A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে জীবেরা…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন🔢 সৃজনশীল নং ৪৩🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে জীবেরা পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য ক্রমাগত ও অত্যন্ত ধীর গতিসম্পন্ন দৈহিক পরিবর্তন আনয়নের মাধ্যমে নতুন জীবের সৃষ্টি করেছে। এর সপক্ষে বিজ্ঞানীরা অনেক প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন। ডারউইনের মতে, “পরিবৃত্তিই নতুন প্রজাতি সৃষ্টির প্রয়োজনীয় কাঁচামাল”।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যেসব জিন বা অ্যালিলের হমোজেনিক অবস্থার কারণে জীবের মৃত্যু ঘটে তাই লিথাল জিন বা মারণ জিন। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পলিজিনের নিয়ন্ত্রিত পরিমাণগত বৈশিষ্ট্যের বংশগতিকে পলিজেনিক ইনহেরিটেন্স বলা হয়।

বিজ্ঞানী মেন্ডেলের মত অনুযায়ী জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য একজোড়া ফ্যাক্টর বা জিন দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। কিন্তু কোন কোন জীবের ক্ষেত্রে দেখা যায় বিভিন্ন লোকাসে অবস্থানকারী একাধিক জিন জীবের একটিমাত্র বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। এরকম ভিন্ন ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত নন-অ্যালিলিক জিনের একটি গ্রুপ একত্রিতভাবে কোন জীবের একটি পরিমাণগত বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করলে সে গ্রুপকে পলিজিন বলে। এ জিনে নিয়ন্ত্রিত পরিমাণগত বৈশিষ্ট্যের বংশগতিকেই পলিজেনিক ইনহেরিটেন্স বলা হয়।  

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের উল্লিখিত পরিবর্তন "ভ্রুণতাত্ত্বিক প্রমাণ" কে ই নির্দেশ করে।

 ভ্রুণতত্ত্ব জৈব বিবর্তনের অন্যতম প্রত্যক্ষ প্রমাণ। বিজ্ঞানী কার্ল ভন বেয়ার ভ্রূণের সাদৃশ্য লক্ষ্য করে বলেছেন -“ভ্রুণ অবস্থায় একটি জীব তার আদি ইতিহাসকে সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করে থাকে”।পৃথিবীর সকল মেরুদন্ডী প্রাণী একটিমাত্র পূর্বপুরুষ থেকে সৃষ্টি হয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন ভাবে বিকশিত এবং অভিযোজিত হয়েছে।

উদ্দীপক অনুযায়ী পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে জীবেরা পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য ক্রমাগত এবং অত্যন্ত ধীর গতিসম্পন্ন দৈহিক পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং এর মাধ্যমে নতুন জীবের সৃষ্টি করে। অর্থাৎ একটি প্রাণীতে বা জিবে কোন পরিবর্তন হঠাৎ করে আসে না।তাদের দৈহিক পরিবর্তন ধীরে ধীরে সম্পন্ন হয়। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে তারা অভিযোজন করে নতুন পরিবেশের সাথে, নতুন প্রকৃতিতে টিকে থাকার ক্ষমতা অর্জন করে। আবার ভ্রুণতত্ত্ব অনুযায়ী মাছ, উভচর সরীসৃপ, পাখি ইত্যাদি স্তন্যপায়ীর ভুলগুলোকে প্রথম অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক করা কষ্টসাধ্য। পরিস্ফুটন এর পরবর্তী সময়ে প্রত্যেকের শ্রেণী অনুযায়ী বিশেষ বৈশিষ্ট্য গুলো প্রকাশিত হয়। পরিস্ফুটন কালে তারা তাদের পূর্বপুরুষের ক্রমবিকাশের ঘটনাবলী পুনরাবৃত্ত করে। উভয় ঘটনারই মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে টিকে থাকার লড়াই এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ। তাই উদ্দীপকের উল্লিখিত পরিবর্তন এবং ভ্রুণতাত্ত্বিক প্রমাণের মুল বিষয়বস্তু একই।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ডারউইনের মতে “পরিবৃত্তিই নতুন প্রজাতি সৃষ্টির প্রয়োজনীয় কাঁচামাল”। উক্তিটি অর্থবহ।

বিজ্ঞানী চার্লস রবার্ট ডারউইন প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদের প্রবক্তা। এ মতবাদ অনুযায়ী প্রকৃতিই নির্বাচন করে কারা বা কে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে সমর্থ বা অসমর্থ। তার এই মতবাদকে ডারউইনবাদ বা ডারউইনিজমও বলা হয়।

প্রকরণ বা পরিবৃত্তি জীবজগতে এক অন্যতম বৈশিষ্ট্য। কোন দুটি জিবই হুবহু একই রকম নয়। এমনকি একই প্রজাতির দুটি জীবের মধ্যেও কোনো-না-কোনো পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। এই পার্থক্যই হল প্রকরণ বা পরিবৃত্তি। পরিবৃত্তি দু'ধরনের-১) ধারাবাহিক পরিবৃত্তি এবং ২) অধারাবাহিক পরিবৃত্তি।পরিবৃত্তি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। ধারাবাহিক পরিবৃত্তিতে এক বা একাধিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন হয় এবং অধারাবাহিক পরিবৃত্তি আকস্মিক ভাবে হয় যা ক্ষতিকর।

বিজ্ঞানী ডারউইনের মতে, প্রতিটি জিবই প্রতিনিয়ত জীবন সংগ্রামে লিপ্ত। এর ফলে যে দৈহিক বা শারীরিক পরিবর্তন সাধিত হয় তা পরবর্তীকালে সন্তান-সন্ততিতে সঞ্চারিত হয় এবং নতুন বৈশিষ্ট্য রুপে দেখা দেয। অনুকূল বা সুবিধাজনক প্রকরণ জীবের বেঁচে থাকার জন্য সহায়ক । পরিবৃত্তি না ঘটলে প্রকৃতিতে বৈচিত্র দেখা যেত না। সকল জীবেরা একই রকম হতো। ফলে তাদের মধ্যে অভিযোজন সংঘটিত হতো না। অভিযোজন হল পরিবেশে জীবের টিকে থাকার ক্ষমতা। আর এই ক্ষমতাই যদি জি অর্জন না করে তবে সে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারবে না । আবার নতুন প্রজাতিরও সৃষ্টি হবে না। বিভিন্ন পরিবেশে বিভিন্ন পরিবর্তন প্রয়োজন। এ পরিবর্তনের মাধ্যমে জিব নিজেকে পরিবর্তন করে। ফলে সৃষ্টি হয় নতুন প্রজাতির । তাই ডারউইনের মতবাদ যথেষ্ট অর্থবহ যে " পরিবৃত্তিই নতুন প্রজাতির সৃষ্টির কাঁচামাল "। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে জীবেরা…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”