A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘পেশাজীবী দম্পতির একমাত্র…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৫ম অধ্যায় : বই পড়া - প্রমথ চৌধুরী🔢 সৃজনশীল নং: ১৯🏢 প্রতিষ্ঠান: জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

পেশাজীবী দম্পতির একমাত্র সন্তান সোহান। মায়ের ইচ্ছা সে একজন সফল প্রকৌশলী হবে। তাই মা সিলেবাসবহির্ভূত কোনো বই পড়তে দেখলে অত্যন্ত বিরক্ত হন। তবে বাবা পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। বাবার এমন অনুপ্রেরণায় সোহান যেমন সহজেই বুয়েটে চান্স পায় তেমনই শুভ্র চিন্তা-চেতনায়ও সে হয়ে ওঠে সমৃদ্ধ।

উত্তর:

শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ হলো সাহিত্যচর্চা।

উত্তর:

মনের হাসপতাল বলতে লেখক লাইব্রেরিকে বুঝিয়েছেন।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক মনে করেন বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা বিভিন্ন দিক থেকে আমাদের অনেক ক্ষতি করেছে। স্কুল-কলেজের বর্তমান শিক্ষাপদ্ধতিতে নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রমে শিক্ষার্থীরা সংকীর্ণ পরিসরে মুখস্থবিদ্যা চর্চা করতে করতে শিক্ষার উদ্দেশ্য ও আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকে। অন্যদিকে তারা লাইব্রেরি তথা গ্রন্থাগারে নিজ নিজ রুচি, পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক অনুশীলন করতে পারে। ফলে তাদের মন-প্রাণ সরস, সজীব, সতেজ হয়ে আনন্দ-রসে পূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই মনের হাসপাতাল বলতে লাইব্রেরিকেই বোঝানো হয়েছে।

উত্তর:

উদ্দীপকের সোহানের বাবার মধ্যে 'বই পড়া' প্রবন্ধের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা হলো বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করা।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কখনো মানুষকে পরিপূর্ণ করে গড়ে তুলতে পারে না। কারণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রে পাঠ্যবইয়ের বাইরে তেমন কিছুই পড়ানো হয় না। ফলে জীবন সমৃদ্ধ হয় না। এজন্য প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি আরও নানা বই পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে হয়।

উদ্দীপকের সোহানের বাবা তার ছেলে সোহানকে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি আরও নানা ধরনের বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। বাবার এমন অনুপ্রেরণায় সোহান শুভ্র চিন্তা-চেতনায় সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। 'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক আসলে এই বিষয়টিরই অবতারণা করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা হয়তো আমাদের উদরপূর্তির ব্যবস্থা করে কিন্তু নিজেকে সমৃদ্ধ করতে চাইলে পাঠ্যের বাইরে পাঠকের নিজ পছন্দের বই পড়ার উপায়ান্তর নেই, যা'মূলত বই পড়ার গুরুত্বকে ইঙ্গিত করে। তাই বলা যায়, সোহানের বাবার মধ্যে 'বই পড়া' প্রবন্ধের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা হলো বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করা।

উত্তর:

'বই পড়া' প্রবন্ধে যে স্বশিক্ষার কথা বলা হয়েছে তা প্রগতিশীল জীবন ও জগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার শিক্ষা বিধায়। "প্রগতিশীল জগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে উদ্দীপকের সোহানের শুভ্র চিন্তা সমর্থনযোগ্য” মন্তব্যটি 'বই পড়া' প্রবন্ধের আলোকে যথার্থ।
'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় এবং প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে লাইব্রেরির অবদানের কথা বলেছেন। তিনি লাইব্রেরিকে মনের হাসপাতাল হিসেবে অভিহিত করেছেন। কারণ লাইব্রেরিতে এসে মানুষ মনের পরিপূর্ণতা অর্জন করে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ওঠে। নিজের পছন্দ অনুসারে বই পড়ার ফলে যথার্থ বিকাশ সাধিত হয়। জ্ঞান-বিজ্ঞানের সঙ্গে খাপ-খাইয়ে চলার মানসিকতা অর্জিত হয়। ফলে প্রগতিশীল জীবনধারার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারে। কারণ স্বশিক্ষিত মানুষ সব সময় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষের তুলনায় অনেক বেশি বাস্তব বুদ্ধিসম্পন্ন এবং প্রগতিশীল মানসিকতার অধিকারী হয়।

'বই পড়া' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়ে স্বেচ্ছায় জ্ঞানচর্চাকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। কেননা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় বিদ্যাদানের চেয়ে বিদ্যা গেলানো হয় বেশি। যার দরুন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষে যে ব্যক্তি ডিগ্রি নিয়ে বের হয় তার মধ্যে আর প্রাণশক্তি থাকে না। সে সমৃদ্ধ হওয়ার পরিবর্তে আরও ফতুর হয়ে বেরিয়ে আসে। যার ফলে প্রগতিশীল এই জগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সে চলতে পারে না।
বর্তমানে এই প্রতিযোগিতার বিশ্বে টিকে থাকতে চাইলে শুধু উদরপূর্তির বিদ্যা লাভ করলে চলবে না। বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে না পারলে মুখ থুবড়ে পড়ে যেতে হবে। এই কথাটাই মূলত 'বই পড়া' প্রবন্ধের মূল সুর। উদ্দীপকেও দেখা যায়, সোহান সিলেবাসের বইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বই পড়েছে বলে সে শুভ্র চিন্তার অধিকারী হয়েছে, আবার কাঙ্ক্ষিত ইচ্ছাও পূর্ণ হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রগতিশীল জগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে উদ্দীপকের সোহানের শুভ্র চিন্তা সমর্থনযোগ্য।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘পেশাজীবী দম্পতির একমাত্র…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৫ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”