A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘প্রাণিজগতের কিছু প্রাণী…’ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ ২০২৫ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস🔢 সৃজনশীল নং ৭৬🏢 প্রতিষ্ঠান বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

প্রাণিজগতের কিছু প্রাণী রয়েছে যাদের শিখা কোষ, নেফ্রিডিয়া ও মালপিজিয়ান নালিকা রয়েছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত স্ত্রী ও পুরুষ সদস্যদের মধ্যে পার্থক্যসূচক শারীরিক এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতিই হলো ঐ প্রজাতির যৌন দ্বিরূপতা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রতিসাম্য প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাসকরণের অন্যতম একটি ভিত্তি। প্রতিসাম্য বলতে প্রাণিদেহকে কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সদৃশ্য সমান অংশে বিভাজন করার নিয়মকে বুঝায়। প্রাণিদেহে বিভিন্ন ধরনের প্রতিসাম্য লক্ষ করা যায়। যেমন- ১. গোলীয় প্রতিসাম্য, ২. অরীয় প্রতিসাম্য, ৩. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য, ৪. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য এবং ৫. অপ্রতিসাম্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথমোক্ত অঙ্গ দুটি হলো শিখা কোষ এবং নেফ্রিডিয়া। এদের মধ্যে শিখা কোষ প্লাটিহেলমিনথিস এবং নেফ্রিডিয়া অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য। নিচে প্লাটিহেলমিনথিস ও অ্যানিলিডা পর্বের মধ্যে তুলনা করা হলো-
প্লাটিহেলমিনথিস পর্বের প্রাণীরা দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, কলাঅঙ্গ মাত্রার প্রথম ত্রিস্তরী ও পৃষ্ঠ অঙ্কীয় চ্যাপ্টা দেহবিশিষ্ট প্রাণী। এদের দেহ নরম সিলিয়াযুক্ত অথবা কিউটিকলযুক্ত এপিডার্মিস দ্বারা আবৃত। এদের বাহ্যিক চোষক থাকে। এদের পৌন্টিকতন্ত্র পায়ুছিদ্র বিহীন এবং শাখান্বিত। এদের দেহ সিলোমবিহীন, রক্তসংবহন ও শ্বসনতন্ত্র অনুপস্থিত, রেচনতন্ত্র শিখাকোষ সমৃদ্ধ এবং সাধারণ অনুদৈর্ঘ্য স্নায়ুরজ্জু নিয়ে স্নায়ুতন্ত্র গঠিত। এদের প্রজনন যৌন প্রকৃতির এবং এরা অধিকাংশই পরজীবী।

অপরদিকে, অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণীর দেহ লম্বা, নলাকার ও পাতলা কিউটিকল দ্বারা আবৃত। এরা প্রকৃত সিলোমযুক্ত। এদের প্রকৃত খণ্ডকায়ন উপস্থিত ও এদের চলন অঙ্গ পেশল প্যারাপোডিয়া। এদের রেচন অঙ্গ নেফ্রিডিয়া। এদের রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির, রক্তের বর্ণ লাল এবং পৌষ্টিকনালি মুখ ও পায়ুছিদ্র সমন্বিত।
অতএব উল্লেখিত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, প্লাটিহেলমিনথিস ও অ্যানিলিডা পর্বের মধ্যে অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণীরা অধিক উন্নত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত শেষোক্ত অঙ্গটি হলো মালপিজিয়ান নালিকা যা ঘাসফড়িং-এর রেচন অঙ্গ। নিচে মালপিজিয়ান নালিকার গঠন ও কার্যপদ্ধতি বিশ্লেষণ করা হলো-
গঠন:
১. মালপিজিয়ান নালিকা সূক্ষ্ম সুতার মতো প্রায় ২৫ মি. মি. লম্বা ও প্রায় ১ মি. মি. ব্যাসযুক্ত হলুদ বর্ণের ফাঁপা, নলাকার ও শাখাবিহীন এবং প্রতি ঘাসফড়িং-এ সংখ্যায় প্রায় ১০০টি।
২. এগুলো ঘাসফড়িং-এর পৌষ্টিকনালির মেসেন্টেরন ও প্রোক্টোডিয়ামের সংযোগস্থলে অবস্থান করে।
৩. এগুলোর মুক্তপ্রান্ত বদ্ধ এবং হিমোসিল গহ্বরে হিমোলিম্ফের মধ্যে নিমজ্জিত থাকে। অন্যপ্রান্ত পৌষ্টিক নালির গহ্বরে উন্মুক্ত।
৪. অভ্যন্তরস্থ ফাঁপা গহ্বর; লুমেন-এর অন্তর্গাত্র একস্তরবিশিষ্ট গ্রন্থিময় এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা আবৃত।

৫. নালিকার বাইরের দিকে যোজক কলা ও অনুদৈর্ঘ্য পেশিতন্তু নির্মিত বেসমেন্ট পর্দায় আবৃত থাকে এবং ভেতরের দিকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ব্রাশ বর্ডার সৃষ্টি করে।
কার্যপদ্ধতি: মালপিজিয়ান নালিকা হলো ঘাসফড়িং-এর রেচন অঙ্গ। নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্যপদার্থ মূলত এমোনিয়া, ইউরেট এবং ইউরিক অ্যাসিড হিসেবে মালপিজিয়ান নালিকাসমূহের গ্রন্থিকোষের মাধ্যমে হিমোলিম্ফ থেকে শোষিত হয়। হিমোলিম্ফের কার্বন ডাইঅক্সাইডও মালপিজিয়ান নালিকা কর্তৃক শোষিত হয়। পরে এসব রেচন পদার্থ মালপিজিয়ান নালিকাসমূহের গহ্বর থেকে পৌষ্টিকনালির গহ্বরে প্রবেশ করে ও এর পরে পায়ুপথে নিষ্কাশিত হয়ে যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘প্রাণিজগতের কিছু প্রাণী…’ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ ২০২৫ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”