A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রহিম সাহেব বিভিন্ন…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৬ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — রক্ত ও সংবহন🔢 সৃজনশীল নং ৮৩🏢 প্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

রহিম সাহেব বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে ডাক্তার বললেন তার প্রকোষ্ঠময় মোচাকৃতি অঙ্গটির রক্তনালিতে প্লাক জমে গহ্বর সংকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মানব ভ্রূণের প্রাথমিক পর্যায়ে কুসুম থলিতে, মধ্যবর্তী পর্যায়ে যকৃতে এবং শেষ পর্যায়ে জন্মের পর থেকে অস্থিমজ্জাতে যে পদ্ধতিতে লোহিত রক্তকণিকা সৃষ্টি হয় তাই ইরাইথ্রোপোয়েসিস।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দুটি নিকটবর্তী পর্ব বা শ্রেণির মধ্যবর্তী দশার জীবাশ্মকে সংযোগকারী যোগসূত্র বলে। Archaeopteryx এ ধরনের একটি জীবাশ্ম। আজ থেকে ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ বছর আগে জুরাসিক যুগে এর আবির্ভাব হয়েছিল। এর ধ্বংসাবশেষ জার্মানীর বেভেরিয়ার বিখ্যাত সোলেন হোপেন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা হয়। এতে রয়েছে পাখি এবং সরিসৃপ উভয় শ্রেণির বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য। সে কারণে Archaeopteryx-কে সরিসৃপ থেকে পাখি উদ্ভবের এক পর্যায় বা সংযোগকারী যোগসূত্র বলে মনে করা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দুটি নিকটবর্তী পর্ব বা শ্রেণির মধ্যবর্তী দশার জীবাশ্মকে সংযোগকারী যোগসূত্র বলে। Archaeopteryx এ ধরনের একটি জীবাশ্ম। আজ থেকে ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ বছর আগে জুরাসিক যুগে এর আবির্ভাব হয়েছিল। এর ধ্বংসাবশেষ জার্মানীর বেভেরিয়ার বিখ্যাত সোলেন হোপেন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা হয়। এতে রয়েছে পাখি এবং সরিসৃপ উভয় শ্রেণির বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য। সে কারণে Archaeopteryx-কে সরিসৃপ থেকে পাখি উদ্ভবের এক পর্যায় বা সংযোগকারী যোগসূত্র বলে মনে করা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যাটির সমাধান বড়ো ধরনের অপারেশন ছাড়াই এনজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে করা যায়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এনজিওপ্লাস্টি চিকিৎসাটি মোটামুটি নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত, তবে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নির্ভর করে। যেমন-

চিকিৎসা অবকাঠামো:

১. ঢাকায় বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে (যেমন-BMU, NICVD, Labaid, United, Square ইত্যাদি) আধুনিক 'ক্যাথল্যাব ও দক্ষ কার্ডিওলজিস্ট রয়েছে।
২. দক্ষতা ও প্রযুক্তি উন্নতির ফলে বর্তমানে বেশিরভাগ এনজিওপ্লাস্টি সফলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

চিকিৎসকের দক্ষতা:

১. বাংলাদেশে অনেক অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কার্ডিওলজিস্ট রয়েছে যারা আন্তর্জাতিক মানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
২. সঠিক কেন্দ্রে সঠিক সময়ে গেলে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি ও ওষুধ:

১. উন্নতমানের স্টেন্ট এবং অ্যান্টিকুয়াগুল্যাপ্ট ওষুধ বাংলাদেশে পাওয়া যায়। তবে ব্যয়ের করণে অনেক রোগী নিম্নমানের স্টেন্ট বেছে নেয়, যা ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

নিরাপত্তা ঝুঁকি : এনজিওপ্লাস্টির ঝুঁকি খুবই কম, তবে কিছু সম্ভাব্য ঝুঁকি থাকতে পারে।
১. রক্তক্ষরণ বা রক্ত জমাট বাঁধা।
২. রক্ত নালিতে পুনরায় ব্লক হওয়া।
৩. সংক্রমণ।
৪. কিডনি সমস্যা (ডাই ব্যবহারের কারণে)

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে করণীয়:
১. অভিজ্ঞ হাসপাতাল ও চিকিৎসা নির্বাচন করা
২. উন্নত মানের স্টেন্ট বেছে নেওয়া।
৩. পরে নিয়মিত ফলোআপ ও ওষুধ চালিয়ে যাওয়া।
৪. ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচপ ও ধূমপান নিয়ন্ত্রণে রাখা।

উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, বাংলাদেশে এনজিওপ্লাস্টি চিকিৎসা মোটামুটি নিরাপদ, বিশেষ করে যদি তা ঢাকাসহ বড় শহরের অভিজ্ঞ কেন্দ্রগুলোতে করা হয়। সঠিকভাবে করলে এটি হৃদরোগীদের জন্য জীবনরক্ষাকারী হতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রহিম সাহেব বিভিন্ন…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৬ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”