A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ওরে নবীন ওরে…’ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৬ – যৌবনের গান, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — যৌবনের গান🔢 সৃজনশীল নং ১৬🏢 প্রতিষ্ঠান সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচা
ওরে সবুজ ওরে অবুঝ
আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।
রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরে
আজকে যে যা বলে বলুক তোরে
সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে
পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা,
আয় দুরন্ত আয় রে আমার কাঁচা।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কালাপাহাড় হলেন ব্রাহ্মণ থেকে মুসলমানে ধর্মান্তরিত বিখ্যাত মুসলিম যোদ্ধা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।"- কারণ বয়সে বৃদ্ধ হলেও অনেকের মধ্যে যৌবনশক্তি সদা জাগ্রত থাকে। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবন ও বার্ধক্যের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা
করেছেন। তিনি বলেছেন- বয়স দিয়ে যৌবন বা তারুণ্য বিচার করা যায় না। সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরে বার্ধক্য চলে আসে। তবে বৃদ্ধ বয়সেও অনেকের মনে তারুণ্যের প্রাণচাঞ্চল্য সদা জাগ্রত থাকে। তারা বয়সকে উপেক্ষা করে তারুণ্যশক্তিতে বলীয়ান হয়ে কর্মতৎপরতা চালায় এবং নব উদ্যমে এগিয়ে চলে। বার্ধক্য ও তারুণ্য মূলত মনমানসিকতার ব্যাপার। এ কারণেই লেখক বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'আধমরারা' 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের রক্ষণশীল, সংস্কারাচ্ছন্ন, পশ্চাৎপদ মানসিকতার তরুণদের সঙ্গে তুল্য।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক কাজী নজরুল ইসলাম তারুণ্যশক্তির জয়গান গেয়েছেন। পক্ষান্তরে তিনি বার্ধক্যের স্বরূপ তুলে ধরেছেন। যারা নিস্তেজ, হতাশ, নিষ্ক্রিয়, উদ্যমহীন তারাই বার্ধক্যকে ধারণ করে আছে।
উদ্দীপকে তরুণদের মাধ্যমে আধমরাদের বাঁচানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। এই আধমরারাই সমাজের অগ্রগতির পথে বাধা সৃষ্টি করে। তাদের পশ্চাৎপদ চিন্তাধারা জাতীয় অগ্রযাত্রার প্রধান অন্তরায়। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক এমন কিছু মানুষের কথা তুলে ধরেছেন যারা রক্ষণশীল ও সংস্কারাচ্ছন্ন। তারা পুরানোকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। লেখক মনে করেন, তাদের এমন পশ্চাৎপদ মানসিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের ইতিবাচক পরিবর্তনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তাদের এমন মানসিকতা উদ্দীপকের আধমরাদেরই নির্দেশ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"উদ্দীপকের নবীন ও সবুজরা যেন 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের তরুণদের মতোই পরিবর্তনশীল পৃথিবীর উজ্জ্বল প্রতিভূ"- মন্তব্যটির সঙ্গে আমি একমত।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে কবি দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করেছেন। কারণ যৌবন হচ্ছে অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। যৌবন মানুষের জীবনকে গতিশীল ও প্রত্যাশাময় করে। দুর্বার উদ্দীপনায়, ক্লান্তিহীন উদ্যমে সব বাধা অতিক্রম করে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।
উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি নবীন ও সবুজদের সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে এগিয়ে আসার আহ্বান করেছেন। তারা যেন আধমরা জনগোষ্ঠীকে তাদের অফুরন্ত প্রাণশক্তির সংস্পর্শে নিয়ে এসে প্রাণ দান করে সেই কামনা করেন। তাঁর বিশ্বাস- তরুণরাই সংস্কারাচ্ছন্নতা দূর করে নতুন দিনের সূর্য আনবে। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধেও লেখক যৌবনশক্তির জয়গান গেয়েছেন। যৌবনের ধারক তরুণরা দুর্বার গতিতে সব বাধা-বিপত্তি পশ্চাতে ফেলে সমাজকে স্বপ্নময় এক নতুন মুক্ত জীবনের দিকে নিয়ে যায়।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক মনে করেন তারুণ্য অফুরন্ত প্রাণশক্তির উৎস। এই শক্তির বলে তারা সব সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্ন করে নতুনভাবে পৃথিবীকে ঢেলে সাজানোর সক্ষমতা রাখে। তারা বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়াতে পারে সেবাব্রত নিয়ে। তারাই পারে ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে সুন্দর পৃথিবী গঠন করতে। উদ্দীপকের কবি ও 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখকের তরুণদের কাছে এমনই প্রত্যাশা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ওরে নবীন ওরে…’ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৬ – যৌবনের গান, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”