকে বোঝানো হয়েছে। উদ্দীপকের উভয় প্রক্রিয়ার মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রস্বেদন ও রেচন উভয়ই নিষ্কাশন প্রক্রিয়া। প্রস্বেদন প্রক্রিয়া উদ্ভিদে এবং রেচন প্রক্রিয়া প্রাণীদেহে সংঘটিত হয়। উদ্ভিদ যখন মাটি থেকে পানি শোষণ করে তখন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পানি শোষণ করে। এই অতিরিক্ত পানি উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকারক। প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ তার দেহ থেকে এই অতিরিক্ত পানি (৯৯%) বিভিন্ন বায়বীয় অঙ্গের মাধ্যমে বাষ্পাকারে বের করে দেয়। অপরদিকে প্রাণিদেহে বিভিন্ন বিপাক প্রক্রিয়ায় নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ উৎপন্ন হয়। এসব পদার্থ প্রাণীদেহের জন্য বেশ ক্ষতিকর। বৃক্ত রেচন প্রক্রিয়ায় মূত্র উৎপন্ন করে। সৃষ্ট মূত্রের মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থগুলো প্রাণীদেহের বাইরে নিষ্কাশিত হয়। ফলে ক্ষতিকর পদার্থগুলোর বিষাক্ততা হতে প্রাণীদেহ রক্ষা পায়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, উভয় প্রক্রিয়াই স্বীয় জীবের জন্য উপকারী এবং প্রক্রিয়া দুটির মধ্যে মিল রয়েছে।

2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী…’ সিলেট বোর্ড ২০২৩ – রেচন প্রক্রিয়া, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”