| ㅤ | A. Nayan16 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার…’ সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ ২০২৬ – বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি)

প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের দেওয়া এক সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে বললেন যে, নির্বাচন হলো গণতন্ত্রের প্রাণস্বরূপ। নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটাধিকারপ্রাপ্ত নাগরিকগণ যোগ্য, দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রতিনিধি বাছাইয়ের সুযোগ পায়। দেশের সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনই কেবল দক্ষ, উন্নত ও উৎকৃষ্টমানের শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৮
নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ ৫ বছর।
নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজ হলো জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচন পরিচালনা করা।
নির্বাচন কমিশনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো- ১. ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও হালনাগাদ করা এবং ২. নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা। এছাড়া কমিশন প্রতীক বরাদ্দ ও নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করে থাকে।
উদ্দীপকে বর্ণিত ভোটাধিকারপ্রাপ্ত নাগরিকদের ভোটাধিকারপ্রাপ্তির শর্তসমূহ ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে বর্ণিত নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্ক হওয়া উচিত পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে।
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন, আচরণবিধি প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নে কমিশনকে কঠোর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হয়। অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলগুলো হলো জনমত গঠনের প্রধান মাধ্যম যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সরকার গঠন করে।
উদ্দীপকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন যে, সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনই উৎকৃষ্টমানের শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে। এর অর্থ হলো, কমিশনকে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে সকল দল সমান সুযোগ পায়। রাজনৈতিক দলগুলোকে কমিশনের প্রণীত নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। কমিশন যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে, তবেই রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জন করা সম্ভব হবে, যা একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পূর্বশর্ত।
আমি মনে করি, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকলে দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। কমিশন যদি তার সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগে দৃঢ় থাকে এবং রাজনৈতিক দলগুলো যদি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে কমিশনকে সহায়তা করে, তবেই উদ্দীপকে বর্ণিত দক্ষ ও উন্নত শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর গঠনমূলক সহযোগিতা ও কমিশনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা মূলত গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার মূল চাবিকাঠি।