| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘অপু ও তপু…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৪ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

অপু ও তপু জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। ডাক্তার উভয়ের রক্ত পরীক্ষা করে দেখলেন অপুর রক্তে অনুচক্রিকা ভীষণ ভাবে হ্রাস পেয়েছে। তিনি বললেন এটি হাড় ভাঙ্গা জ্বর তপুর রক্তে লোহিত রক্ত কনিকা অনেক কম এবং রক্তে সাফনার্স দানা উপস্থিত।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৪
যেসব ভাইরাসে RNA থেকে DNA তৈরি হয় অর্থাৎ বিপরীত বা রিভার্সট্রান্সক্রিপশন পদ্ধতিতে DNA উৎপন্ন হয় তাদের রেট্রো ভাইরাস বলে।
ফ্লাজেলা ও পিলির মধ্যে পার্থক্য নিচে দেয়া হল :
|
ফ্লাজেলা |
পিলি |
|
ব্যাকটেরিয়ার ফ্ল্যাজেলা নলাকার রডবিশেষ।
ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্ল্যাজেলা গঠিত।
ফ্ল্যাজেলা ব্যাকটেরিয়ার চলনে অংশগ্রহণ করে। |
কতগুলো গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ায় অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র, দৃঢ়, সংখ্যায় অধিক লোম সদৃশ অঙ্গ থাকে যাকে পিলি বলে।
পিলি, পিলিন (Pilin) নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে তৈরি।
পোষক কোষের সাথে সংযুক্তির কাজ করে থাকে পিলি। গনোরিয়া কোষের সাথে সংযুক্ত হয় |
উদ্দীপকের অপুর ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে।ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষন সমূহ হলো:
সাধারণ ডেঙ্গু জ্বর : প্রথমে শীত শীত ভাব হয়ে হঠাৎ প্রচণ্ড জ্বর দেখা দেয়। জ্বর ১০৩-১০৫) (ডিগ্রি) ফারেনহাইট হয়ে থাকে। সাধারণত স্ত্রী ডেঙ্গু মশা কামড়ানোর ২-৭ দিন পর জ্বর দেখা দেয়। ডেঙ্গু জ্বরে রোগীর তীব্র মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, পেট ব্যথা, কপাল ব্যথা ও গলা ব্যথা হয়। রোগীর সমস্ত শরীরে (মাংসপেশি, পিঠ, কোমর, ঘাড়, হাড়ের জোড়ায় জোড়ায়) ব্যথা হয়। মেরুদণ্ডের ব্যথাসহ কোমরে ব্যথা এই রোগের বিশেষ লক্ষণ। একে হাড়ভাঙ্গা জ্বর বলে। শরীরে লালচে রঙের র্যাশ (ফুসকুড়ি) দেখা দিতে পারে। বমি বমি ভাব ও খাবারে অরুচি হতে পারে। মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছালে রক্তক্ষরণ (bleeding) হয়।
হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর: সাধারণ ডেঙ্গু জ্বরে জটিলতা থেকে হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর দেখা দেয়। এতে কয়েকদিন
পর রোগীর নাক, মুখ, দাঁতের মাড়ি ও ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণ দেখা দেয়। পায়খানার সাথে রক্ত যেতে পারে, রক্ত বমি হতে পারে, চোখের কোণে রক্ত জমাট হতে পারে। রক্তে প্লেটিলেট (অণুচক্রিকা) ভীষণ হ্রাস পায় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না সঠিক চিকিৎসা না হলে মৃত্যু ঘটতে পারে।
ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম: হেমোকনসেনট্রেশন ঘটতে দেখা যায়।
উদ্দীপকের অপু ও তপু জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। ডাক্তার উভয়ের রক্ত পরীক্ষা করে তপুর রক্তে লোহিত রক্ত কনিকা অনেক কম এবং রক্তে সাফনার্স দানা উপস্থিত।
উদ্দীপকের তপু ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত। ম্যালেরিয়া আক্রান্ত রোগীর রক্তশূন্যতার কারণ নিচে দেয়া হল :
১। সাইজোগনি শেষে লোহিত রক্তকণিকার প্রাচীর ভেঙ্গে মেরোজয়েট রক্তরসে মুক্ত হয়। এতে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
২। আক্রান্ত রোগীর যকৃত ও প্লীহা স্ফীত হয়ে যায়, যার ফলে এগুলো থেকে রক্তকণিকা উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়।
৩। আক্রান্ত রোগীর প্লীহা থেকে lysolecithin নামক এক ধরনের বিশ্লেষী পদার্থ নিঃসৃত হয় যা লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস করে।
৪। পরজীবী hacmolysin নামক এক ধরনের অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে যা স্বাভাবিক অনাক্রান্ত লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস করে।