A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘পৌরনীতি হলো সামাজিক…’ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ ২০২৬ – পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ১০৭🏢 প্রতিষ্ঠান শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

পৌরনীতি হলো সামাজিক বিজ্ঞানের একটি অংশ। সমাজবদ্ধ মানুষের আচার-আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি, আশা-আকাঙ্ক্ষা, কার্যাবলি ইত্যাদি নিয়ে পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনা। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নাগরিকদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠা একান্ত প্রয়োজন। সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হলে নাগরিকদের পৌরনীতি ও সুশাসনের জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ল্যাটিন শব্দ Civitas (সিভিটাস) শব্দের অর্থ হলো নগররাষ্ট্র (City-State)।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আইনের শাসন বলতে আইনের চোখে সবাই সমান এবং সবকিছুর উপরে আইনের প্রাধান্যের স্বীকৃতিকে বোঝায়। আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি এবং ছোট-বড় নির্বিশেষে সবাই আইনের কাছে সমান। আইনের শাসনের ফলে নাগরিক ও শাসকের জন্য আইন সমভাবে কার্যকর হয়। ফলে স্বাধীনতা ও সাম্য সুরক্ষিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত পৌরনীতি ও সুশাসনের জ্ঞান নাগরিককে সুনাগরিকের গুণাবলি অর্জনে এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে সরাসরি  সহায়তা করে।
পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের মাধ্যমে নাগরিকগণ তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার এবং রাষ্ট্রপ্রদত্ত কর্তব্য সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে পারে। এই শাস্ত্র নাগরিককে সচেতন ও বিচক্ষণ করে তোলে, যা তাকে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে। এটি মনের সংকীর্ণতা দূর করে এবং ভ্রাতৃত্ব ও মানবতাবোধ সৃষ্টিতে অদ্বিতীয় ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকের এই জ্ঞান সুনাগরিকতার তিনটি প্রধান গুণ- বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম অর্জনে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। এটি নাগরিকদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে এবং শাসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহি করতে শেখায়। মূলত এই তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞানের মাধ্যমেই একজন সাধারণ মানুষ আদর্শ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে রূপান্তরিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সুশাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হলো সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক সমাজ, যা কেবল উদ্দীপকে বর্ণিত পৌরনীতি ও সুশাসনের জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই সম্ভব।
পৌরনীতি হলো তাত্ত্বিক জ্ঞান এবং সুশাসন হলো সেই জ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ। নাগরিকরা যখন এই শাস্ত্রর মাধ্যমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন সম্পর্কে জানতে পারে, তখনই তারা প্রশাসনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পারে। এটি নাগরিকদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সহনশীলতা জাগ্রত করে, যা কার্যকর শাসনব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য। সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাগরিকের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি, আর পৌরনীতির জ্ঞান, নাগরিকদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাজে অংশগ্রহণে আগ্রহী করে তোলে। এই জ্ঞান থাকলে নাগরিকরা তথ্যপ্রবাহের অধিকার এবং সরকারের সংবেদনশীলতা, সম্পর্কে সচেতন থাকে, যা প্রশাসনকে জনমুখী করতে বাধ্য করে। এছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নির্দেশিত সুশাসনের মানদণ্ডসমূহ অনুধাবনেও এই শিক্ষা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
পরিশেষে বলা যায়, পৌরনীতি ও সুশাসনের জ্ঞান ছাড়া সুশাসনের লক্ষ্যসমূহ যেমন- সাম্য, ন্যায়বিচার ও টেকসই উন্নয়ন অর্জন করা অসম্ভব। এই শিক্ষা নাগরিককে সরকারের ভুলত্রুটি চিহ্নিত করার সক্ষমতা দান করে এবং একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে উদ্বুদ্ধ করে। সুতরাং, সুশাসনকে একটি মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে নাগরিকদের এই জ্ঞান অর্জন করা একান্ত আবশ্যক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘পৌরনীতি হলো সামাজিক…’ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ ২০২৬ – পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”