A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”অন্ধ ভূমিগর্ভ হতে…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৬ – জীবন ও বৃক্ষ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ১৪তম অধ্যায় — জীবন ও বৃক্ষ🔢 সৃজনশীল নং ৯🏢 প্রতিষ্ঠান সিলেট এমসি কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

“অন্ধ ভূমিগর্ভ হতে শুনেছিলে সূর্যের আহ্বান

প্রাণের প্রথম জাগরণে, তুমি বৃক্ষ, আদি প্রাণ; 

 ঊর্ধ্বশীর্ষে উচ্চারিলে আলোকের প্রথম বন্দনা

ছন্দোহীন পাষাণের বক্ষ-‘পরে; আনিলে বেদনা

নিঃসাড় নিষ্ঠুর মরুস্থলে।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'জীবন ও বৃক্ষ' রচনাটি একটি প্রবন্ধ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।” বলতে মানুষের দৈহিক বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আত্মিক বিকাশের প্রয়োজনীয়তাকে বোঝানো হয়েছে।
সাধারণভাবে আত্মার বৃদ্ধি বলতে মানুষের মানসিক অবস্থা ও আত্মিক উন্নতিকে বোঝায়। শারীরিকভাবে মানুষের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবস্থারও উন্নতি ঘটাতে হয়। আত্মার বৃদ্ধির জন্য মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়। কারণ তা তৈরি পাওয়া যায় না। আত্মা হচ্ছে সুখ-দুঃখ-বেদনা উপলব্ধির ফলে অন্তরের পরিপক্বতা। বিচিত্র অভিজ্ঞতা ও গভীর অনুভবের মাধ্যমেই মানুষের আত্মার শ্রীবৃদ্ধি হয়। আর তা হলেই একজন মানুষ পরিপূর্ণতা অর্জন করে। এ কারণেই বলা হয়েছে, মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষের বৃদ্ধির দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক পরার্থে আত্মনিবেদিত সুকৃতিময় মানবজীবনের সঙ্গে বৃক্ষের তুলনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন বৃক্ষের বিকাশ, বৃদ্ধি, পরিপূর্ণতা ও সার্থকতার পেছনে রয়েছে তার নীরব সাধনা। পরার্থে আত্মনিবেদিত মানবজীবনের বিকাশেও তেমনই নীরব সাধনা দৃশ্যমান।
উদ্দীপকে বৃক্ষের অঙ্কুর থেকে বিকাশ পর্যন্ত কর্মকাণ্ড সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অন্ধকার মাটির ভেতরে পোঁতা বীজে অঙ্কুরের মধ্য দিয়ে বৃক্ষের জীবনের সূচনা। ধীরে ধীরে পাতায়-ফুলে পরিপূর্ণ হয়ে বৃক্ষ নিঃসাড় মরুর বুকে শীতলতার ছোঁয়া নিয়ে আসে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও লেখক বৃক্ষের জীবনচক্র বর্ণনা করেছেন। মাটিতে বীজের অঙ্কুরের মাধ্যমে বৃক্ষের সৃষ্টি। ধীরে ধীরে শিকড় দিয়ে মাটি থেকে রস টেনে নিজেকে ছোটো গাছ থেকে বিশালাকার বৃক্ষে পরিণত করে সে। উদ্দীপকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বর্ণিত বৃক্ষের বিকাশের দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বর্ণিত মানবকল্যাণে বৃক্ষের আত্মোৎসর্গের দিকটি না থাকায় “উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবার্থের দর্পণ নয়”- মন্তব্যটি যথার্থ।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের জীবন কাঠামোকে সৃজনশীল মানুষের জীবনের সাথে তুলনা করেছেন। বৃক্ষের বৃদ্ধি, বিকাশ ও সমুদয় অর্জন যেমন অন্যের কল্যাণে দান করে। তেমনই সৃজনশীল মানুষের সমুদয় অর্জনও মানবজাতির কল্যাণে সমর্পিত।
উদ্দীপকের কবিতাংশে মরুভূমির বুকে বৃক্ষের সৃষ্টির বিস্ময়কে গুরুত্বরোপ করা হয়েছে। মাটির অন্ধকারে পুঁতে রাখা বীজ থেকে বৃক্ষের জীবনের সূচনা। নিঃসাড় মরুভূমির বুকে ঊর্ধ্ব শিরে দাঁড়িয়ে বৃক্ষ ছায়ার স্পর্শে প্রাণসঞ্চার করে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধেও বৃক্ষের জীবনচক্রের বর্ণনা রয়েছে। মাটি থেকে রস টেনে বৃক্ষ নিজেকে পরিপুষ্ট করে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়, ফুলে-ফলে সে পূর্ণতা পায়।
উদ্দীপকে বৃক্ষের জীবনচক্রের দিকটি থাকলেও এটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের একমাত্র দিক নয়। এ প্রবন্ধে লেখক বৃক্ষের নিঃশর্ত পরার্থপরতার সঙ্গে মানবজীবনের সাদৃশ্য দেখিয়েছেন। ফুলে-ফলে পূর্ণতা পেয়েই বৃক্ষের কাজের সমাপ্তি নয়। তার সাধনার ধন ফুল-ফল অন্যের জন্য নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করেই তার জীবনের পূর্ণতা। সৃজনশীল মানবজীবনের মধ্যেও বৃক্ষের এ গুণটি লক্ষণীয়। সৃজনশীল মানুষের যাবতীয় কর্ম অন্যের কল্যাণে নিবেদিত। এ দিকগুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত থাকায়, "উদ্দীপকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবার্থের দর্পণ নয়"- মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”অন্ধ ভূমিগর্ভ হতে…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৬ – জীবন ও বৃক্ষ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”