A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — সোনার তরী🔢 সৃজনশীল নং ২০🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী প্রথম নারী নবাব। নারীশিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং জনহিতকর কাজের জন্য তিনি ইতিহাসে পরিচিত হয়ে আছেন। তিনি ওয়াকফনামা দলিলে উল্লেখ করেছেন- “ক্ষণভঙ্গুর মানবদেহ কখন যে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় তাহার নিশ্চয়তা নাই। সুতরাং আমার অবশিষ্ট জীবন ঈশ্বরের উপাসনায় পর্যবসিত ও আমার সম্পত্তির উপস্বত্ব ধর্ম ও সৎকার্যে ব্যয় হয় ইহাই কায়মনোবাক্যে সংকল্প ও কর্তব্য মনে করিয়াছি।” তিনি আজ দেহগতভাবে আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আমাদের হৃদয়ে তিনি আছেন তাঁর কর্মের মধ্য দিয়ে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর 'দেহগতভাবে' বেঁচে না থাকা 'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাওয়ার দিককে ইঙ্গিত করে।
'সোনার তরী' কবিতায় কবি তাঁর জীবনদর্শনকে উপস্থাপন করেছেন। মহাকালের স্রোতে মানুষের জীবন ও যৌবন ভেসে যায়। চিরন্তন সত্য- মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষ এক সময় পৃথিবীর বুক থেকে বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু মহৎকর্মের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিমানুষ যুগান্তরেও মানুষের মনে বেঁচে থাকে।
উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী দেহগতভাবে বেঁচে নেই। মহাকালের স্রোতে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের মধ্য থেকে হারিয়ে গেছেন। কিন্তু তিনি যে মহৎ ও জনকল্যাণমূলক কর্ম সম্পাদন করে গেছেন তা এখনো টিকে আছে। তাঁর কর্মের মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের মনে বেঁচে আছেন। 'সোনার তরী' কবিতায় এই বিষয়টিকে তুলে ধরা হয়েছে। সময়ের স্রোতে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। কিন্তু বেঁচে থাকে মানুষের সৃষ্ট সোনার ফসল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর 'দেহগতভাবে' বেঁচে না থাকা 'সোনার তরী' কবিতার মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাওয়ার বিশেষ দিকটিকে ইঙ্গিত করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর 'দেহগতভাবে' বেঁচে না থাকা 'সোনার তরী' কবিতার মহাকালের স্রোতে মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাওয়ার দিককে ইঙ্গিত করে।
'সোনার তরী' কবিতায় কবি তাঁর জীবনদর্শনকে উপস্থাপন করেছেন। মহাকালের স্রোতে মানুষের জীবন ও যৌবন ভেসে যায়। চিরন্তন সত্য- মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষ এক সময় পৃথিবীর বুক থেকে বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু মহৎকর্মের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিমানুষ যুগান্তরেও মানুষের মনে বেঁচে থাকে।
উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী দেহগতভাবে বেঁচে নেই। মহাকালের স্রোতে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের মধ্য থেকে হারিয়ে গেছেন। কিন্তু তিনি যে মহৎ ও জনকল্যাণমূলক কর্ম সম্পাদন করে গেছেন তা এখনো টিকে আছে। তাঁর কর্মের মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের মনে বেঁচে আছেন। 'সোনার তরী' কবিতায় এই বিষয়টিকে তুলে ধরা হয়েছে। সময়ের স্রোতে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। কিন্তু বেঁচে থাকে মানুষের সৃষ্ট সোনার ফসল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর 'দেহগতভাবে' বেঁচে না থাকা 'সোনার তরী' কবিতার মানুষের শারীরিক অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাওয়ার বিশেষ দিকটিকে ইঙ্গিত করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”