A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘প্রকৃত কোষে দু’ধরনের…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — কোষ বিভাজন🔢 সৃজনশীল নং ৫৩🏫 বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

প্রকৃত কোষে দু’ধরনের কোষ বিভাজন দেখা যায়-

X কোষ বিভাজন: বিবর্তন ও জনুক্রমের সাথে সম্পর্ক নেই।
Y কোষ বিভাজন: জনন মাতৃকোষে ঘটে এবং ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক হয়। এর একটি উপ-পর্যায়ে সিন্যাপসিস ঘটে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একটি কোষ সৃষ্টি, এর বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে বিভাজন-এ তিনটি কাজ যে চক্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় তাই কোষচক্র।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মিয়োসিস-২ কে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয়, কারণ এতে ক্রোমোসোম সংখ্যা হ্রাস পায় না। মিয়োসিস-১ শেষে উৎপন্ন হ্যাপ্লয়েড কোষগুলো মিয়োসিস-২ তে প্রবেশ করে এবং মাইটোসিসের মতো বিভাজিত হয়। এতে প্রতিটি ক্রোমোসোমের সিস্টার ক্রোমাটিড আলাদা হয়ে চারটি হ্যাপ্লয়েড অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়। যেহেতু ক্রোমোসোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে, তাই মিয়োসিস-২ কে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'Y' কোষ বিভাজনটি হলো মিয়োসিস। মিয়োসিসের প্রোফেজ-১ পর্যায়ের জাইগোটিন উপ-পর্যায়ে সিন্যাপসিস ঘটে। নিচে জাইগোটিন উপ-পর্যায়টি বর্ণনা করা হলো-

১. এ উপ-পর্যায়ে হোমোলোগাস ক্রোমোসোম একটি জোড়ার সৃষ্টি করে। হোমোলোগাস ক্রোমোসোমদ্বয়ের মধ্যে পরস্পর আকর্ষণই এ জোড়া সৃষ্টির কারণ।

২. জোড়া সৃষ্টিকার্য ক্রোমোসোমদ্বয়ের একপ্রান্ত থেকে আরম্ভ হয়ে অন্যপ্রান্তে শেষ হতে পারে, অথবা সেন্ট্রোমিয়ারদ্বয়ের মধ্যে আরম্ভহয়ে দু'দিকে ক্রমান্বয়ে বিস্তার লাভ করতে পারে, অথবা অন্যস্থানে আরম্ভ হতে পারে।

৩. দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে জোড় সৃষ্টি হওয়াকে সিন্যাপসিস বলে।

৪. প্রতিটি জোড় বাঁধা ক্রোমোসোম জোড়াকে বাইভেলেন্ট বলে। কোষে যতগুলো ক্রোমোসোম থাকবে তার অর্ধেক সংখ্যক বাইভেলেন্ট সৃষ্টি হবে।

৫. নিউক্লিওলাস এবং নিউক্লিয়ার এনভেলপ তখনো দেখা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'X' বিভাজন হলো মাইটোসিস। মাইটোসিস কোষ বিভাজন উচ্চ শ্রেণির জীবের জন্য অপরিহার্য, কারণ এটি দেহের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ এবং কোষ প্রতিস্থাপনে ভূমিকা রাখে। মাইটোসিস কোষ বিভাজনটি অনিয়ন্ত্রিত হলে জীবদেহে যে ধরনের প্রভাব প্রভাব পড়ে তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

কোষের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিভিন্ন ফ্যাক্টর দ্বারা মাইটোসিস নিয়ন্ত্রিত হয়। কোনো কারণে এই নিয়ন্ত্রণ অকার্যকর হলে অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস ঘটে থাকে, ফলে টিউমার ও ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। ক্যান্সার কোষে সাইক্লিন-Cdk এর নিয়ন্ত্রণ বিনষ্ট হয়ে যায়। P53 নামক প্রোটিন সাধারণত কোষকে বিভাজন হতে বিরত রাখার ভূমিকা রাখে। এটি defective হলে (মানুষের প্রায় অর্ধেক সংখ্যক কোষেই defective P53 আছে) কোষচক্র নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এর ফলে ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। মানুষের অধিক ক্যান্সার সৃষ্টি হওয়ার সম্ভবত এটি একটি কারণ। কোষ বিভাজনের জন্য কিছু গ্রোথ ফ্যাক্টর কাজ করে। ক্যান্সার কোষ তাদের গ্রোথ ফ্যাক্টর নিজেরাই তৈরি করে নেয় অথবা বিভাজনের জন্য এদের কোনো গ্রোথ ফ্যাক্টর লাগে না। কোষচক্র নিয়ন্ত্রণকারী দু'ধরনের প্রোটিন হচ্ছে- প্রোটিন কাইনেজ ও সাইক্লিন। টিউমার সৃষ্টি হওয়াকে বলা হয় Oncogenesis। কোষচক্র বিনষ্টকারী জিন হলো Oncogene। যেসব রাসায়নিক পদার্থ ক্যান্সার সৃষ্টিতে উৎসাহিত করে তা হলো Mutagens। মিউটাজিনিক পদার্থই Carcinogenic (ক্যান্সার সৃষ্টিকারক) হয়। দেহের বিভিন্ন অংশে টিউমার ছড়িয়ে পড়া হলো Metastasis। তাই বলা যায়, মাইটোসিস কোষ বিভাজন অনিয়ন্ত্রিত হলে টিউমার, ক্যান্সারের মতো রোগ সৃষ্টি হবে যা পরবর্তীতে সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ে মৃত্যু ঘটবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘প্রকৃত কোষে দু’ধরনের…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”