| ㅤ | A. Nayan18 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘অঞ্চলমৃত্তিফাবনজ সম্পদকধূসর ও…’ a – জীবমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)

| অঞ্চল | মৃত্তিফা | বনজ সম্পদ |
| ক | ধূসর ও লালচে | শাল, কড়ই |
| খ | পলি ও কর্দম | সুন্দরি, গেওয়া |
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৯
জড় ও জীবদেহের মধ্যে কার্বন এর চক্রাকারে আবর্তন প্রক্রিয়াকে কার্বনচক্র বলে।
বনভূমি বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে ও মাটির উর্বরতাশক্তি বৃদ্ধি করে কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
বনভূমি দেশের আবহাওয়াকে আর্দ্র রাখে। ফলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে। যা কৃষি উন্নয়নে সহায়ক। কারণ কৃষিকাজে বিভিন্ন পর্যায়ে বৃষ্টিপাতের বা পানির প্রয়োজন হয়। এছাড়া বনভূমি মাটির ক্ষয়রোধ ও উর্বরতাশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
ছকের 'ক' অঞ্চলটি বাংলাদেশের ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমিরই অন্তর্গত।
ছকের 'ক' অঞ্চলে মৃত্তিকার বর্ণ ধূসর ও লালচে দেখানো হয়েছে এবং বনজ সম্পদ হিসেবে শাল ও কড়ই; সেহেতু এটি বাংলাদেশের ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমিরই অন্তর্গত। কারণ এগুলো এ অঞ্চলেই বিদ্যমান রয়েছে।
ছকের 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি বাংলাদেশের ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমির অন্তর্গত। বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। ক্রান্তীয় অঞ্চলে যেসব গাছের পাতা বছরে একবার সম্পূর্ণ ঝরে যায় সেগুলোকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছ বলা হয়। এ বনভূমিতে ধূসর ও লালচে রঙের মাটি দেখা যায়। ছকের 'ক' অঞ্চলের মৃত্তিকাও ধূসর ও লালচে দেখানো হয়েছে। আবার এ বনভূমি অঞ্চলে শাল, কড়ই, হিজল, বহেরা, হরতকী, কাঁঠাল, নিম প্রভৃতি বনজ সম্পদ দেখা যায়। ছকের 'ক' অঞ্চলেও শাল ও কড়ই গাছের কথা বলা হয়েছে। সুতরাং 'ক' অঞ্চলটি বাংলাদেশের ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির অন্তর্গত।
'ক' এবং 'খ' অঞ্চলের মধ্যে 'খ' অঞ্চলই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত।
'ক' অঞ্চলটিতে যেহেতু মৃত্তিকা লাল ও ধূসর বর্ণের এবং বনজ সম্পদ শাল ও কড়ই দেখানো হয়েছে তা প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত। আর 'খ' অঞ্চলটিতে পলি ও কর্দম এবং সুন্দরি ও গেওয়া বৃক্ষ দেখানো হয়েছে তা সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত।
ছকের 'ক' এবং 'খ' অঞ্চলের মধ্যে 'খ' অঞ্চল হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত স্রোতজ বনভূমি অঞ্চল। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। এ সমভূমি বাংলাদেশের অসংখ্য ছোট বড় নদীর দ্বারা বাহিত পলি দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। আর 'ক' অঞ্চলটি বরেন্দ্রভূমি, ভাওয়াল গড়, লালমাই পাহাড়, মধুপুর অঞ্চল প্লাইস্টোসিনকালের সোপানের অন্তর্গত।
ছকের 'ক' এবং 'খ' অঞ্চলের মধ্যে 'খ' অঞ্চল হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। 'খ' অঞ্চল হলো স্রোতজ বনভূমি অঞ্চল। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ-নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। 'ক' অঞ্চটি প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত, এটি এ প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত নয়। এ অঞ্চলটি অসংখ্য ছোট বড় নদী দ্বারা সৃষ্ট সমভূমি। বরেন্দ্রভূমি, লালমাই পাহাড়, মধুপুর, ভাওয়াল গড় প্রভৃতি প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ। কিন্তু পাদদেশীয়, বদ্বীপ, স্রোতজ, উপকূলীয় ইত্যাদি 'খ' অঞ্চলের অন্তর্গত। এগুলো নদীবাহিত পলি দ্বারা গঠিত। এরূপ ভূমিগুলো খুবই উর্বর এবং কৃষিকাজের উপযোগী।