A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘অণুজীব ‘A’ অকোষীয়,…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৯ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ৮🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

অণুজীব ‘A’ অকোষীয়, ব্যাঙাচি আকৃতির, ‘B’ অণুজীবে সংখ্যা বৃদ্ধি করে। অণুজীব ‘B’ আদিকোষী এবং ‘A’ অণুজীবের প্রতি সংবেদনশীল।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বিভিন্ন মেরুদন্ডী প্রাণীতে Plasmodium অনুজীব দ্বারা যে রোগ হয় তাকে ম্যালেরিয়া বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ম্যালেরিয়া পরজীবী যকৃত কোষে প্রবেশের পর স্পোরোজয়েট খাদ্য গ্রহণ করে আকৃতিতে বড় হয় এবং গোলাকৃতি ধারণ করে। এই দশাকে বলা হয় ক্রিপ্টোজয়েট। অতঃপর প্রতিটি ক্রিপ্টোজয়েটের নিউক্লিয়াস বারবার বিভাজিত হয়ে অসংখ্য নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি করে। বহু নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট এই দশাকে সাইজন্ট বলে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সংখ্যাবৃদ্ধি করে। 

যেসব ভাইরাস ব্যাক্টেরিয়াকে ভক্ষণ করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে তারা ব্যাকটেরিওফায নামে পরিচিত। যেমন- T2 ব্যাকটেরিওফায় E. coli ব্যাকটেরিয়াকে ভক্ষণ করে সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটায়। প্রক্রিয়াটি নিচে চিত্রসহ দেয়া হলো-T2 ফায ভাইরাস প্রথমে এর স্পর্শক তন্তুর মাধ্যমে পোষক ব্যাকটেরিয়ার গায়ে আটকে যায়। অতঃপর ব্যাকটেরিয়ার কোষকে আক্রমণ করে এবং প্রোটিন আবরণটি বাইরে রেখে কেবল মাথার ভেতরের DNA অংশটি কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করিয়ে দেয় ।এরপর ভাইরাসের DNA ব্যাকটেরিয়ার DNA-কে নিষ্ক্রিয় করে দিয়ে ব্যাকটেরিয়া কোষের রাসায়নিক পদার্থ থেকে নতুন ভাইরাসের DNA কাযের মাথা তৈরি করে।অতি অল্প সময়ের মধ্যে নতুন অনেকগুলো ভাইরাস গঠিত হয়। নতুন প্রোটিন হলো ভাইরাসগুলো পোষক কোষপ্রাচীর বিদীর্ণ করে বের হয়ে আসে।এভাবেই T2 ফায ভাইরাসের বংশ বৃদ্ধি ঘটে।

Diagram Description automatically generated

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের অণুজীব A ও B হলো যথাক্রমে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া। নিচে অণুজীব দুটির মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করা হলো- 

সাদৃশ্য -

১. ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া উভয়ই অণুজীব।

২. ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া উভয়ই উদ্ভিদ, প্রাণী এবং মানুষের মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে। 

বৈসাদৃশ্য- 

১)ভাইরাস অকোষীয়,ব্যাকটেরিয়া কোষীয়। 

২)ভাইরাসে DNA বা RNA যেকোনো একটি আছে,ব্যাকটেরিয়ায় DNA ও RNA উভয়ই আছে।

৩)ভাইরাস সজীব কোষের বাইরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে না,ব্যাকটেরিয়া সজীব কোষের বাইরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। 

৪)ভাইরাস কেলাসিত করার পর সজীব কোষে প্রবেশ করলে জীবনের লক্ষণ প্রকাশ করে। ব্যাকটেরিয়া কেলাসিত করার পর সজীব কোষে প্রবেশ করলে জীবনের লক্ষণ প্রকাশ করে না। 

৫) ভাইরাসে সাইটোপ্লাজম ও কোনো ক্ষুদ্রাঙ্গ নেই,ব্যাকটেরিয়ায়সাইটোপ্লাজম ও কোনো ক্ষুদ্রাঙ্গ আছে। 

৬) ভাইরাসে বিপাক ক্রিয়া দেখা যায় না,ব্যাকটেরিয়ায় বিপাক ক্রিয়া দেখা যায়।

৭) ভাইরাসে এনজাইম থাকে না,ব্যাকটেরিয়া এনজাইম থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘অণুজীব ‘A’ অকোষীয়,…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৯ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”