A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ওরে মোর মূঢ়…’ বরিশাল বোর্ড ২০২২ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — সোনার তরী🔢 সৃজনশীল নং ২🏫 বোর্ড বরিশাল বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ওরে মোর মূঢ় মেয়ে।

কে রে তুই, কোথা হতে কী শক্তি পেয়ে

কহিলি এমন কথা, এত স্পর্ধা ভরে-

“যেতে আমি দিব না তোমায়।” চরাচরে

কাহারে রাখিবি ধরে’ দুটি ছোট হাতে,

গরবিনী সংগ্রাম করিবি কার সাথে

বসি গৃহদ্বার প্রান্তে প্রান্ত ক্ষুদ্র দেহ

শুধু লয়ে ওইটুকু বুক ভরা স্নেহ!

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকটিতে 'সোনার তরী' কাব্যের গভীর জীবন দর্শনের পরিচয় সামান্যই প্রকাশ পেয়েছে। 

সোনার তরী' কাব্যে কবির মহাকালের স্রোতে হারিয়ে যাওয়ার গভীর জীবন দর্শন ফুটে উঠেছে। এই নশ্বর পৃথিবীতে মানুষের ব্যক্তিসত্তা টিকে থাকে না । ব্যাক্তিসত্তা হারিয়ে গেলেও তার সৃষ্টিকর্ম টিকে থাকে অনন্তকালব্যাপী। ধরায় শিল্পস্রষ্টার ঠাই না হলেও তার শিল্পসৃষ্টি সবার কাছেই সমাদৃত হয় । 

উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে ব্যক্তিসত্তাকে ধরে রাখার প্রচেষ্টা। মূঢ় মেয়ে বিশ্ব চরাচরে ধরে রাখতে চায় ব্যক্তি সত্তাকে। তাকে সে যেতে দেবে না বলে প্রকাশ করে।‘কিন্তু ব্যক্তিসত্তা জানে তাকে এই পৃথিবী এক সময় ছেড়ে যেতেই হবে। উদ্দীপকের এই বোধ ‘সোনার তরী' কবিতার গভীর জীবন দর্শনের আংশিকই প্রকাশ করেছে। কবিতায় কবি মহাকালের নিষ্ঠুর কবলে গ্রাস হওয়ার কথা বলেছেন। তার রাশি রাশি সৃষ্টিকর্ম সবাই গ্রহণ করলেও কালের নিষ্ঠুর নিয়মে তাঁর সেখানে স্থান হয় না। মহাকালের স্রোতে জীবন-- যৌবন ভেসে যায় । কেবল বেঁচে থাকে তার সৃষ্ট সোনার ফসল । এই সুতীব্র কাব্যিক প্রকাশ উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ‘সোনার তরী' কাব্যের গভীর জীবনদর্শন আংশিক প্রকাশ পেয়েছে মাত্র ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকটিতে 'সোনার তরী' কাব্যের গভীর জীবন দর্শনের পরিচয় সামান্যই প্রকাশ পেয়েছে। 

সোনার তরী' কাব্যে কবির মহাকালের স্রোতে হারিয়ে যাওয়ার গভীর জীবন দর্শন ফুটে উঠেছে। এই নশ্বর পৃথিবীতে মানুষের ব্যক্তিসত্তা টিকে থাকে না । ব্যাক্তিসত্তা হারিয়ে গেলেও তার সৃষ্টিকর্ম টিকে থাকে অনন্তকালব্যাপী। ধরায় শিল্পস্রষ্টার ঠাই না হলেও তার শিল্পসৃষ্টি সবার কাছেই সমাদৃত হয় । 

উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে ব্যক্তিসত্তাকে ধরে রাখার প্রচেষ্টা। মূঢ় মেয়ে বিশ্ব চরাচরে ধরে রাখতে চায় ব্যক্তি সত্তাকে। তাকে সে যেতে দেবে না বলে প্রকাশ করে।‘কিন্তু ব্যক্তিসত্তা জানে তাকে এই পৃথিবী এক সময় ছেড়ে যেতেই হবে। উদ্দীপকের এই বোধ ‘সোনার তরী' কবিতার গভীর জীবন দর্শনের আংশিকই প্রকাশ করেছে। কবিতায় কবি মহাকালের নিষ্ঠুর কবলে গ্রাস হওয়ার কথা বলেছেন। তার রাশি রাশি সৃষ্টিকর্ম সবাই গ্রহণ করলেও কালের নিষ্ঠুর নিয়মে তাঁর সেখানে স্থান হয় না। মহাকালের স্রোতে জীবন-- যৌবন ভেসে যায় । কেবল বেঁচে থাকে তার সৃষ্ট সোনার ফসল । এই সুতীব্র কাব্যিক প্রকাশ উদ্দীপকে ফুটে ওঠেনি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ‘সোনার তরী' কাব্যের গভীর জীবনদর্শন আংশিক প্রকাশ পেয়েছে মাত্র ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ওরে মোর মূঢ়…’ বরিশাল বোর্ড ২০২২ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”