| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘অঙ্গাণু-E: সাইটোপ্লাজমিক ইনহেরিটেন্স,…’ বিভিন্ন রঞ্জক পদার্থ উপস্থিত। শুধুমাত্র উদ্ভিদ কোষে থাকে। অন্তঃপর্দায় কোনো ভাঁজ থাকে না ২০২৪ – কোষ ও এর গঠন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

অঙ্গাণু-E: সাইটোপ্লাজমিক ইনহেরিটেন্স, সকল প্রকৃত কোষে বিদ্যমান
অঙ্গাণু- F: সাইটোপ্লাজমিক ইনহেরিটেন্স, ফটোসিন্থেটিক কোষ বিদ্যমান
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
কোষ প্রাচীর দ্বারা পরিবেষ্টিত সমুদয় পদার্থ একসাথে প্রোটোপ্লাস্ট নামে পরিচিত।
সকল প্রকৃত কোষের সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণুগুলোর অন্তর্বর্তী স্থানে কতগুলো সূত্রক সম্মিলিতভাবে জালিকার ন্যায় গঠন তৈরি করে। এদেরকে কোষীয় কঙ্কাল বা সাইটোস্কেলিটন বলে। বিজ্ঞানী কোল্টজফ (Koltzoff, 1928) প্রথম সাইটোস্কেলিটন শব্দটি ব্যবহার করেন। সাধারণত প্রোটিন নির্মিত (তিন) ধরনের সূত্রক নিয়ে কোষীয় কঙ্কাল গঠিত। এগুলো হলো- মাইক্রোটিউবিউল্স, মাইক্রোফিলামেন্ট ও ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট। এরা কোষীয় চলনে এবং সেন্ট্রিয়োল, সিলিয়া ও ফ্ল্যাজেলা সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করে।
উদ্দীপকের অঙ্গাণুটি হলো প্লাস্টিড। এর প্রকারভেদসহ বিস্তারিত নিচে দেয়া হল :
উদ্ভিদ কোষের সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্ত ডিম্বাকৃতি, ফিতাকৃতি অথবা তারকাকৃতি সঞ্জীব বর্ণাধার বস্তুগুলোই হলো প্লাস্টিড। স্ট্রোমা ও গ্রানা সমৃদ্ধ এবং লিপো-প্রোটিন ঝিল্লি দ্বারা সীমিত সাইটোপ্লাজমস্থ সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্রাঙ্গের নাম প্লাস্টিড।
প্লাস্টিড প্রধানত তিন প্রকার। যথা- (ক) লিউকোপ্লাস্ট, (৪) ক্রোমোপ্লাস্ট এবং (গ) ক্লোরোপ্লাস্ট। প্লাস্টিডগুলোর মধ্যে
ক্লোরোপ্লাস্ট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
(ক) লিউকোপ্লাস্ট (Leucoplast): এরা বর্ণহীন । আলোর
সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্টে, বিশেষ করে ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে।। মূল, ভূ-নিম্নস্থ কাণ্ড প্রভৃতি যে সব অঙ্গে সূর্যালোক পৌছায় না সে সব অঙ্গের কোষে লিউকোপ্লাস্ট অবস্থি
অ্যামাইলোপ্লাস্ট: স্টার্চ বা শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য সঞ্চয়কারী লিউকোপ্লাস্টকে অ্যামাইলোপ্লাস্ট বলা হয়।
ইলায়োপ্লাস্ট :তেল ও চর্বিজাতীয় খাদ্য সঞ্চয়কারী লিউকোপ্লাস্টকে ইলায়োপ্লাস্ট বলা হয়।
অ্যালিউরোপ্লাস্ট : প্রোটিন সঞ্চয়কারী লিউকোপ্লাস্টকে অ্যালিউরোপ্লাস্ট বা প্রোটিনোপ্লাস্ট বলা হয়। কাজ। খাদ্য সঞ্চয় করে রাখা এবং শর্করা থেকে শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য তৈরি করা এদের প্রধান কাজ।
(খ) ক্রোমোপ্লাস্ট (Chromoplast): রঙিন প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্ট বলা হয়। ক্যারোটিন (কমলা-লাল) এবং জ্যান্থোফিল (হলুদ) পিগমেন্টের জন্যে এরা রঙিন হয়। আকৃতিতেও এরা ভিন্নতর। উদ্ভিদের যে সব অঙ্গ বর্ণময় সে সব অঙ্গে ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে। যেমন-ফুলের পাপড়ি, রঙিন ফল ও বীজ, গাজরের মূল ইত্যাদি। সম্ভবত ক্লোরোপ্লাস্ট হতে ক্রোমোপ্লাস্ট সৃষ্টি হয়।
(গ) ক্লোরোপ্লাস্ট (Chloroplast): সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডকে বলা হয় ক্লোরোপ্লাস্ট। ক্লোরোফিল-ও, ক্লোরোফিল-৮, ক্যারোটিন ও জ্যাক্ট্রোফিলের সমন্বয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত। ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা অধিক মাত্রায় ধারণ করে বলে এরা সবুজ বর্ণের। এতে অন্যান্য বর্ণকণিকাও কিছু কিছু পরিমাণে বিদ্যমান থাকে। উদ্ভিদের জন্য ক্লোরোপ্লাস্ট অতীব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
উদ্দীপকের অঙ্গাণুটি হলো মাইটোকন্ড্রিয়া।নিচে মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে পার্থক্য দেয়া হল :
|
মাইটোকন্ড্রিয়া |
প্লাস্টিড |
|
রঞ্জক পদার্থ অনুপস্থিত।
উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় কোষেই থাকে।
অন্তঃপর্দা ভেতরের দিকে অসংখ্য ভাঁজযুক্ত, এদের ক্রিস্টি বলে।
এটি অসম্পূর্ণ প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।
শক্তি উৎপন্ন করা এর প্রধান কাজ।
কোনো খাদ্য সঞ্চয় করে না।
প্রধান রাসায়নিক উপাদান প্রোটিন, লিপিড ও নিউক্লিক অ্যাসিড। |
বিভিন্ন রঞ্জক পদার্থ উপস্থিত।
শুধুমাত্র উদ্ভিদ কোষে থাকে।
অন্তঃপর্দায় কোনো ভাঁজ থাকে না, থাইলাকয়েড বিদ্যমান।
এতে ৩ ধরনের প্রকোষ্ঠ শনাক্তযোগ্য।
খাদ্য তৈরি করা এর প্রধান কাজ।
লিউকোপ্লাস্ট খাদ্য সঞ্চয় করে।
প্রধান রাসায়নিক উপাদান প্রোটিন, লিপিড, ক্লোরোফিল ও এনজাইম। |