| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ নটরডেম কলেজ ২০২৬ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৫
সাধারণত প্রতি এর বেশি ঘনত্বের ধাতুগুলোকে ভারী ধাতু বলে।
H-বন্ধন IR বর্ণালীতে – OH এর পিকের ধরন নিয়ন্ত্রণ করে। IR বর্ণালীমিতিতে H-বন্ধন – OH গ্রুপের স্ট্রেচিং বা প্রসারণ কম্পনের পিকের ধরন ও অবস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করে। H-বন্ধনের কারণে –OH পিকটি প্রশস্ত (broad) হয় এবং নিম্ন তরঙ্গসংখ্যায় স্থানান্তরিত হয়। এটি – OH বন্ধনকে দুর্বল করে বলে তীব্র ও চওড়া ব্যান্ড তৈরি হয়। এক কথায় H-বন্ধন –OH পিকের ধরন নিয়ন্ত্রণ করে।
উদ্দীপকের তথ্য মতে A শিল্পটি ইউরিয়া। নিচে ইউরিয়ার শিল্পোৎপাদনের মূলনীতি সমীকরণসহ বর্ণনা করা হলো-
এ গ্যাস মিশ্রণকে কার্বনেট দ্রবণে শোষণ করে অপসারিত করা হয়। অবশিষ্ট গ্যাসকে () কপার লিকারের ভিতর দিয়ে চালনা করে CO অপসারিত হয়। অবশিষ্ট গ্যাসে 1:3 অনুপাতে ও বর্তমান থাকে যা 1000 atm চাপে ফিল্টার বক্সের মধ্যে চালনা করা হয়। ফলে ভেজাল পৃথক হয়ে যায়। বিশুদ্ধ গ্যাস মিশ্রণকে 300 atm চাপে প্রভাবক উদ্দীপকসহ 500 °C তাপমাত্রায় চালনা করলে উৎপন্ন হয়। একে ঘনীভূত করা হয়।
শোষিত কার্বনেট দ্রবণকে উত্তপ্ত করে কে পৃথক করে নেওয়া হয় এবং একে তরলায়িত করা হয়। তরল ও তরল বিক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরিয়া উৎপন্ন করে।
উদ্দীপকের B শিল্পটি কাগজ শিল্প। বাঁশ, কাঠ থেকে কাগজ তৈরি অপেক্ষা রিসাইক্লিং প্রক্রিয়ায় কাগজ তৈরি অধিক পরিবেশ বান্ধব হবে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো –
পরিত্যক্ত কাগজের বেশির ভাগই বর্জ্য আবর্জনা, ময়লার টুকরা হিসেবে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে। এসব বর্জ্য কাগজকে সংগ্রহ করে সুনির্দিষ্ট স্থানে জমা করে পুনরায় তা বিক্রি করে সমাজের বৃত্তহীন কিছু মানুষ দারিদ্র্য বিমোচন করে থাকে। সংগ্রহ করা পরিত্যক্ত কাগজ থেকে পুনরায় রিসাইকেল করে মন্ড উৎপাদন করা হয়। এ মণ্ড থেকে প্রস্তুত করা হয় বোর্ড কাগজ, কর্ক কাগজ, করো কার্টুন তৈরির উপকরণ। বর্তমানে নিউজপ্রিন্ট উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবেও একে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বর্জ্য পরিত্যক্ত কাগজকে টুকরা করে পানিতে ভিজিয়ে ডাইজেস্টরে পরিশোধন করে নিলেই ব্যবহার উপযোগী মন্ডে পরিণত হয়। পরিবেশগত দিক থেকে কাগজের রিসাইকেলের গুরুত্ব অন্য সব থেকে অনেক বেশি। কারণ 'গাছ কেটে, বন উজার করে কাগজের মণ্ড তৈরির পরিবর্তে পরিবেশের জঞ্জালকে সংগ্রহ করে এ থেকে মন্ড তৈরি করা হচ্ছে। এতে করে পরিবেশ সুরক্ষিত হচ্ছে
এবং গ্রিন হাউজ প্রভাব থেকে পৃথিবীকে সুরক্ষিত করছে। অর্থাৎ বিশ্ব উষ্ণায়নের রোধে বর্জ্য আবর্জনা কাগজের প্রভাব খুবই গুরুত্ববহ।
অপরদিকে বাঁশ, কাঠ থেকে কাগজ তৈরি পরিবেশ বান্ধব নয়। এতে কাগজ তৈরির জন্য প্রচুর পরিমাণে গাছ কাটা হয়, যা বৈশ্বিক বনের প্রায় 42% পর্যন্ত হতে পারে এবং এটি বন উজাড়ের মাধ্যমে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমনের অন্যতম প্রধান উৎস। গাছ কাটার ফলে বাতাসে বেড়ে যায় ফলে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে। সাধারণত। টন কাগজ তৈরিতে 24টি গাছ নিধন করতে হয় যা পরিবেশের জন্য সুখকর নয়।
তাই উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, বাঁশ, কাঠ থেকে কাগজ তৈরি অপেক্ষা রিসাইক্লিং প্রক্রিয়ায় কাগজ তৈরি অধিক পরিবেশ বান্ধব হবে।