A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘অঙ্গাণু ‘X’ আদিকোষী…’ আনন্দ মোহন কলেজ ২০২৬ – কোষ ও এর গঠন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — কোষ ও এর গঠন🔢 সৃজনশীল নং ৮৬🏢 প্রতিষ্ঠান আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

অঙ্গাণু ‘X’ আদিকোষী এবং প্রকৃতকোষী উভয় জাবেই বিদ্যমান। অঙ্গাণু ‘Y’ কেবল সবুজ কোষে পাওয়া যায়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মাইটোকন্ড্রিয়ার অন্তঃপর্দার ভাঁজগুলো নির্দিষ্ট ব্যবধানে আঙুলের মতো প্রবর্ধক সৃষ্টি করে, এদেরকে ক্রিস্টি বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জেনেটিক কোড হলো জিনের একটি সাংকেতিক সজ্জারূপ যা প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় অ্যামাইনো এসিডের অনুরূপ একটি সজ্জাকে নির্দিষ্ট করে। একে mRNA কোডও বলা হয়। এটি জীবের বংশগতির জৈব রাসায়নিক ভিত্তি এবং প্রায় সকল জীবে একইভাবে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত Y অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট, যা কেবল সবুজ কোষে পাওয়া যায়। নিচে ক্লোরোপ্লাস্টের রাসায়নিক গঠন এবং শারীরবৃত্তীয় কাজ বর্ণনা করা হলো-
ক্লোরোপ্লাস্টের রাসায়নিক গঠন: রাসায়নিকভাবে ক্লোরোপ্লাস্ট প্রধানত কার্বোহাইড্রেট, লিপিড, প্রোটিন নিয়ে গঠিত। এছাড়া এতে ক্লোরোফিল থাকে। শুষ্ক ওজনের ১০-২০% লিপিড এবং ৩৫-৫৫% প্রোটিন। প্রোটিনের মধ্যে ৮০% হচ্ছে অদ্রবণীয় যা লিপিডের সঙ্গে একত্রে ঝিল্লি নির্মাণ করে, বাকি ২০% দ্রবণীয় এবং এনজাইম হিসেবে থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টের রয়েছে ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা। ক্লোরোপ্লাস্টে ৭৫% ক্লোরোফিল- ও ২৫% ক্লোরোফিল-৮ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে সামান্য ক্যারোটিনয়েড ও নিউক্লিক অ্যাসিড। একই ক্লোরোপ্লাস্টে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়, এদের মধ্যে স্টার্চ হচ্ছে সাধারণ কার্বোহাইড্রেট। এছাড়া এতে DNA, RNA, কিছু এনজাইম, খনিজ পদার্থ ও কো-এনজাইম উপস্থিত থাকে।
ক্লোরোপ্লাস্টের শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি:
১. ক্লোরোপ্লাস্ট শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। এজন্য একে কোষের রান্নাঘর বা Kitchen of cell বলে।
২. ক্লোরোপ্লাস্টের গ্রানা অঞ্চলে সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায় ও স্ট্রোমা অঞ্চলে অন্ধকার পর্যায়ের বিক্রিয়া হয়।
৩. এটি ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের সাহায্যে ADP থেকে ATP উৎপন্ন করে।
৪. ক্লোরোপ্লাস্টে ফটোরেসপিরেশন বা আলোক শ্বসন ঘটে।
৫. ক্লোরোপ্লাস্টে অবস্থিত রাইবোসোম প্রোটিন সংশ্লেষণে অংশ নেয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের X অঙ্গাণুটি হলো রাইবোসোম। প্রোটিন উৎপাদনে রাইবোসোমের ভূমিকা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
এটি এমন একটি ক্ষুদ্র কোষীয় অঙ্গাণু যা সমস্ত জীবকোষে, যেমন-প্রাণী, উদ্ভিদ ও ব্যাকটেরিয়া কোষে পাওয়া যায়। রাইবোসোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন তৈরি করা। রাইবোসোমকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়।
প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে, DNA থেকে mRNA তৈরি হয়, যা প্রোটিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জেনেটিক কোড বহন করে। এই mRNA নিউক্লিয়াস থেকে সাইটোপ্লাজমে আসে এবং রাইবোসোমের সাথে যুক্ত হয়। রাইবোসোম দুটি উপ-একক নিয়ে গঠিত। একটি ছোট উপ-একক এবং একটি বড় উপ-একক। mRNA এই ছোট উপ-এককের সাথে সংযুক্ত হয়।
এরপর, tRNA (ট্রান্সফার RNA) নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড বহন করে রাইবোসোমে নিয়ে আসে। রাইবোসোম mRNA-এর কোডন অনুযায়ী সঠিক অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে একটার পর একটা যুক্ত করে একটি দীর্ঘ পলিপেপটাইড শৃঙ্খল তৈরি করে। এই পলিপেপটাইড শৃঙ্খলই পরে ভাঁজ হয়ে একটি কার্যকরী প্রোটিনে রূপান্তরিত হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ট্রান্সলেশন নামে পরিচিত। রাইবোসোম এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলোকে পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত করে প্রোটিন শৃঙ্খল তৈরি করে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, রাইবোসোম ছাড়া কোষের পক্ষে প্রোটিন তৈরি করা সম্ভব নয়, যা জীবনের মৌলিক কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য অত্যাবশ্যক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘অঙ্গাণু ‘X’ আদিকোষী…’ আনন্দ মোহন কলেজ ২০২৬ – কোষ ও এর গঠন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”