A. Nayanㅤ
A. Nayan
19 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘প্রফেসর আমিনুল ইসলাম…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৮ – ফিকহশাস্ত্র, ইসলাম শিক্ষা, ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ইসলাম শিক্ষা📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ ইসলাম শিক্ষা🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — ফিকহশাস্ত্র🔢 সৃজনশীল নং ৩🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৮⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

প্রফেসর আমিনুল ইসলাম তাঁর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন- ইসলামের বিস্তৃতিতে নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হলে এর সমাধানকল্পে ইসলামি পণ্ডিতগণ কঠোর সাধনা করে বিভিন্ন মাসয়ালা উদ্ভাবন করেন। কিন্তু নানা বিষয়ে তারা একমত হতে না পারায় কয়েকটি ধারার সৃষ্টি হয়। এদের একদল ছিলেন সিদ্ধান্ত গ্রহণে রক্ষণশীল। তারা কুরআন হাদিসের পাশপাশি মদিনাবাসী সাহাবাদের আমলকে গুরুত্ব দিতেন। 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

১৫০ হিজরিতে ইমাম শাফেয়ি (র) জন্মগ্রহণ করেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ইসলামি আইন বিন্যস্ত ও বিধিবদ্ধ করার মূল কৃতিত্ব ইমাম আবু হানিফা (র) এর।

শরিয়া আইন রচনায় নিয়োজিত ফকিহগণ কুরআন ও সুন্নাহ থেকে জ্ঞান আহরণ করতেন, সাথে সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তা সমাজে প্রচলিত করে তুলতেন। ইরাকের ফকিহগণ স্বীয় রায় ও যুক্তিকে প্রাধান্য দিতেন আবার মদিনার ফকিহরা তাদের আমলকে প্রাধান্য দিতেন। এভাবে দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যের কারণে বিভিন্ন মতবিরোধ দেখা দেয়। তখন ইমাম আবু হানিফা (র) বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো ছিটানো বিধানগুলোকে এক স্থানে সন্নিবেশিত করে উসুলে ফিকহ প্রণয়ন করেন। ফিকহশাস্ত্রের পথিকৃৎ হিসেবে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জাউদ্দীপকে মালিকি মাযহারের কথা বলা হয়েছে।

ইমাম মালিক বিন আনাস (র) যে মাযহাব প্রতিষ্ঠা করেন তাকে মালিকি মাযহাব বলে। এ মাযহাবে হাদিস বিচারে যুক্তিগ্রাহ্যতার দিকটিকে লক্ষ রাখলেও কদাচিৎ কিয়াসের অনুসন্ধান করা হয়েছে। এ কারণে এ মাযহাবকে অধিকতর রক্ষণশীল বলে মনে করা হয়। ইমাম মালিক এবং তার শিষ্যবৃন্দ মদিনাকে কেন্দ্র করে ইসলামি আইন অনুশীলন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কাজে লিপ্ত ছিলেন বলে তাদের প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত মাযহাবকে হিজাযি মত বলা হয়। মালিকি মাযহাবের মূলভিত্তি হলো মদিনাবাসীর আমল। কেননা মদিনা হচ্ছে ইসলামের লালনক্ষেত্র। প্রফেসর আমিনুল ইসলামের বক্তব্যে যার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

উদ্দীপকের প্রফেসর আমিনুল ইসলাম বলেন- ইসলামের বিস্তৃতিতে নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হয়। ইসলামের ফকিহগণ কঠোর সাধনা করে এসব সমস্যার সমাধান দেন। কিন্তু নানা বিষয়ে একমত হতে না পারায় কয়েকটি পথ সৃষ্টি হয়। এদেরকে মাযহাব বলে। এর মধ্যে একটি হলো মালিকি মাযহাব যা রক্ষণশীল মাযহাব হিসেবে বিবেচিত। এ মাযহাবে মদিনাবাসীর মতামতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত মুসলিম পণ্ডিতদের সাধনা ইসলামি শরিয়ার বিভিন্ন হুকুম আহকাম প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

মহানবি (স) এর জীবদ্দশায় যেকোনো সমস্যা ওহি নাজিলের মাধ্যমে আল্লাহ পাক সমাধান করে দিতেন। কিন্তু নবি (স) এর ইন্তেকালের পর কুরআন নাজিলের ধারার পরিসমাপ্তি ঘটে। তখন উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের জন্য ফিকহশাস্ত্র উদ্ভাবনের প্রয়োজন পড়ে। আবার কুরআন- সুন্নাহর বিধান পালন করা সবার জন্য অপরিহার্য। কিন্তু সাধারণ মানুষের পক্ষে কুরআন-সুন্নাহ থেকে বিধান বের করে আমল করা অসম্ভব। তাই মুসলিম পণ্ডিতদের মাধ্যমে ফিকহশাস্ত্রের উৎপত্তি হয়। এতে মতামতের ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন মাযহাব সৃষ্টি হয়। এ কথাই উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে।

উদ্দীপকে উল্লেখিত মুসলিম পণ্ডিত বলতে মুজতাহিদদের বোঝানো হয়েছে যারা উদ্ভাবিত নতুন নতুন সমস্যার শরয়ি সমাধান দিতেন। কিন্তু নানা বিষয়ে মুজতাহিদদের মধ্যে মতৈক্য না হওয়ায় সৃষ্টি হয় মাযহাব। আর এভাবে পৃথিবীতে প্রধানত চারটি মাযহাবের প্রসার ঘটে। যার' মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য শরিয়ত তথা কুরআন-সুন্নাহর বিধান পালন করা সহজ হয়েছে।

সুতরাং উপরের আলোচনার আলোকে বোঝা যায়, ইসলামি আইন কানুন সহজে বোধগম্য ও পালন করার পেছনে মুসলিম পণ্ডিতগণের ভূমিকা রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘প্রফেসর আমিনুল ইসলাম…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৮ – ফিকহশাস্ত্র, ইসলাম শিক্ষা, ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র (এইচএসসি)”