| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘P ও Q…’ সিলেট বোর্ড ২০২৩ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

P ও Q দু’ধরনের অণুজীব। P তে কোন অঙ্গানু নেই, Q তে শুধু রাইবোজোম নামক অঙ্গানু বিদ্যমান।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৪
ভাইরাসের প্রোটিন আবরণ অর্থাৎ ক্যাপসিড বহু উপএকক দ্বারা গঠিত। এই উপ-এককে ক্যাপসোমিয়ার বলে।
যে প্রক্রিয়ায় ফায ভাইরাস পোষক ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধি সম্পন্ন করে ও অপত্য ভাইরাসগুলো পোষক দেহের বিদারণ বা লাইসিস ঘটিয়ে নির্গত হয় তাকে লাইটিক চক্র বলে। E.coli নামক ব্যাকটেরিয়ায় T2 ফায লাইটিক চক্রের মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি সম্পন্ন করে।
উদ্দীপকের Q দ্বারা নির্দেশিত অনুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। নিচে একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়ার দৈহিক গঠনের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো:
উদ্দীপকে উল্লিখিত ‘P’ অণুজীবটি হলো ভাইরাস। আমরা জানি, ভাইরাস অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক, অকোষীয়, জীবদেহের অভ্যন্তরে বংশবিস্তার করে এবং জীবদেহের বাইরে জড়বস্তুর ন্যায় আচরণ করে। ভাইরাস উদ্ভিদ এবং প্রাণীরা নানা রকম উপকার ও অপকার দুইই করে থাকে। তবে ভাইরাস উপকারের চাইতে অপকারই বেশি করে থাকে। এজন্য ভাইরাস অণুজীবটি জীবকুলের জন্য হুমকিস্বরূপ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
গরুর বসন্ত, গরু, ছাগল, শূকর, মহিষ ইত্যাদি প্রাণীর ফুট এন্ড মাউথ রোগ, কুকর ও বিড়ালের জলাতঙ্ক ইত্যাদি ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে। ভাইরাস উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানবকুলের অনেক রোগ সৃষ্টি করে থাকে। যেমন: ভাইরাস মানুষের বসন্ত রোগ, হাম পোলিও ইত্যাদি রোগ হয়ে থাকে। বহুল আলোচিত এইডস রোগ ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। বিভিন্ন প্রকারের ভাইরাসের আক্রমণের ফলে মানুষের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব, এমনকি অকাল মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এজন্যই ভাইরাসকে জীবকূলের জন্য হুমকিস্বরূপ বলা হয়।