| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘প্রাণিবিজ্ঞানের ক্লাসে জনাব-X…’ ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

প্রাণিবিজ্ঞানের ক্লাসে জনাব-X বললেন “দুটি ফুসফুসের মাঝে একটি ত্রিকোণাকৃতির পেশিময় পাম্পযন্ত্র অবস্থিত। এটি জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রক্ত পরিবহন করে। এটিতে দ্বিচক্রী সংবহন দেখা যায়।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকলে তাকে লিউকোপেনিয়া বলে।
Sino-Atrial Node বা SAN কে পেসমেকার বলে। দেহের পেসমেকার বা SAN কাজ না করলে হৃৎপিণ্ডের সাথে কৃত্রিম পেসমেকার স্থাপন করে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হার্টবিট স্বাভাবিক করা যায়। পেসমেকার মন্থর হৃদস্পন্দনকে গতিশীল করে এবং দ্রুতশীল হৃদস্পন্দনকে স্বাভাবিক করে। এটি হৃৎপিন্ডের উপরের ও নিচের প্রকোষ্ঠের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেতের সমন্বয় ঘটায়। এটি অলিন্দদ্বয়ের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেতের সমন্বয় ঘটায়। এটি বিপদজনক হার্টবিট নিয়ন্ত্রণ করে। এসব কারণে পেসমেকার ব্যবহার করা হয়।
Sino-Atrial Node বা SAN কে পেসমেকার বলে। দেহের পেসমেকার বা SAN কাজ না করলে হৃৎপিণ্ডের সাথে কৃত্রিম পেসমেকার স্থাপন করে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হার্টবিট স্বাভাবিক করা যায়। পেসমেকার মন্থর হৃদস্পন্দনকে গতিশীল করে এবং দ্রুতশীল হৃদস্পন্দনকে স্বাভাবিক করে। এটি হৃৎপিন্ডের উপরের ও নিচের প্রকোষ্ঠের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেতের সমন্বয় ঘটায়। এটি অলিন্দদ্বয়ের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেতের সমন্বয় ঘটায়। এটি বিপদজনক হার্টবিট নিয়ন্ত্রণ করে। এসব কারণে পেসমেকার ব্যবহার করা হয়।
উদ্দীপকের শেষ লাইন অনুসারে বলা হয়েছে যে হৃৎপিণ্ডে দ্বিচক্রী সংবহন দেখা যায়। নিচে এর তাৎপর্য বিশ্লেষণ করা হলো-
দ্বিচক্রী সংবহনকে দুইভাবে বিশ্লেষিত করা হয়। যথা- পালমোনারি সংবহন এবং সিস্টেমিক সংবহন।
১. পালমোনারি সংবহন: যে রক্ত সংবহনতন্ত্রে সমগ্র দেহে একবার পরিপূর্ণ চক্র সম্পন্ন করার পূর্বে হৃৎপিণ্ড দিয়ে দুবার প্রবাহিত হয় তাকে দ্বিচক্রী রক্তসংবহন বলে। উদ্দীপকের চার প্রকোষ্ঠী হৃৎপিণ্ডে ঊর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরার সমৃদ্ধ রক্ত ডান অলিন্দে প্রবেশ করে। একই সময়ে দুটি পালমোনারি শিরার মাধ্যমে সমৃদ্ধ রক্ত ফুসফুস হতে বাম অলিন্দে প্রবেশ করে। অলিন্দদ্বয়ের যুগপৎ সংকোচনের ফলে এর অভ্যন্তরে রক্তচাপ বেড়ে যায়, ফলে উহাদের মধ্যকার কপাটিকাসমূহ খুলে গিয়ে রক্ত ডান অলিন্দ থেকে ডান নিলয় ও বাম অলিন্দ থেকে বাম নিলয়ে প্রবেশ করে। নিলয়দ্বয় রক্ত দ্বারা পূর্ণ হলে এর সংকোচন ক্রিয়া শুরু হয়। এসময় এদের কপাটিকাদ্বয় বন্ধ থাকার ফলে ডান নিলয় থেকে সমদ্ধ রক্ত পালমোনারি ধমনিতে ও বাম নিলয় থেক সমৃদ্ধ রক্ত মহাধমনিতে প্রবেশ করে। পালমোনারি ধমনির সমৃদ্ধ রক্ত ফুসফুসে গিয়ে পরিশোধিত হয়ে সমৃদ্ধ হয় ও পালমোনারি শিরার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডে বাম অলিন্দে ফিরে আসে।
২. সিস্টেমিক সংবহন: মহাধমনি থেকে সমৃদ্ধ রক্ত বিভিন্ন শাখা প্রশাখার মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন কলা ও তন্ত্রের কৈশিক নালিতে প্রবেশ করে বিমুক্ত করে ও সমৃদ্ধ হয়। পরিশেষে বিভিন্ন শিরার মাধ্যমে তা হৃৎপিণ্ডের ডান অলিন্দে ফিরে আসে।
উপরিউক্ত আলোচনায় এটি সুস্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, এক্ষেত্রে পুরো সংবহন হৃৎপিণ্ডে দু'বার প্রবাহিত হয় অর্থাৎ এতে দ্বিচক্রী সংবহন প্রদর্শিত হয়েছে।