A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘প্রকৃতিতে দিবাচর শস্যভোজী…’ ২০২৪ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ৬৬📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

প্রকৃতিতে দিবাচর শস্যভোজী একটি প্রাণী আছে যে হেমিমেটাবোলাস রূপান্তর সম্পন্ন করে এবং দিনের উজ্জ্বল আলো ও স্থিমিত আলোতে দুটি ভিন্ন দর্শন কৌশল প্রদর্শন করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

হাইড্রার নিডোসাইটে প্রাপ্ত প্রোটিন ও ফেনলের সমন্বয়ে গঠিত বিষাক্ত তরলই হলো হিপনোটক্সিন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভিন্ন প্রজাতির দুটি জীব যখন পারস্পরিকভাবে সহাবস্থান করে এবং উভয়ই উভয়ের নিকট থেকে উপকৃত হয় তখন এ ধরনের সহাবস্থানকে মিথোজীবিতা বলা হয়। সহাবস্থানকারী জীবদ্বয়কে বলা হয় মিথোজীবী। যেমন- হাইড্রা ও শৈবাল এক সাথে অবস্থানকালে পরস্পর পরস্পরের নিকট থেকে উপকৃত হয়। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত রূপান্তরে হরমোনের ভূমিকাটি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- 
ঘাসফড়িং-এর দেহে চার ধরনের অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বিদ্যমান। এগুলো হলো ইন্টার-সেরিব্রাল গ্রন্থিকোষ, প্রোথোরাসিক গ্রন্থি, কর্পোরা অ্যালাটা এবং কর্পোরা কার্ডিয়াকা। এদের মধ্যে প্রথম তিনটি গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোন ঘাসফড়িং-এর রূপান্তরে মুখ্য ভূমিকা রাখে। রূপান্তরের শুরুতে মস্তিষ্কের ইন্টার সেরিব্রাল গ্রন্থিকোষ থেকে প্রোথোরাসিকোট্রফিক হরমোন ক্ষরিত হয়ে প্রোথোরাসিক গ্রন্থিকে একডাইসন হরমোন ক্ষরণে উদ্দীপিত করে। একডাইসন হরমোন ক্ষরিত হলে প্রাণীর নির্মোচন বা খোলস মোচন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ হরমোন দেহের কোষকলাকে বৃদ্ধির জন্য উদ্দীপিত করে। একই সময়ে কর্পোরা অ্যালাটা গ্রন্থি থেকে জুভেনাইল হরমোন ক্ষরিত হয় যা দেহের অস্বাভাবিক দ্রুত বৃদ্ধি প্রতিহত করে। প্রকৃতপক্ষে জুভেনাইল হরমোনের প্রভাবে ঘাসফড়িং-এর নিম্ফ দশা দীর্ঘ হয়। এক সময় কর্পোরা অ্যালাটার কার্যক্রম রহিত হয়। একডাইসন হরমোনের প্রভাবে প্রাণীর দ্রুত নির্মোচন ঘটে এবং রূপান্তরের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে পরিণত হয়। 
এভাবে হরমোন ঘাসফড়িং-এর শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম, অর্থাৎ, রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে শেষোক্ত লাইনে ঘাসফড়িংয়ের দিনের উজ্জ্বল আলো ও স্থিমিত আলোতে দুটি ভিন্ন দর্শন কৌশলের উল্লেখ করা হয়েছে। ঘাসফড়িং উল্লম্ব আলোক দ্বারা অর্থাৎ উজ্জ্বল আলোতে অ্যাপোজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব গঠন করে। 

উজ্জ্বল আলোয় ঘাসফড়িংয়ের প্রতিটি ওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের রঞ্জক পদার্থ ক্রিস্টালাইন কোনের নিচের দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত উল্লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিশের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি মাত্র ওমাটিডিয়ামে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয়। এজন্য এর নাম মোজাইক প্রতিবিম্ব। 
অন্যদিকে ঘাসফড়িং মৃদু আলোতে দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তির্যক দুই ধরনের আলোকরশ্মিই ব্যবহার করে। 

মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘণীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোনের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে । উল্লম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র‍্যাবডামে পৌঁছালেও, তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোনের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র‍্যাবডামে পৌঁছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোকরশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত আলোকরশ্মিও পেয়ে থাকে । পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘প্রকৃতিতে দিবাচর শস্যভোজী…’ ২০২৪ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”