A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘’P’ রোগের লক্ষণ:…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – শৈবাল ও ছত্রাক, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — শৈবাল ও ছত্রাক🔢 সৃজনশীল নং ৩০🏢 প্রতিষ্ঠান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

‘P’ রোগের লক্ষণ: পাতায় পানিভেজা এবং কালচে দাগ দেখা যায়।
‘Q’ রোগের লক্ষণ: পায়ের আঙুলের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানের চামড়া ফেটে যাওয়া বা উঠে যাওয়া।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মিথোজীবিতা হচ্ছে দুটি ভিন্ন জীবের মধ্যে এমন একটি সহবস্থান যেখানে উভয়েই উপকৃত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ব্রায়োফাইটার বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
i. এরা বহুকোষী অপুষ্পক উদ্ভিদ অর্থাৎ এদের কোনো ফুল, ফল ও বীজ হয় না।
ii. দেহ থ্যালয়েড প্রকৃতির অর্থাৎ এদের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না।
iii. দেহ শুধুমাত্র প্যারেনকাইমা টিস্যু দিয়ে গঠিত।
iv. যৌন জনন উগ্যামাস প্রকৃতির।
V. নিষেকের জন্য জলীয় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে P রোগ বলতে আলুর বিলম্বিত ধ্বসা রোগের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। উক্ত রোগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিচে বর্ণনা করা হলো-
আলুর বিলম্বিত ধ্বসা রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য রোগ লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথেই ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে। প্রথমেই ১% বোর্দোমিশ্রণ কপার সালফেট, লাইম ও পানি ছিটিয়ে বা কপার-লাইম ডাস্ট প্রয়োগ করে রোগের বিস্তার রোধ করা যায়। পানি ও পানি প্রবাহ রোগের সেকেন্ডারি বিস্তার ঘটায়। তাই পানি সেচ সীমিত রাখতে হবে। নাইট্রোজেন সারও সীমিত ব্যবহার করা দরকার।
আলু চাষের জন্য সুস্থ ও জীবাণুমুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে। অবশ্যই রোগমুক্ত এলাকা থেকে বীজ আলু সংগ্রহ করতে হবে। কোল্ডস্টোরেজ-এ রাখা বীজ ব্যবহার অপেক্ষাকৃত উত্তম। মনে রাখতে হবে রোগাক্রান্ত বীজ থেকেই রোগের প্রাথমিক আক্রমণ ঘটে। জমি থেকে ফসল উঠানোর পর সব পরিত্যক্ত আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলতে হবে। একই জমিতে প্রতি বছর আলু চাষ না করে ১/২ বছর পর পর চাষ করলে রোগের বিস্তার কম হতে পারে। ছত্রাক প্রতিরোধক্ষম 'জাত' লাগাতে হবে। আগাম জাত চাষ করলে রোগ আক্রমণের আগেই ফসল তুলে নেয়া যায়। এলাকা ও জমির ধরন অনুযায়ী জাত নির্বাচন করতে হবে। স্থানীয় জাতে ফলন কম হলেও সাধারণত রোগপ্রবণ নয়। পাতা থেকে আলুতে যাতে রোগ সংক্রমণ না হয়, সেজন্য আলু সংগ্রহের পূর্বে সাইনক্স বা অ্যামোনিয়াম থায়োসায়ানেট ওষুধ ছিটিয়ে গাছের পাতা ঝড়িয়ে ফেলতে হয়। যে সব স্থানে এ রোগ হয় সেখানে গাছ ৮-১০ আঙ্গুল বড় হলেই ডায়থেন এম-৪৫ বা বোর্দো মিক্সচার নামক ছত্রাকনাশক ১৫ দিন পরপর ছিটাতে হবে।
এভাবে একটু সচেতন হয়ে উপযুক্ত সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে উদ্দীপকে উল্লিখিত আলুর বিলম্বিত ধ্বসা রোগের জীবাণু তথা রোগটি হতে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'Q' দ্বারা দাদ রোগকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে দাদ রোগের প্রতিরোধ পদ্ধতি বিশ্লেষণ করা হলো-
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা: দাদ প্রতিরোধের প্রধান শর্ত হলো নিজেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। বিশেষ করে গোসলের পর শরীরের কোনো অংশ যেন ভেজা না থাকে, সেজন্য শরীর ভালোভাবে মুছতে হবে। এছাড়া গেঞ্জি ও অন্তর্বাস নিয়মিত পরিষ্কার করে ব্যবহার করতে হবে।
ব্যবহৃত সামগ্রীর পৃথকীকরণ: আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত কোনো জিনিস যেমন জামা-কাপড়, চিরুনি, তোয়ালে বা বিছানা অন্য কেউ ব্যবহার করা যাবে না। এমনকি মাথার ত্বকে দাদ প্রতিরোধের জন্য অন্য কারো টুপি, বালিশ বা কাঁচি ব্যবহার করা থেকেও বিরত থাকতে হবে।
পোশাক ও পরিবেশ: সবসময় সুতির তৈরি মোজা ও অন্তর্বাস পরতে হবে এবং পোশাক হতে হবে যথাসম্ভব ঢিলেঢালা। পাশাপাশি নিজের ঘরের বিছানার চাদর, তোষক এবং জামা-কাপড় নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
অন্যান্য সতর্কতা: গৃহপালিত বা পোষা প্রাণীর শরীরে কোনো ক্ষত বা ন্যাড়া স্থান দেখা দিলে তা স্পর্শ করার সময় অত্যন্ত সাবধান থাকতে হবে, কারণ প্রাণীদের থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে। এছাড়া শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা আবশ্যক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘’P’ রোগের লক্ষণ:…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – শৈবাল ও ছত্রাক, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”