A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘অধ্যবসায়ী, সাহসী, প্রতিবাদী,…’ সিলেট বোর্ড ২০২৫ – আঠারো বছর বয়স, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১৯তম অধ্যায় — আঠারো বছর বয়স🔢 সৃজনশীল নং ২৪🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

অধ্যবসায়ী, সাহসী, প্রতিবাদী, পরোপকারী এমন সর্বগুণের অধিকারী হিসেবে সুহাস তার প্রতিবেশীদের কাছে সুপরিচিত। বয়স্করা বলতেন, “আহা! এমন সোনার টুকরো ছেলে যদি ঘরে ঘরে জন্মাত!” কিন্তু হঠাৎ একদিন মাদক গ্রহণের অপরাধে সুহাসকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় সকলে বিস্মিত। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুহাসের মা বলেন, “কিছুদিন ধরে অপরিচিত একটা ছেলে ওর সাথে দেখা করতে আসত। আমার ছেলের এত বড় সর্বনাশ হবে ভাবতে পারিনি।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের নাম হলো 'আকাল'।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।"- উক্তিটির মাধ্যমে দেশ, জাতি ও মানবতার সুন্দর ও কল্যাণে তরুণদের রক্তমূল্য দেওয়ার সাহসী চেতনাকে বোঝানো হয়েছে।

আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি মানবজীবনের আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। অদম্য দুঃসাহসে সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে যাওয়া এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর তারুণ্যশক্তিই প্রগতি ও পরিবর্তনের ধারক। তারুণ্যশক্তিই জরাগ্রস্ত সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ গড়ে তুলতে পারে। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য তরুণরাই যুগে যুগে এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে সমস্ত বিপদ মোকাবিলায়। প্রাণ দিয়েছে অজানাকে জানার জন্য, দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রামে। তরুণরাই সুন্দর, শুভ ও কল্যাণের জন্য রক্তমূল্য দিতে জানে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা"- পঙ্ক্তিটি উদ্দীপকের সুহাসের ক্ষেত্রে তরুণ বয়সে বিপথগামী হওয়ার ক্ষেত্রে গভীরভাবে প্রযোজ্য।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে এর জয়গান গেয়েছেন। আঠারো বছরের বয়সটি মূলত জীবনের এক সন্ধিক্ষণ। কৈশোর থেকে যৌবণে পদার্পণের এ সময়টিতে মানুষ নানা ইতিবাচক-নেতিবাচক তত্ত্ব, মতবাদ ও ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে। কবি তাই তরুণদের জীবনে অপরিসীম সম্ভাবনার পাশাপাশি নানা আশঙ্কার কথাও বলেছেন। তিনি মনে করেন এ বয়সের তরুণরা কুমন্ত্রণায় পড়ে দুর্বিষহ জীবনের দিকে ধাবিত হতে পারে।
উদ্দীপকে অন্য ছেলের প্ররোচনায় সুহাসের মাদকাসক্ত হয়ে পড়ার কথা বলা হয়েছে। তাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। অথচ সে ছিল সাহসী, প্রতিবাদী ও পরোপকারী। অন্যের প্ররোচনায় নিজের গতিপথ ঠিক রাখতে পারেনি। তার মধ্যে তারুণ্যের নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। এ বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় প্রতিফলিত তারুণ্যের নেতিবাচক মনোভাবের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ বয়সে তরুণরা শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, রাজনৈতিক নানা জটিলতাকে অতিক্রম করতে গিয়ে অসতর্কতাবশত বিপথে চলে যায়। এভাবে অনেকেই সুন্দর জীবনকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখতে না পারলে শত-সহস্র প্রাণ ক্ষত-বিক্ষত হয়। উদ্দীপকের সুহাসও তাই করেছে। তার কানে যে কুমন্ত্রণা এসেছে তাতে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে। -কবির এ বক্তব্যই যেন ধ্বনিত হয়েছে উদ্দীপকের বয়স্কদের কথায়" উক্তিটি যৌক্তিক, কারণ উভয় ক্ষেত্রে তারুণ্যশক্তিকে জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হিসেবে কামনা করা হয়েছে।

'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কবির মতে, তরুণরা অফুরান জীবনীশক্তির অধিকারী। তারা পূর্ণ প্রাণের উচ্ছ্বাসে মানবকল্যাণে ব্রতী হয়ে দেশ ও জাতির সেবায় মনোনিবেশ করে। তাদের চিন্তা-চেতনা ও কর্মের মাধ্যমে জাতীয় উন্নতি সূচিত হয়।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তারুণ্যশক্তির দুর্বার এগিয়ে চলার বিষয় বর্ণিত হয়েছে। যৌবনের উদ্দীপনা, সাহসিকতা, ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা এবং কল্যাণব্রত রয়েছে এ বয়সের তরুণদের মধ্যে। এ বয়সেই তরুণরা ভালো-মন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা তত্ত্ব, মতবাদ, ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে তারা অফুরান প্রাণশক্তি নিয়ে কল্যাণ কাজে ব্রতী হয়। তারুণ্যের এই সাহসী চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে উদ্দীপকে উল্লিখিত বয়স্কদের বক্তব্যে যা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় প্রতিফলিত কবির প্রত্যাশার সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি তরুণদের যৌবনদীপ্ত পথচলা, কর্মকান্ড ও তাদের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন, যা একটি দেশের ইতিবাচক পরিবর্তন ও উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এসব বৈশিষ্ট্যের জন্য কবি প্রত্যাশা করেছেন নানা সমস্যাপীড়িত দেশে তারুণ্য ও যৌবনশক্তি যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। একইভাবে উদ্দীপকের অধ্যবসায়ী, সাহসী, প্রতিবাদী, পরোপকারী এমন সর্বগুণের অধিকারী সুহাসকে দেখেও প্রতিবেশী বয়স্করা তার মতো ছেলে তারা ঘরে ঘরে দেখার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন। কেননা এমন ছেলেরা জাতিকে কল্যাণের পথে নিয়ে যেতে পারে। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যৌক্তিক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘অধ্যবসায়ী, সাহসী, প্রতিবাদী,…’ সিলেট বোর্ড ২০২৫ – আঠারো বছর বয়স, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”