A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”ওরা গুলি ছোড়ে…’ বরিশাল বোর্ড ২০১৭ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — সিরাজউদ্দৌলা🔢 সৃজনশীল নং ১৪🏫 বোর্ড বরিশাল বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

“ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখে

ওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।

ওরা এদেশের নয়,

দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করেন মোহাম্মদি বেগ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়'- উক্তিটি দ্বারা উমিচাঁদের অর্থলোলুপ মানসিকতার দিকটি বোঝানো হয়েছে।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার অমাত্যদের অধিকাংশই ছিল অর্থলোভী ও বিশ্বাসঘাতক। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থলোভী ছিল উমিচাঁদ। অর্থের জন্য সে একেক সময় একেকজনের পক্ষ নিত। ঘসেটি বেগমের সঙ্গে কথা বলার এক পর্যায়ে উমিচাঁদ জানায় যে সে দওলতের পূজারি। কারণ দওলত বা অর্থ তার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে বাংলার শোচনীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দের পলাশির যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। এ যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার সমরশক্তির কোনো অভাব ছিল না। তবু তাঁকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হতে হয়। হীন স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে নবাবের সেনাপতি ও অমাত্যবর্গ বাংলার স্বাধীনতা বিসর্জন দিয়েছিল।

উদ্দীপকে 'ওরা' বলে আখ্যায়িত এক শ্রেণির লোকদের বাংলার বুকে ঘৃণ্য পদাঘাত হানার কথা বলা হয়েছে। তারা দেশের দাবিকে তুচ্ছ করে এদেশের মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে গুলি ছোড়ে। যদি বাংলার প্রতি মমত্ববোধ থাকত তাহলে তারা এমনটি করতে পারত না। তারা গুলি ছুড়ে বাংলাকে বিপন্ন করছে, যা আলোচ্য নাটকে পলাশির যুদ্ধের দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের শেষ দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে চিত্রিত বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন সাহসী এক দেশপ্রেমিক। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি বাংলার স্বাধীনতা বজায় রাখার সংকল্পে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন। কিন্তু তাঁর কতিপয় অমাত্য ও নিকটজনেরা ছিল বিশ্বাসঘাতক। তারা নিজ নিজ স্বার্থ উদ্ধার করতে গিয়ে বাংলাকে নামমাত্র মূল্যে বিকিয়ে দিয়েছিল ভিনদেশি বেনিয়াদের কাছে।

উদ্দীপকে প্রকারান্তরে বিশ্বাসঘাতক মিরজাফর, রাজবল্লভ, জগৎশেঠ, রায়দুর্লভদের কথাই বলা হয়েছে। তারা নবাব সিরাজউদ্দৌলার অমাত্য হয়েও ক্ষমতা ও অর্থের লোভে দেশকে বিক্রি করে দিয়েছিল। তারা স্বার্থের প্রয়োজনে দেশদ্রোহিতার আশ্রয় নিয়েছিল, ঠিক যেমনটি উদ্দীপকে বলা হয়েছে, 'ওরা এদেশের নয়'। যারা দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে তারা দেশের কেউ হতে পারে না বলেই উদ্দীপকের কবি অভিমত প্রকাশ করেছেন।

উদ্দীপকের শেষ দুই চরণে স্বার্থান্ধ দেশদ্রোহীদের কথাই উচ্চারিত হয়েছে। তারা বাঙালি হলেও এদেশের নয় বলে কবি দাবি করেছেন। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও আমরা দেখি, পলাশির যুদ্ধে বিপুল সমর-সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নবাবের পরাজয় ঘটে। কেননা, তাঁর নিজস্ব সেনাদল যুদ্ধে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বিশ্বাসঘাতক সেনাপতি ও অমাত্যবর্গ এভাবেই বাংলার স্বাধীনতা বিসর্জন দেয়। উদ্দীপকটি প্রকারান্তরে এসব স্বার্থান্বেষী ব্যক্তিদের কথাই বলেছে এবং দাবি করেছে যে, তারা বাংলার কেউ নয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”ওরা গুলি ছোড়ে…’ বরিশাল বোর্ড ২০১৭ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”