A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘Plasmodium vivax একটি…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ৭৭🏢 প্রতিষ্ঠান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

Plasmodium vivax একটি অন্তঃকোষীয় পরজীবী এবং এটি দুটি পোষকের মধ্যে জীবনচক্র সম্পন্ন করে। মানুষকে বলা হয় প্রধান পোষক যেখানে পরজীবীটি ‘M’ প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে। Anopheles মশকীকে বলা হয় গৌণ পোষক যেখানে পরজীবীটি ‘N’ প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী ভাইরাসই ব্যাকটেরিওফায।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভাইরাস অনেক সময় পোষক কোষে সংখ্যা বৃদ্ধি না করে সুপ্ত অবস্থায় থাকে অথবা পোষক DNA এর সাথে যুক্ত হয়ে অকার্যকর অবস্থায় বিরাজ করে ও পোষক কোষের সাথে প্রভাবিত হয় এবং পোষক কোষের ভাঙ্গন সৃষ্টি করে না। এ অবস্থাকে লাইসোজেনিক চক্র বলে। লাইসোজেনিক চক্র থেকে এ ভাইরাস পুনরায় লাইটিক চক্রে স্থির হতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে নির্দেশিত 'M' প্রক্রিয়াটি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর অযৌন জনন। মানবদেহে ম্যালেরিয়া পরজীবীর অযৌন জনন দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়। যথা- হেপাটিক সাইজোগনি ও এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি।

হেপাটিক সাইজোগনি: হেপাটিক সাইজোগনি প্রক্রিয়ায় মশকীর দংশনের মাধ্যমে আসা স্পোরোজোয়েটগুলো রক্তস্রোত হয়ে যকৃতে প্রবেশ করে। যকৃত কোষে এরা খাদ্য গ্রহণ করে ক্রিপ্টোজোয়েটে পরিণত হয় এবং নিউক্লিয়াস বিভাজনের মাধ্যমে সাইজন্ট ও পরবর্তীতে ক্রিপ্টোমেরোজোরেট দশা সৃষ্টি করে। এই প্রক্রিয়াটি প্রি-এরিথ্রোসাইটিক ও এক্সো-এরিথ্রোসাইটিক্স এই দুই পর্যায়ে বিভক্ত, যেখানে পরজীবীটি যকৃত কোষকে বিদীর্ণ করে নতুন নতুন কোষকে আক্রান্ত করার মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি: যকৃত থেকে মুক্ত হওয়া মেরোজোয়েটগুলো লোহিত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করলে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি শুরু হয়। এখানে পরজীবীটি পর্যায়ক্রমে স্ফীত ট্রফোজোয়েট, সিগনেট রিং এবং ক্ষণপদযুক্ত অ্যামিবয়েড ট্রফোজোয়েট দশা অতিক্রম করে। অ্যামিবয়েড ট্রফোজোয়েটের নিউক্লিয়াস বারবার বিভাজিত হয়ে ১২-২৪টি অপত্য নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট সাইজন্ট গঠন করে এবং পরিশেষে ১২-১৮টি মেরোজোয়েট উৎপন্ন হয়। লোহিত রক্তকণিকা বিদীর্ণ করে এই মেরোজোয়েটগুলো পুনরায় নতুন রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে চক্রটির পুনরাবৃত্তি ঘটায় এবং মানুষের দেহে রোগ ছড়ায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত N প্রক্রিয়াটি হলো ম্যালেরিয়া জীবাণুর যৌন জনন। এ জীবাণুটি অমেরুদণ্ডী পোষক অ্যানোফিলিস মশকীর দেহে যৌন জনন সম্পন্ন করে। নিচে এ যৌন জনন প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ করা হলো-
অ্যানোফেলিস মশকী ম্যালেরিয়া পরজীবীবাহী ব্যক্তির দেহ থেকে পরজীবীর বিভিন্ন ধাপসহ রক্ত শোষণ করে। ক্রপের পাচক রসের ক্রিয়ায় গ্যামিটোসাইট ছাড়া পরজীবীর অন্য ধাপগুলো হজম হয়ে যায়। এক্সফ্লাজেলেশন নামে এক বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রত্যেক মাইক্রোগ্যামিটোসাইট ৪-৮ টি মাইক্রোগ্যামিট বা পুংগ্যামিট সৃষ্টি করে। মাইক্রোগ্যামিট বা শুক্রাণুগুলো মাতৃকোষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার জন্য সাঁতার কাটতে থাকে। অন্যদিকে ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইটে তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটে না। এটি স্ফীত হয়ে ওঠে এবং পরিপক্বতা লাভের সময় নিউক্লিয়াসটি প্রান্তের দিকে সরে যায়। প্রত্যেক ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট থেকে একটি ম্যাক্রোগ্যামিট বা স্ত্রী গ্যামিট (ডিম্বাণু) সৃষ্টি হয়। নিষেকের উদ্দেশ্যে মাইক্রোগ্যামিটকে গ্রহণ করার জন্য ম্যাক্রোগ্যামিটের প্রান্ত সীমার একটি অংশ সামান্য ফুলে উঠে কোণ সৃষ্টি করে। পরিণত প্রতিটি ম্যাক্রোগ্যামিটের চতুর্দিকে অনেক মাইক্রোগ্যামিট এসে ভিড় জমালেও একটি মাত্র মাইক্রোগ্যামিটই নিষেকের সুযোগ পায়। মাইক্রোগ্যামিট প্রথমে ম্যাক্রোগ্যামিটের কোণ এর সংলগ্ন হয় এবং পরে ভেতরে প্রবেশ করে। উভয়ের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম একীভূত হলে নিষেক সম্পন্ন হয় এবং কোণটিও অদৃশ্য হয়ে যায়। নিষেকের ফলে ম্যাক্রোগ্যামিট জাইগোট এ পরিণত হয়।
এভাবেই জননকোষ সৃষ্টি ও নিষেক প্রক্রিয়ায় জাইগোট সৃষ্টির মাধ্যমে পরজীবী জীবাণুটি মশকীর রূপের ভেতরে যৌন জনন সম্পন্ন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘Plasmodium vivax একটি…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”