| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘P ও Q…’ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৪ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

P ও Q প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খনিজ লবণ শোষণ করে। P প্রক্রিয়ার জন্য বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন পড়ে, কিন্তু Q প্রক্রিয়ার জন্য বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয় না।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১১
শ্বসনিক হার/কোশেন্ট (Respiratory quotient/R.Q): শ্বসন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ যে পরিমাণ CO₂ ত্যাগ করে এবং যে পরিমাণ O2 গ্রহণ করে তার অনুপাতকে শ্বসনিক হার (R.Q) বলে।
যে চক্রপথে অ্যাসিটাইল CoA অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিডের সাথে যুক্ত হয়ে CO₂, শক্তি অণু (ATP, FADH2, NADH + H') উৎপন্ন করে এবং অক্সোলো অ্যাসিটিক অ্যাসিড পুনঃউৎপাদিত হয় সেটি হলো ক্রেবস চক্র।
এই চক্রের প্রথম উৎপন্ন এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ পদার্থ সাইট্রিক অ্যাসিড, তাই এই চক্রকে সাইট্রিক অ্যাসিড চক্রও বলা হয়। সাইট্রিক অ্যাসিডে ৩টি কার্বোক্সিল (-COOH) গ্রুপ থাকায় এই চক্রকে ট্রাই কার্বোক্সিলিক এসিড (TCA) চক্র বলা হয়।
উদ্দীপকের P, Q প্রক্রিয়া যথাক্রমে সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় পরিশোষণ প্রক্রিয়া। এদের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেয়া হল :
|
সক্রিয় পরিশোষণ |
নিষ্ক্রিয় পরিশোষণ |
|
সক্রিয় পরিশোষণে বিপাকীয় শক্তির প্রত্যক্ষ প্রয়োগের প্রয়োজন পড়ে।
সক্রিয় পরিশোষণে শ্বসন হার বৃদ্ধি পায়।
ক্যাটায়ন (+) ও অ্যানায়ন (-) এর শোষণ একই সাথে সংঘটিত হয়।
সক্রিয় পরিশোষণ বাহক আয়ন বা অণু দ্বারা সম্পন্ন হয়।
সক্রিয় শোষণে এনজাইম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। |
নিষ্ক্রিয় পরিশোষণে বিপাকীয় শক্তির প্রত্যক্ষ প্রয়োগের প্রয়োজন পড়ে না।
নিষ্ক্রিয় পরিশোষণে শ্বসন হার স্বাভাবিক থাকে।
ক্যাটায়ন (+) ও অ্যানায়ন (-) এর শোষণ একই সাথে সংঘটিত হয় না।
নিষ্ক্রিয় পরিশোষণে কোনো বাহক আয়ন বা অণুর দরকার হয় না।
এনজাইমের কোনো ভূমিকা নেই। |
উদ্দীপকের P প্রক্রিয়ায় আধুনিক মতবাদ অর্থাৎ সক্রিয় পরিশোষনের আধুনিক মতবাদ অর্থাৎ প্রোটন অ্যনায়ন কো ট্রান্সপোর্ট মতবাদ নিচে দেয়া হল :
আধুনিক ধারণায়, কোষঝিল্লির উভয় দিকে একটি তড়িৎ রাসায়নিক নতিমাত্রা (electrochemical gradient) সৃষ্টির মাধ্যমে আয়নগুলো কোষের ভেতরে স্থানান্তরিত হয়।
এ আধুনিক মতবাদ অনুসারে, আয়ন নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক প্রোটিন বাহক দ্বারা বাহিত হয়ে বাইরের দ্রবণ থেকে কোষের ভেতরের দ্রবণে প্রবেশ করে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রোটিন নির্দিষ্ট আয়নের বাহক হিসেবে কাজ করে।
ধারণা করা হয় কোষঝিল্লির ভেতরের তলের দিকে ATP-ase এনজাইমের ক্রিয়ায় ATP ভেঙ্গে শক্তি নির্গত হয়। যার প্রভাবে প্রোটন (H+) কোষের বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়। একে প্রোটন পাম্প বলে।
প্রোটন পাম্পের কারণে কোষের বাইরের সাথে ভেতরের দিকে pH gradient (বাইরে pH কম) এবং potential gradient (কোষের বাইরের +ve চার্জ বেশি, কোষের ভেতরে +ve চার্জ কম) তৈরি হয় যাকে একত্রে Electrochemical potential gradient বা Proton motive force বলে।
কোষ পর্দার অভ্যন্তরে Proton motive force তৈরি হলেই বাহক প্রোটিনগুলো সক্রিয় হয় এবং ক্যাটায়নগুলোকে বহন করে বাইরের দ্রবণ থেকে কোষের ভেতরে নিয়ে আসে। প্রোটনও বাইরে থেকে ভেতরে ঢুকতে চায়, আর সে সময় অ্যানায়নগুলো প্রোটনের সাথে (প্রোটন ও অ্যানায়ন একসঙ্গে) প্রোটিন বাহকের মাধ্যমে কোষাভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এজন্য একে প্রোটন-অ্যানায়ন কো-ট্রান্সপোর্ট বলা হয়।