| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘অণুজীব ‘A’ →…’ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৪ – উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

অণুজীব ‘A’ → অকোষীয়, ব্যাঙাচি আকৃতির
অণুজীব ‘B’ → আদিকোষ
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৯
ক্যাপসিড বহু উপ-একক দ্বারা গঠিত। উপ একককে ক্যাপসোমিয়ার বলে।
ম্যলেরিয়ার জনুক্রমের তাৎপর্য (Significance of Alternation of Generation) :
১। জনুক্রমে জীবাণুর প্রজাতির ধারাকে অক্ষুন্ন রাখে।
২। জনুক্রম জীবাণুর জীবনীশক্তি ফিরিয়ে আনে।
৩। জনুক্রম জীবাণুর বিস্তৃতিতে সহায়তা করে।
৪। জনুক্রম জীবাণুর জীবন চক্র সম্পূর্ণ করে।
৫। জনুক্রম প্রজাতিতে বৈচিত্র্য আনে ফলে প্রকরণ সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে T2 ব্যকটেরিওফাজ ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাবৃদ্ধি প্রক্রিয়ার বলা হয়েছে।
বিশেষ উপায়ে ভাইরাসের সংখ্যাবৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং প্রতিটি নতুন ভাইরাস দেখতে হুবহু একই রকম হয়। একটি পরিপূর্ণ ভাইরাস কখনো পূর্বস্থিত (Pre existing) কোনো ভাইরাস থেকে সরাসরি উদ্বৃত হয় না। এছাড়া ভাইরাস অকোষীয় তাই নতুন ভাইরাস সৃষ্টি প্রক্রিয়াকে জীবন চক্র বলা হয় না, বলা হয় সংখ্যাবৃদ্ধি প্রক্রিয়া। ব্যাকটেরিওফায-এর সংখ্যাবৃদ্ধি দু'ভাবে ঘটে থাকে;
যথা-(ক) লাইটিক চক্র বা ভাইরুলেন্ট চক্র এবং
(খ) লাইসোজেনিক চক্র বা টেমপারেট দশা।
Tসিরিজভুক্ত ফাযে অর্থাৎ T₂, T4. T6, ইত্যাদিতে লাইটিক চক্র ঘটে এবং ল্যামডা ফায -এ লাইসোজেনিক চক্র সম্পন্ন হয়।
নিচে এ দু'ধরনের সংখ্যাবৃদ্ধি প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো।
লাইটিক চক্র (Lytic cycle): যে প্রক্রিয়ায় ফাষ ভাইরাস পোষক ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধি সম্পন্ন করে এবং অপত্য ভাইরাসগুলো পোষক দেহের বিদারণ ঘটিয়ে নির্গত হয় তাকে লাইটিক চক্র বা বিগলনকারী চক্র বলে। Escherichia coll (E. coli) নামক ব্যাকটেরিয়া কোষে ।, ব্যাকটেরিওফায়ের লাইটিক চক্র নিম্নলিখিত ধাপসমূহে সংঘটিত হয়।
লাইসোজেনিক চক্র (Lysogenic cycle)। যে প্রক্রিয়ায় ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবেশের পর ভাইরাল DNA-টি ব্যাকটেরিয়াল DNA অণুর সঙ্গে সংযুক্ত হয় এবং ব্যাকটেরিয়াল DNA-র সঙ্গে একত্রিত হয়ে রেপ্লিকেট করে কিন্তু পূর্ণাঙ্গ ভাইরাসরূপে ব্যাকটেরিয়া কোষের বিদারণ বা লাইসিস ঘটিয়ে মুক্ত হয় না তাকে লাইসোজেনিক চক্র বলে।