| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘প্রীতিলতা-সূর্যসেন নেই তাঁরা…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২২ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

প্রীতিলতা-সূর্যসেন নেই তাঁরা আর
এমনই সহস্র এসে গেছে বারবার
শাজাহান আর তাঁর মহারাজ্যপাট
অশোকের সাম্রাজ্যের যত ঠাটবাট
কিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসে
নিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতে
সময় পারে নি তবু নাম মুছে দিতে
মানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছে।
নাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্ম
কর্ম হল বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৭
'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে স্মরণীয় থাকার দিকটি প্রকাশিত হয়েছে
‘সোনার তরী' কবিতায় কবি মানবজীবনের নির্মম বাস্তবতার কথা বলেছেন । এই জগতে ব্যক্তি মানুষের কোনো মূল্য নেই । মানুষের ব্যক্তি সত্তাকে মহাকাল মনে রাখে না। মানুষের মৃত্যুর সাথে সাথে তার সকল স্মৃতি বিলুপ্ত হয়ে যায়। মহাকাল মানুষের কর্মকে ধারণ করে। কৃষক হলেন শিল্পস্রষ্টা। তাই কৃষক মহাকালের প্রতীক নৌকায় স্থান পাননি। নৌকা ব্যক্তিমানুষকে স্থান না দিয়ে তার সৃষ্টি তথা শিল্প কর্মকে স্থান দিয়েছে। সোনার তরী কৃষকের সৃষ্ট ফসল তুলে নিয়ে নিরুদ্দেশের পানে ধাবিত হয়। তাই ব্যক্তি মানুষের চেয়ে মানুষের কর্মের মূল্য অপরিসীম । কর্মই মানুষকে জীবিত রাখে ।
উদ্দীপকেও ব্যক্তির চেয়ে কর্মের গুণ অনেক বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মানুষ এই জগতে কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকে। কর্মের মাধ্যমেই সমকালকে | অতিক্রম করে অনন্তকাল স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে থাকে। তাই প্রীতিলতা, সূর্য সম্রাট শাজাহান ও সম্রাট অশোক জীবিত হয়ে আছেন তাঁদের কর্মের মাধ্যমে। ব্যক্তি নাম এই সকল ঐতিহাসিক চরিত্রকে মহৎ করেনি। তাঁদের কর্মই এই জগতে তাঁদেরকে মহৎ করেছে, স্মরণীয় ও বরণীয় করেছে। তাই বলা যায়, ‘সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে উদ্দীপকের ঐতিহাসিক সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে স্মরণীয় থাকার দিকটি প্রকাশিত হয়েছে।
'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে স্মরণীয় থাকার দিকটি প্রকাশিত হয়েছে
‘সোনার তরী' কবিতায় কবি মানবজীবনের নির্মম বাস্তবতার কথা বলেছেন । এই জগতে ব্যক্তি মানুষের কোনো মূল্য নেই । মানুষের ব্যক্তি সত্তাকে মহাকাল মনে রাখে না। মানুষের মৃত্যুর সাথে সাথে তার সকল স্মৃতি বিলুপ্ত হয়ে যায়। মহাকাল মানুষের কর্মকে ধারণ করে। কৃষক হলেন শিল্পস্রষ্টা। তাই কৃষক মহাকালের প্রতীক নৌকায় স্থান পাননি। নৌকা ব্যক্তিমানুষকে স্থান না দিয়ে তার সৃষ্টি তথা শিল্প কর্মকে স্থান দিয়েছে। সোনার তরী কৃষকের সৃষ্ট ফসল তুলে নিয়ে নিরুদ্দেশের পানে ধাবিত হয়। তাই ব্যক্তি মানুষের চেয়ে মানুষের কর্মের মূল্য অপরিসীম । কর্মই মানুষকে জীবিত রাখে ।
উদ্দীপকেও ব্যক্তির চেয়ে কর্মের গুণ অনেক বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মানুষ এই জগতে কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকে। কর্মের মাধ্যমেই সমকালকে | অতিক্রম করে অনন্তকাল স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে থাকে। তাই প্রীতিলতা, সূর্য সম্রাট শাজাহান ও সম্রাট অশোক জীবিত হয়ে আছেন তাঁদের কর্মের মাধ্যমে। ব্যক্তি নাম এই সকল ঐতিহাসিক চরিত্রকে মহৎ করেনি। তাঁদের কর্মই এই জগতে তাঁদেরকে মহৎ করেছে, স্মরণীয় ও বরণীয় করেছে। তাই বলা যায়, ‘সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে উদ্দীপকের ঐতিহাসিক সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে স্মরণীয় থাকার দিকটি প্রকাশিত হয়েছে।