A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘অমর করিয়া রবদেহ…’ – প্রাণ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

অমর করিয়া রব

দেহ দাসে, সুবরদে।

ফুটি যেন স্মৃতি-জলে,

মানসে, মা, যথা ফলে

মধুময় তামরস

কী বসন্ত, কী শরদে!

উত্তর:

মানবমনের সুখ-দুঃখ নিয়ে সংগীত রচনার উদ্দেশ্য অমরত্ব লাভ।

উত্তর:

"মরিতে চাঁহি না আমি সুন্দর ভুবনে" কবি একথা বলেছেন কারণ তিনি মৃত্যুবরণ করে এ জগৎ ত্যাগ করতে চান না।

এই জগৎ সুন্দর ও আকর্ষণীয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মানুষের হাসি-কান্না, আবেগ-ভালোবাসায় এই পৃথিবী পরিপূর্ণ। পৃথিবীর মতো এত বৈচিত্র্য অন্য কোথাও নেই। এ কারণেই এ পৃথিবীর প্রতি মায়ার বাঁধনে মানুষ বাঁধা পড়ে। কবিরও ঠিক এমনই অবস্থা। জগতের মায়া তিনি ত্যাগ করতে চান না। অন্যকিছুর প্রলোভনে প্রলুব্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করতে চান না। এ কারণেই কবি আলোচ্য কথাটি বলেছেন।

উত্তর:

উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতায় কবির অমরত্ব লাভের বাসনার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

'প্রাণ' কবিতায় কবি জীবনের সার্থকতা খুঁজেছেন মানবিক সহানুভূতি ও সৃষ্টিশীলতায়। তিনি মরতে চান না, কারণ মৃত্যুর মধ্যে নেই আনন্দ বা দান। তিনি চান তাঁর সৃষ্টির ফুল ফুটে উঠুক মানুষের হৃদয়ে, যাতে তাঁর জীবন অর্থবহ ও অমর হয়ে থাকে।

'প্রাণ' কবিতায় কবি বলেছেন যে, তিনি মরতে চান না, মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চান। কেননা এই পৃথিবী সুন্দর ও আকর্ষণীয়। আবেগ-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ, মান-অভিমানে এ জগৎ পরিপূর্ণ। কবি এসব ছেড়ে যেতে চান না। তাই তিনি সৎ ও শুভকর্মের মধ্য দিয়ে এ পৃথিবীতে অমর হওয়ার অভিলাষ ব্যক্ত করেছেন। উদ্দীপকের কবিতাংশেও কবি অমরত্বের প্রার্থনা করেছেন। তিনি এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে পারছেন না। তিনি মৃত্যুর পরও স্মরণীয় হতে চান এ দেশের মাটিতে। তাই মাতৃভূমির কাছে তিনি এই বর প্রার্থনা করেছেন যে, তিনি যেন মাতৃভূমির স্মৃতিজলে ফুটে থাকতে পারেন। এভাবেই উদ্দীপকটি 'প্রাণ' কবিতায় কবির অমরত্ব লাভের বাসনার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর:

উদ্দীপক ও 'প্রাণ' কবিতায় মানুষের মাঝে বেঁচে থাকার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পাওয়ায় বলা যায়, "অমরত্বের প্রবল বাসনাই উদ্দীপকে ও 'প্রাণ' কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে"- মন্তব্যটি যথার্থ।

'প্রাণ' কবিতায় কবি নিজের জীবনের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছেন- মানবজীবনের সুখ-দুঃখের সংগীত রচনা করা। তিনি বলেন, যদি সেই অমর সৃষ্টি সম্ভব না হয়, তবুও যেন মানুষের ভালোবাসার মাঝে বেঁচে থাকতে পারেন। এই মানবমুখী দৃষ্টিই কবিতার মূল বিষয়।

'প্রাণ' কবিতায় কবি চিরকাল এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আশা ব্যক্ত করেছেন। সুন্দর এ পৃথিবী, এ পৃথিবীর মানুষের কাছ থেকে তিনি চিরবিদায় নিতে চান না। তাই তিনি মানুষের মনজয়ী সাহিত্য সৃজনের মধ্য দিয়ে তাদের মনে স্থায়ী আসন লাভ করতে চান উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি মাতৃভূমির কাছে অমরত্বের প্রার্থনা করেছেন। মাতৃভূমিকে তিনি ভালোবাসেন। তাই মাতৃভূমির কাছে তিনি বর প্রার্থনা করেছেন, যেন আজীবন মাতৃভূমির স্মৃতি-জলে পদ্মের মতো ফুটে থাকতে পারেন।

'প্রাণ' কবিতা এবং উদ্দীপকের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। কিন্তু উভয় কবিই মৃত্যুকে বরণ করতে চান না। তারা অমরত্বের প্রত্যাশী। তবে এ অমরত্ব শারীরিকভাবে বেঁচে থাকা নয়। মানুষের হৃদয়ের মাঝে বেঁচে থাকার বাসনাই তারা ব্যক্ত করেছেন। এ কারণেই বলা যায় যে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘অমর করিয়া রবদেহ…’ – প্রাণ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”