A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৩ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ২০তম অধ্যায় — ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯🔢 সৃজনশীল নং ৪🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার পথেই রুমার নজর পড়ে আম গাছটির দিকে। ওদিকে তাকাতেই তার মনে পড়ে তার প্রতিবাদী বুবুর কথা। কেননা ঐ গাছটাতেই বুবু রীণার গলায় দড়ি দেয়া লাশ পাওয়া গিয়েছিল। কয়েকটা বখাটে যুবক তাকে প্রায়ই বিরক্ত করত। তাই একদিন সে প্রতিবাদ করেছিল এবং জুতা দেখিয়েছিল। সেই কারণে পরের দিনই তার প্রতিবাদী বুবু রীণার লাশ ঐ গাছটাতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

শহরের পথে থরে থরে কৃষ্ণচূড়া ফুটেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ' -এখানে ‘সেই ফুল’ বলতে মুক্তি ও স্বাধিকার চেতনাকে নির্দেশ করা হয়েছে।

১৯৬৯-এর ফেব্রুয়ারি কবি দেশে কিছু লোকের অপতৎপরতা লক্ষ করেছেন। চারদিকে সন্ত্রাসের রং ছড়িয়ে পড়তে দেখেছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী বীর শহিদ সালাম ও বরকতকে আবারও রাজপথে নেমে আসতে দেখেন। অর্থাৎ ভাষা-আন্দোলনের অবিনশ্বর সংগ্রামী চেতনায় এখনো মৃত্যু ঘটেনি। ফলে সেই বাস্তবতায়ও মুক্তি ও স্বাধিকার চেতনায় বাঙালি আবার উজ্জীবিত হয়। আর এই চেতনাই বাঙালির প্রাণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চেতনা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সংগ্রামী মানুষের প্রাণোৎসর্গের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

 

১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে যে গণ খ আন্দোলন সূচিত হয়েছিল, ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি সেই গণজাগরণের পটভূমিতে রচিত। দেশকে ভালোবেসে মানুষের আত্মদান ও আত্মাহুতির প্রেরণাকে এ কবিতায় কবি গভীর মমতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তুলে ধরেছেন। - কবিতাটিতে একুশের রক্তঝরা দিনগুলোতে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সংগ্রামী মানুষের আত্মাহুতির মাহাত্মে প্রগাঢ়তা লাভ করেছে। দেশকে ভালবেসে গণমানুষ যে প্রাণ দিয়েছে, কবি পরম মমতায় তা উপস্থাপন করেছেন।

 

উদ্দীপকে রুমার প্রতিবাদী বুবু রীনা বখাটেদের প্রতিবাদে জুতা প্রদর্শন করলে বখাটে কর্তৃক তার করুণ পরিণতি অর্থাৎ মৃত্যুমুখে পতিত হতে হয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার কারণে নিজ প্রাণ উৎসর্গ করে দিতে হয় তার। 

উদ্দীপকের চেতনা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সংগ্রামী মানুষের প্রাণোৎসর্গের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

“উদ্দীপকের রীণা আর 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার শহিদরা একই প্রতিবাদের মূর্ত প্রতীক।" —উক্তিটির যথার্থ।

 

'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি সংগ্রামী চেতনার কবিতা, দেশপ্রেমের কবিতা, গণ জাগরণের কবিতা। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন মূলত বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনার ভিত্তিস্বরূপ। ভাষার জন্য যারা রক্ত দিয়েছেন, জীবন উৎসর্গ করেছেন তাঁদের ত্যাগ আর মহিমা যেন পরবর্তী কালের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে বাঙালিকে প্রেরণা জুগিয়েছে। ভাষা শহিদের যুগ যুগ ধরে আমাদের প্রেরণার উৎস। তাই এ কবিতায় কবি শোষণ আর বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ও আত্মাহুতি দেওয়ার বীর জনতাকে ভাষাশহিদ সালাম ও বরকতের প্রতীকে তাৎপর্যময় করে তুলেছেন।

 

উদ্দীপকে প্রতিবাদী এক নারী চরিত্র রুমার প্রতিবাদী বুবু রীনা। বখাটেদের জ্বালাতন সহ্য করতে না পেরে তার প্রতিবাদে তাদেরকে জুতা প্রদর্শন করে। সেই কারণে পরের দিনই তার প্রতিবাদী বুবু রীণার লাশ ঐ 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ভাষাশহিদদের আত্মত্যাগ আর তাঁদের বীরত্ব গাথাকে স্মরণ করা হয়েছে। যাঁরা পরবর্তীতে সকল আন্দোলন-সংগ্রামে বাঙালিকে প্রেরণা জুগিয়েছে। মূলত ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান ছিল ভাষা আন্দোলনেরই ফলস্বরূপ। আবার উদ্দীপকেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন এক নারীর ব্যাপারে বলা হয়েছে। যারা যুগ যুগ ধরে স্বাধীনতাবাদী মানুষকে সাহস জুগিয়েছে। তাই উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতার আলোকে বলা যায়,

“উদ্দীপকের রীণা আর 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার শহিদরা একই প্রতিবাদের মূর্ত প্রতীক।" —উক্তিটির যথার্থ হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৩ – ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”