মৌলগুলোকে তাদের পারমাণবিক ভরের ক্রম অনুসারে সাজালে প্রতি অষ্টম মৌলসমূহের ধর্মের মিল দেখা যায়, যা পর্যায় সারণির 'অষ্টক তত্ত্ব' নামে পরিচিত।
জানা আছে, 'যে সকল ধাতু মাটিতে যৌগ' হিসেবে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার তৈরি করে তাকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। গ্রুপ-২' এর মৌলসমূহের এ ধরনের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ক্যালসিয়ামকে (Ca)-কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়; এর কারণ হলো এটি গ্রুপ-2 এর মৌল এবং এদের অক্সাইডসমূহ পানিতে ক্ষারীয় দ্রবণ তৈরি করে। এছাড়া মৌলটি বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে।
এজন্য কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।
উদ্দীপকের মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা যা স্ক্যানডিয়াম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যাকে নির্দেশ করে। এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ-
এর সর্বশেষ শক্তিস্তর হওয়ায় এটি ৪র্থ পর্যায়ের মৌল। আবার এর সর্বশেষ শক্তিস্তরে অরবিটাল এবং তার আগের শক্তিস্তরে অরবিটাল আছে। এখানে এ অরবিটালে টি এবং অরবিটালে 2টি ইলেকট্রন থাকায় এর গ্রুপ সংখ্যা হবে ।
এর অবস্থান ৪র্থ পর্যায় এবং নং গ্রুপ।
উদ্দীপকের ও এর পারমাণবিক সংখ্যা ও যা যথাক্রমে কপার ও আর্গনের পারমাণবিক সংখ্যাকে নির্দেশ করে। ও এর মধ্যে এর ইলেকট্রনবিন্যাস সাধারণ নিয়মে হয় না। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
সাধারণ নিয়ম অনুসারে পরমাণুতে ইলেকট্রন অরবিটালসমূহের শক্তির ক্রমানুসারে কম থেকে বেশি শক্তিসম্পন্ন অরবিটালে প্রবেশ করে।
সাধারণ নিয়ম অনুসারে এর ইলেকট্রন বিন্যাস হয়,
কিন্তু গবেযণায় দেখা যায় যে, সমশক্তিসম্পন্ন অরবিটালসমূহ অর্ধপূর্ণ বা সম্পূর্ণভাবে পূর্ণ হলে সে ইলেকট্রন বিন্যাস সুস্থিতি অর্জন করে।
অর্থাৎ ও nd বিন্যাস অধিক স্থায়ী হয়। এ কারণে মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস ব্যতিক্রম নিয়মে হয়। ফলে, এর ইলেকট্রন বিন্যাস দাঁড়ায়, ।
পক্ষান্তরে, আর্গনের ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ :
উক্ত বিন্যাস স্বাভাবিক ইলেকট্রন বিন্যাসের মত হয়েছে। অর্থাৎ আর্গনের ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয় না।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, এর ইলেকট্রন বিন্যাস স্বাভাবিক নিয়মে হলেও এর ইলেকট্রন বিন্যাস স্বাভাবিক নিয়ম মেনে চলে না।
