A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘অ্যামিনো গ্রুপবিশিষ্ট জৈব…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭ – কোষ রসায়ন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — কোষ রসায়ন🔢 সৃজনশীল নং ৭🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

অ্যামিনো গ্রুপবিশিষ্ট জৈব এসিডের অণু শৃঙ্খলিত হয়ে একটি জৈব পদার্থ তৈরি করে। জীবদেহে পদার্থটির সংশ্লেষণে বিভিন্ন নিউক্লিক এসিড জড়িত।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে কার্বোহাইড্রেটকে হাইড্রোলাইসিস করলে আর কোনো সরল কার্বোহাইড্রেট একক পাওয়া যায় না সেগুলোই হলো মনোস্যাকারাইড।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

এনজাইমের প্রোসথেটিক গ্রুপটি কোনো জৈব রাসায়নিক পদার্থ হলে তাকে কো-এনজাইম বলা হয়। যেমন- NAD, ATP ইত্যাদি। এনজাইম হতে কো-এনজাইম অংশ পৃথক করে নিলে এনজাইমের কার্যক্ষমতা বহুলাংশে হ্রাস পায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত জৈব পদার্থটি হলো প্রোটিন।

একটি অ্যামিনো অ্যাসিডের কার্বোক্সিল গ্রুপ (-COOH) অপর একটি অ্যামিনো এসিডের ৫ অ্যামিনো গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে যে অ্যামাইড বন্ড তৈরি করে তাকে পেপটাইড বন্ড বলে। প্রতিটি পেপটাইড বন্ড তৈরিতে, এক অণু পানি নির্গত হয়। দুটি ভিন্ন অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত হয়ে গঠন করে ডাইপেপটাইড, তিনটি যুক্ত হয়ে তৈরি করে ট্রাইপেপটাইড, চার থেকে দশটি সংযুক্ত হয়ে গঠন করে অলিগোপেপটাইড। বিভিন্ন অ্যামিনো অ্যাসিডের প্রায় ৫০টি অণু পেপটাইড বন্ধন দ্বারা আবদ্ধ হয়ে পলিপেপটাইড সৃষ্টি করে। প্রোটিন হলো পলিপেপটাইড যৌগ।

 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যে জীবদেহে যে পদার্থটির সংশ্লেষণের কথা বলা হয়েছে তা হলো প্রোটিন। প্রোটিন সংশ্লেষণে বিভিন্ন নিউক্লিক অ্যাসিড যথা- DNA এবং RNA জড়িত। নিচে শেষোক্ত বাক্যটি বিশ্লেষণ করা হলো-

প্রোটিন সংশ্লেষণ মূলত দুটি পদ্ধতির সমন্বয়ে হয়। প্রথমটি হলো ট্রান্সক্রিপশন। DNA থেকে mRNA তৈরির প্রক্রিয়া হলো ট্রান্সক্রিপশন। দ্বিতীয় প্রক্রিয়াটি হলো ট্রান্সলেশন। mRNA থেকে প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াটি হলো ট্রান্সলেশন। সংক্ষেপে প্রক্রিয়াটি নিচে বর্ণনা করা হলো-

i. প্রথমে অ্যামিনো এসিডসহ সক্রিয় tRNA এবং রাইবোজোমের ক্ষুদ্র একক mRNA সূত্রের সূচনা বিন্দুতে যুক্ত হয়।

ii. এরপর রাইবোজোমের বড় এককটি এসে এই যৌগের সাথে যুক্ত হয়। বড় এককে দুটি সাইট থাকে। প্রথমটি A সাইট এবং পরেরটি P সাইট।

iii. সংযুক্তস্থানে mRNA এবং tRNA সূত্রদ্বয় বিপরীতমুখীভাবে এবং বেস-পেয়ারিং কমপ্লিমেন্টারিভাবে অবস্থান করে।

iv. অ্যামিনো এসিডকে সংযুক্ত করে tRNA সাইটোসলে চলে আসে এবং পুনরায় অ্যামিনো অ্যাসিড আনার জন্য প্রস্তুত হয়। রাইবোজোম mRNA সূত্রের ৫'৩' মুখী অবস্থায় চলতে থাকে,

V. ফলে একটির পর একটি অ্যামিনো অ্যাসিড পেপটাইড বন্ধনীর মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে পলিপেপটাইড তথা প্রোটিন অণু গঠন করে।

vi. রাইবোজোম mRNA বরাবর চলতে চলতে যখন স্টপ কোডন (UAA, UAG বা UGA)- এ প্রবেশ করে তখন ট্রান্সলেশন বন্ধ হয়ে যায়।

এভাবে mRNA থেকে প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে এ কথা স্পষ্ট যে, জীবদেহে প্রোটিন সংশ্লেষণে বিভিন্ন নিউক্লিক অ্যাসিড জড়িত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘অ্যামিনো গ্রুপবিশিষ্ট জৈব…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০১৭ – কোষ রসায়ন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”