A. Nayan
A. Nayan
29 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘অর্ণব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯ – পল্লিসাহিত্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৮ম অধ্যায় : পল্লিসাহিত্য - মুহম্মদ শহীদুল্লাহ🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল: ২০১৯⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

অর্ণব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হয়ে ‘বিজয় একাত্তর’ হলে থাকে। অর্ণব দেখতে পেল মোবাইল ফোনে সহপাঠীরা হিন্দি, রক, ব্যান্ড-এর গান শুনতে পছন্দ করে। লোকসংগীতের প্রতি এই অনাগ্রহ দেখে অর্ণব মোবাইলে আব্বাস উদ্দিন, লালন, হাসন, পাগলা কানাই-এর গান শোনে। অর্ণবের উদ্যোগের ফলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধীরে ধীরে লোকসংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। 

উত্তর:

প্রবাদ বাক্য হলো দীর্ঘদিন ধরে লোকমুখে প্রচলিত বিশ্বাসযোগ্য কথা বা জনশ্রুতি।

উত্তর:

মানুষের প্রাণের সরল প্রকাশের কারণে ছড়া সাহিত্যকে সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস বলা হয়েছে।

'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। সেগুলোর মধ্যে ছড়া অন্যতম একটি। একসময় খেলার হলে আনন্দে শিশুরা বিভিন্ন ছড়া কাটত, মায়েরা ছড়া কেটে সুরে সুরে সন্তানদের ঘুম পাড়াত। মানুষ তখন এগুলো সহজ-সরল মনে রচনা করত বলে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ছিল মানুষের সহজ প্রাণের বহিঃপ্রকাশ। এ কারণে লেখক ছড়া সাহিত্যকে সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস বলেছেন। 

উত্তর:

উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা যে সাহিত্যের অনুরাগী তা 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে আলোচিত শহুরে সাহিত্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

পল্লিসাহিত্য এ দেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। একসময় এ দেশের পল্লিসাহিত্য যথেস্ট সমৃদ্ধ ছিল। বর্তমানে শহরে সাহিত্যের প্রভাবে তা নষ্ট হয়ে ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে।

উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা যা পছন্দ করে তা হলো হিন্দি, রক ও ব্যান্ডের গান। তাদের শোনা এ গানগুলো নাগরিক সাহিত্য বা শহুরে সাহিত্যের অংশ। 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক এগুলোকে শহুরে সাহিত্য বা শহুরে গান বলেছেন। লেখকের মতে যে সাহিত্যে বাবু-বিবির কথা, রাজ-রাজড়ার কথা, বিজলি বাতির কথা রয়েছে তা মাগরিক বা শহুরে সাহিত্য। তাতে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা থাকে না। আলোচ্য উদ্দীপকের অর্ণবের সহপাঠীরা মোবাইল ফোনে যে গান শোনে বা যে সাহিত্যের অনুরাগী সেখানেও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা নেই। কারণ তা শহরে সাহিত্য বা শহরে গান।

উত্তর:

"উদ্দীপকের অর্ণবের উদ্যোগই 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

পল্লিসাহিত্য বাঙালির প্রাণের সঙ্গে মিশে আছে। পল্লির বুকজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পল্লিসাহিত্য মানুষের জীবনের কথা বলে। তাই এগুলো সংরক্ষণ করা একান্ত জরুরি।

উদ্দীপকের অর্ণব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। লোকসংগীতের প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। তবে অর্ণবের সহপাঠীরা শহুরে সাহিত্যের প্রতি আসক্ত। তারা পল্লিগান বা লোকসংগীত পছন্দ করে না। অর্ণব লোকসংগীতের প্রতি সহপাঠীদের এই অনাগ্রহ দেখে মোবাইলে আব্বাস উদ্দিন, লালন শাহ, হাসন রাজা, পাগলা কানাই প্রমুখের গান শোনে। তার বাজানো গান শুনে তার সহপাঠীরা ধীরে ধীরে লোকসংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে।

'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে লেখক বাংলার পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন সম্পদ নিয়ে আলোচনা করেছেন। পল্লিসাহিত্য সম্পর্কে তাঁর অভিমত হলো এগুলো আমাদের অমূল্য সম্পদ, এগুলো সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। পল্লিসাহিত্যের প্রসারের জন্য আরও বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মত দিয়েছেন। তিনি পল্লিসাহিত্যগুলো বাঁচিয়ে রাখার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। উদ্দীপকের অর্ণবের কর্মকাণ্ড লেখকের সেই প্রত্যাশাই পূরণ করে। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘অর্ণব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯ – পল্লিসাহিত্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”