অবস্থান থেকে এক ব্যক্তি এর শব্দ উৎপন্ন করে। তাপমাত্রায় শব্দের বেগ . Q বিন্দুতে অবস্থিত ব্যক্তি ঐ শব্দের প্রতিধ্বনি শুনতে পায়।
সুরযুক্ত শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দিয়ে একই প্রাবল্যের খাদের সুর এবং চড়া সুরের মধ্যে পার্থক্য বুঝা যায় তাই শব্দের পিচ বা তীক্ষ্ণতা।
সিসমিক সার্ভে পদ্ধতিতে শব্দের সাহায্যে মাটির নিচের বিভিন্ন স্তর সম্পর্কে জানা যায়। এ পদ্ধতিতে মাটির গভীরে ছোটো বিস্ফোরণ ঘটানোর কারণে সৃষ্ট শব্দতরঙ্গ মাটির বিভিন্ন স্তরে ধাক্কা খেয়ে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে। এই প্রতিফলিত শব্দতরঙ্গ জিও ফোনে ধরা পড়ে। পরবর্তীতে এ তথ্য বিশ্লেষণ করে মাটির নিচের স্তরসমূহের একটি ত্রিমাত্রিক ছবি গঠন করা হয়। এভাবেই শব্দের সাহায্যে মাটির নিচের বিভিন্ন স্তর সম্পর্কে জানা যায়।
উদ্দীপক হতে,
তাপমাত্রায় শব্দের বেগ,
বায়ুর তাপমাত্রা,
শব্দের কম্পাঙ্ক,
আমরা জানি,
বা,
আবার,
বা,
অতএব, P অবস্থানে থাকা ব্যক্তির সৃষ্ট শব্দের তরঙ্গদৈর্ঘ্য
উদ্দীপক অনুসারে,
বায়ুর তাপমাত্রা,
বায়ুর তাপমাত্রায় শব্দের বেগ, ?
আমরা জানি,
বা,
এবং প্রতিফলকের মধ্যবর্তী দূরত্ব,
আবার,
বা,
আমরা জানি, প্রতিধ্বনি শোনার ন্যূনতম সময়, . যেহেতু সেহেতু Q অবস্থানের ব্যক্তির পক্ষে প্রতিধ্বনি শোনা সম্ভব।
