A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘প্রফেসর রাইসুল ইসলাম…’ সিলেট বোর্ড ২০১৯ – দেশপ্রেম ও জাতীয়তা, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ১০ম অধ্যায় — দেশপ্রেম ও জাতীয়তা🔢 সৃজনশীল নং ৮🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

প্রফেসর রাইসুল ইসলাম শ্রেণিকক্ষে সরকারের অঙ্গসমূহ নিয়ে আলোচনা করছিলেন। একটি বিভাগকে তিনি আইন তৈরির কারখানা বলে অভিহিত করলেন। এমন কি বিভাগটি দেশে প্রচলিত আইন পরিবর্তন-পরিবর্ধন বা সংশোধনের ব্যবস্থাও করে থাকে। তবে দেশের আইন অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং জননিরাপত্তা বিধান করা আরেকটি বিভাগের প্রধান কাজ বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সংখ্যাগরিষ্ঠের যুক্তিসিদ্ধ ও সুচিন্তিত মতামতই জনমত, যা সরকার ও জনগণকে প্রভাবিত করতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দেশের প্রতি মমত্ববোধ, অকৃত্রিম ভালোবাসা, আবেগ ও অনুভূতিকেই দেশপ্রেম বলা হয়। 

দেশের মানুষ, ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং মাটি, সম্পদ, পরিবেশ ও প্রতিবেশ তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা এসব কিছুই দেশপ্রেমের অংশ। দেশ ঠিক মায়ের মতোই। জন্মভূমির থেকে বড় কিছু নাই। নিজের দেশের জন্য একজন নাগরিক তাই প্রাণ দিতেও কুণ্ঠাবোধ করে না। নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসার এই আবেগ ও অনুভূতিকেই বলে দেশাত্মবোধ, স্বদেশপ্রেম বা দেশপ্রেম। দেশের মাটি ও মানুষকে আপন করে ভাবার অনুভূতিই হলো দেশপ্রেম। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের প্রথমে উল্লেখিত সরকারের অঙ্গটির গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের দুটি বিভাগ হলো আইন ও শাসন বিভাগ। উক্ত বিভাগ দুটির সম্পর্ক নিবিড়।

আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ নিয়ে সরকার গঠিত হয়। এ তিনটি বিভাগ পৃথক কাজের উদ্দেশ্যে গঠিত হলেও নিজেদের মূল কাজ ছাড়াও অন্য বিভাগের কাজও করে থাকে। এ সকল কাজ করার মধ্য দিয়ে বিভাগসমূহের মধ্য পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

আইন বিভাগ রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনার জন্য আইন প্ৰণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে থাকে। এটি আইন বিভাগের প্রধান কাজ। আবার আইন বিভাগ কিছু শাসন বিভাগীয় কাজও করে। আইন বিভাগের আস্থার উপর মন্ত্রিপরিষদ তথা শাসন বিভাগের ক্ষমতা নির্ভরশীল। এ কাজের মধ্য দিয়ে আইন ও শাসন বিভাগের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অন্যদিকে, শাসন বিভাগ আইন অনুযায়ী শাসনকার্য পরিচালনা করে। শাসন বিভাগ শাসন কাজ পরিচালনা করার জন্য রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে, শাসন বিভাগের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্র প্রধান আইনসভা আহ্বান, স্থগিত, বাণী প্রেরণ ও বিলে সম্মতি প্রদান করেন। শাসন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে আইনসভার সদস্যরাই দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। তাই মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের আইন ও শাসন বিভাগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শাসনবিভাগ বর্তমানকালে ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে উঠেছে। তাই শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণের জন্য আইন বিভাগের নিকট তাদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এভাবেই আইন ও শাসন বিভাগের মধ্য সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, আইন ও শাসন বিভাগের মধ্যকার সম্পর্ক শাসন ক্ষেত্রে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘প্রফেসর রাইসুল ইসলাম…’ সিলেট বোর্ড ২০১৯ – দেশপ্রেম ও জাতীয়তা, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”