| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘প্রক্রিয়া-১ → কাঙ্ক্ষিত…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৬ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

প্রক্রিয়া-১ → কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীব তৈরি।
প্রক্রিয়া-২ → অসংখ্য চারা উৎপাদন।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১১
কোনো জিনের অভিন্ন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন একাধিক প্রতিরূপ তৈরির পদ্ধতি হলো ক্লোনিং।
কোনো জীবের জন্মের পর থেকে স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত সময়কাল হলো বায়োলজিক্যাল লাইফ বা জৈব জীবনকাল। এটি জীবের বাস্তব বা প্রকৃত জীবনকাল নির্দেশ করে। সব জীবের বায়োলজিক্যাল লাইফ এক রকম নয়। প্রজাতিভেদে ভিন্ন, মানুষের ক্ষেত্রে তা ৬০-৮০ বছর বা তার বেশি হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রক্রিয়া-১ হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। নিচে এর ধাপগুলো চিত্রের সাহায্যে দেখানো হলো -
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রক্রিয়া-২ হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। নিচে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-
১. হুবহু মাতৃ-গুণাগুণসম্পন্ন চারা তৈরি: কোনো উদ্ভিদের ফুল, ফল বা শস্য গুণে ও মানে উন্নত বলে মনে হলে সেসব উদ্ভিদের অংশ টিস্যু কালচার প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহার করে হুবহু মাতৃ-গুণাগুণসম্পন্ন অসংখ্য চারা তৈরি করা যায়।
২. হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ উৎপাদন: পরাগরেণু বা পরাগধানী কালচার করে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ উৎপাদন করা যায়। Graminae, Solanaceae ও Cruciferae গোত্রসহ এ যাবৎ ৫০টি প্রজাতির হ্যাপ্লয়েড লাইন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।
৩. বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ সংরক্ষণ: যে সমস্ত উদ্ভিদ প্রজাতি পৃথিবীতে বিলুপ্তির পথে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির মাইক্রোপ্রোপাগেশন পদ্ধতি দ্বারা ঐ সকল উদ্ভিদকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।
৪. রোগমুক্ত উদ্ভিদ তৈরি: উদ্ভিদের শীর্ষমুকুলের অগ্রভাগের টিস্যুকে মেরিস্টেম বলে। এ মেরিস্টেম সর্বদা রোগমুক্ত থাকে। টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে মেরিস্টেম কালচার করে রোগমুক্ত চারাগাছ তৈরি করা যায়।
৫. সংকর উদ্ভিদ উৎপাদন: দুটি উদ্ভিদের প্রোটোপ্লাস্ট পাশাপাশি রেখে তাদের মধ্যে মিলন ঘটিয়ে টিস্যু কালচার প্রযুক্তি প্রয়োগ করে নতুন সংকর উদ্ভিদ তৈরি করা যায়।
৬. ভ্রূণ উদ্ধার: দুটি ভিন্ন প্রজাতির সংকরায়নে সৃষ্ট F1 অপত্য প্রায়শই বন্ধ্যা হয়। এমন বন্ধ্যা উদ্ভিদে ভ্রূণ গঠিত হলেও তা মারা যায় ও তা থেকে কোনো বীজ উৎপন্ন হয় না। এমন সংকর উদ্ভিদ থেকে ভূর্ণ উদ্ধার করে পুষ্টি মাধ্যমে তাদের বাঁচিয়ে কাজে লাগানো যায়।
৭. ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ উৎপাদন: রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিতে নানা ধরনের অণুজীব, উদ্ভিদ ও প্রাণী হতে সংগৃহীত জিন আবাদকৃত ভ্রূণ বা কোষে প্রবেশ করিয়ে চাহিদামতো জিনোম তৈরি করা সম্ভব। টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে এ ধরনের কোষ বা ভ্রূণ হতে পূর্ণাঙ্গ ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ সৃষ্টি করা যায়।
৮. কৃত্রিম বীজ উৎপাদন: টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে উৎপন্ন সোমাটিক ভ্রূণকে পুষ্টি পদার্থসহ জেল আবরণীতে আবদ্ধ করে কৃত্রিম বীজ তৈরি করা যায়।