A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘পাতা কুড়ানি মেয়েটা…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৬ – সেইদিন এই মাঠ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: বরিশাল বোর্ড📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

পাতা কুড়ানি মেয়েটা আর কথা বলেনি

কৃষাণ ছেলেটি গায়নি আর গান।

টিউটর তার প্রেয়সীর জন্য কবিতা লেখেনি

কামার বুড়োটি হাতুড়ির আঘাতে বাঁচিয়েছে মান।

যাঁর মতো সবাই হয়ে উঠেছিল এক একটি কামান।।

উত্তর:

দানবের মতো চিৎকার করতে করতে ট্যাঙ্কের আগমন ঘটেছিল

উত্তর:

মোল্লাবাড়ির বিধবা নড়বড়ে খুঁটি ধরে স্বাধীনতার প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়েছিল।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় দেখা যায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশে নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। তারা ঘরবাড়ি পুড়িয়ে নিঃস্ব করে দেয়। কবিতায় দেখা যায়, অসহায় স্বজন হারানো বিধবা ধ্বংসস্তূপের মাঝে দগ্ধ ঘরের খুঁটি ধরে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার প্রহর গুনছে।

উত্তর:

উদ্দীপকে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার সব শ্রেণি-পেশার মানুষের নির্বিশেষে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় মুক্তিযুদ্ধকালীন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আপামর জনসাধারণ অস্ত্র হাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাঙালিদের অপরিসীম আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা।

উদ্দীপকেও মুক্তিযুদ্ধে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের আত্মত্যাগের চিত্র ফুটে উঠেছে। পাতা কুড়ানি মেয়ে থেকে শুরু করে কৃষাণ ছেলে, টিউটর, কামার বুড়ো সবাই নিজ নিজ কর্ম ফেলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করেছিল। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় বাঙালিদের আত্মত্যাগের যে মহিমা ফুটে উঠেছে তা উদ্দীপকেও দেখা যায়। পাকিস্তানি হানাদারদের তাড়াতে উদ্দীপক ও কবিতায় আপামর জনসাধারণ আত্মত্যাগের পরিচয় দেয়। সর্বোপরি বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার সব শ্রেণির মানুষের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের দিকটিরই প্রতিফলন ঘটেছে।

উত্তর:

উদ্দীপকে বাঙালির মুক্তিসংগ্রামে আত্মত্যাগের বিষয়টি থাকলেও পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাকান্ড ও ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র অনুপস্থিত থাকায় "উদ্দীপকে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার আংশিক ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে।"- উক্তিটি যথার্থ।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় কবি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঙালির আত্মত্যাগের আলেখ্য তুলে ধরেছেন। দীর্ঘ নয় মাসব্যাপী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞ, গণহত্যাসহ আরও নারকীয় বর্বরতার চিত্র এসেছে এ কবিতায়।

উদ্দীপকে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের আত্মত্যাগের ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনকে রুখতে বাঙালিরা একেকটি কামানের মতো গর্জে উঠেছিল। 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মত্যাগের পাশাপাশি পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম অত্যাচার, হত্যা, ধর্ষণ ইত্যাদির চিত্রও রয়েছে।

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতায় বাঙালির অপরিসীম আত্মত্যাগের মহিমা ফুটে উঠেছে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা আন্দোলনে আপামর বাঙালি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালিদের উপর নির্মম গণহত্যা চালায়। ছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় করে দেয়। পশুর কণ্ঠে এসবের প্রাকৃতিক প্রতিবাদের চিত্রও কবিতায় উঠে এসেছে। কিন্তু উদ্দীপকে শুধু বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে আত্মত্যাগের বিষয়টি থাকলেও অন্যান্য বিষয় অনুপস্থিত থাকায় তা কবিতার আংশিক ভাবকেই ধারণ করে মাত্র।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘পাতা কুড়ানি মেয়েটা…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৬ – সেইদিন এই মাঠ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”