| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘[প্রতীকগুলো প্রচলিত প্রতীক…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

[প্রতীকগুলো প্রচলিত প্রতীক নয়]
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
যেসব মৌল ধাতু ও অধাতু উভয়ের বৈশিষ্ট্য বহন করে, তাদেরকে অপধাতু বা অর্ধধাতু বা উপধাতু বলা হয়।
জাল পাসপোর্ট শনাক্তকরণে UV-রশ্মি ব্যবহার করা হয়। কারণ পাসপোর্টের নিরাপত্তা সুতা এবং UV রশ্মি শনাক্তকরণের জন্য অদৃশ্য বিশেষ ফসফোর কালিতে ফসফোর হিসাবে বিভিন্ন জটিল ধাতব অক্সাইড ও ল্যান্থানাইড আয়নকে ব্যবহার করা হয়। ফসফোর কণা 230 – 375 nm তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে দৃশ্যমান পরিসরে (380 - 780 nm) বিকিরণ করে। তখন ঐ বর্ণ দেখে আসল পাসপোর্ট শনাক্ত করা যায়। UV কালি অধিক উদ্বায়ী হওয়ায় নকলবাজ বা জালকারিরা যখন এটি ব্যবহার করে তখন ততটা দক্ষতার সাথে ব্যবহার করতে পারে না। ফলে UV রশ্মি দিয়ে আসল ও জাল পাসপোর্ট সহজেই শনাক্ত করা যায়। এভাবে UV রশ্মি দ্বারা জাল পাসপোর্ট শনাক্ত করা হয়। তার
উদ্দীপকের তথ্যমতে, ও যৌগ দুটি যথাক্রমে ও ও গঠন করলেও গঠন করে না। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- '
জানা আছে, যোজ্যতা স্তরের বিজোড় ইলেকট্রনগুলো বন্ধন গঠনে অংশ নেয়। N ও P এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
ও উভয়েরই যোজ্যতা স্তরে তিনটি বিজোড় ইলেকট্রন থাকে এবং উভয়েই তিনটি একযোজী পরমাণুর সাথে ও যৌগদ্বয় গঠন করতে পারে। কিন্তু পরমাণুর ক্ষেত্রে যোজ্যতা স্তরে 2d অরবিটাল সম্ভব না হওয়ায় উত্তেজিত অবস্থায় এর ইলেকট্রন সম্প্রসারিত হতে পারে না বলে গঠিত হয় না। পক্ষান্তরে P মৌলটি উত্তেজিত অবস্থায় নিম্নরূপ ইলেকট্রন বিন্যাস প্রদর্শন করে*
পরমাণুর যোজ্যতা স্তরে অরবিটাল থাকায় উত্তেজিত অবস্থায় এর যোজ্যতা স্তরে বিজোড় ইলেকট্রন সংখ্যা হয় । এজন্য 5টি একযোজী পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে গঠন করতে পারে । সুতরাং বলা যায়, গঠিত হলেও গঠিত হয় না।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, ও যৌগ দুটি যথাক্রমে ও । নিচে যৌগ দুটির ভৌত অবস্থার ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা করা হলোপর্যায় সারণির নং গ্রুপের দুটি মৌল কার্বন ও সিলিকন উভয়ই ডাই অক্সাইড যেমন, ও তৈরি করে। কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় হলো গ্যাস, হলো কঠিন পদার্থ। এর কারণ হলো কার্বন ডাই অক্সাইড একটি একক বিচ্ছিন্ন গ্যাসীয় অণু। কার্বন ডাই অক্সাইড অণুতে একটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে দুটি অক্সিজেন পরমাণু দুই জোড়া ইলেকট্রন শেয়ার করে দ্বিবন্ধন দ্বারা যুক্ত করে থাকে।
এর আণবিক আকৃতি সরলরৈখিক এবং এর আণবিক গঠন নিম্নরূপ :
অণুসমূহের মধ্যে কেবল দুর্বল ভ্যানডার ওয়ালস্ বল কার্যকর থাকে এবং সাধারণ তাপমাত্রায় হলো গ্যাস।
অপরদিকে সিলিকন ডাই অক্সাইড ( ) একটি পলিমার যৌগ অর্থাৎ দৈত্যাকার অণুবিশিষ্ট যৌগ। সিলিকন ডাই অক্সাইড পলিমার এর গঠনে প্রতিটি Si পরমাণু চারটি পরমাণুর সাথে এবং প্রতিটি পরমাণু পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে চতুস্তলকীয় গঠন সৃষ্টি করে। প্রতিটি চতুস্তল্ক পরমাণু দ্বারা পরস্পর যুক্ত হয়ে পলিমার শিকল গঠন করে। এর পলিমার গঠন নিম্নরূপ :
পলিমার যৌগ এর গলনকালে বহু সমযোজী বন্ধন ভাঙতে হয় এবং অধিক তাপ শক্তি শোষিত হয়। সুতরাং সিলিকন ডাই অক্সাইড এর গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অনেক বেশি। যেমন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক এবং সাধারণ তাপমাআ্রায় হলো কঠিন পদার্থ।