A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রহিম সাহেব নির্বাচনে…’ সরকারি আজিজুল হক কলেজ ২০২৬ – সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — সুশাসন🔢 সৃজনশীল নং ২৬🏢 প্রতিষ্ঠান সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

রহিম সাহেব নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মিডিয়া কর্মীরা জানতে চাইলে তিনি রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সর্বস্তরে ই-গভর্নেন্স চালু করা, জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা, সরকারি অফিস আদালত, হাসপাতাল ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে ই-সেবা চালু করা তার প্রধান লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন। 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সরকারি তথ্য ও সেবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌছানোর ব্যবস্থাই হলো ই-গভর্নেন্স (Electronic Governance)।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রাজনৈতিক দল (Political Party) হলো কোনো নীতি বা আদর্শের সমর্থনে সংগঠিত সংঘবিশেষ যা সাংবিধানিক উপায়ে সরকার গঠন ও দেশ পরিচালনার চেষ্টা করে।

সাধারণত রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য থাকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহণ, সরকার গঠন ও পরিচালনা, নিজেদের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, সব নাগরিকের কল্যাণের জন্য কাজ করা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে জনগণ রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে পরোক্ষভাবে শাসন কাজে অংশগ্রহণ করে। তাই রাজনৈতিক দলই হলো এই প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের প্রাণ। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের রহিম সাহেবের পরিকল্পনা ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।

ই-গভর্নেন্স বলতে এমন একটি শাসন প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন সেবা ও তথ্য জনগণ তাৎক্ষণিকভাবে পেতে পারে। এ ধরনের শাসন প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে কার্যকর সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। ই-গভর্নেন্স সরকারের স্বচ্ছতা বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার ও জনগণের সম্পর্ককে একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করায় এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। বর্তমান যুগে জনগণ সহজে ও দ্রুত সরকারি সেবা পেতে চায়। সরকারও চায় অল্প সময়ে অধিক সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে। তাই বর্তমান বিশ্বের সরকারগুলো সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছে। কেননা এখনকার যুগে ই-গভর্নেন্স ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় ৷ উদ্দীপকে দেখা যায়, রহিম সাহেব নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মিডিয়া কর্মীরা জানতে চাইলে তিনি রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সর্বস্তরে ই-গভর্নেন্স চালু করা, জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা, সরকারি অফিস আদালত, হাসপাতাল ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে ই-সেবা চালু করা তার প্রধান লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন। তাই বলা যায়, রহিম সাহেবের পরিকল্পনা ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রহিম সাহেবের পরিকল্পনা হলো রাষ্ট্রে ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়ন। আর উক্ত পরিকল্পনা অর্থাৎ ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়ন হলে সমাজ ও রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমি মনে করি।

আধুনিক কল্যাণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জনগণের জীবযাত্রার মান উন্নয়নে সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন জরুরি। এছাড়া উন্নয়নের জন্য সরকার ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগকে সহজতর করা প্রয়োজন। ই-গভর্নেন্স এক্ষেত্রে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে। ই- গভর্নেন্স এর ফলে সরকারের সাথে নাগরিকের (G2C), নাগরিকের সাথে সরকারের (C2G) এবং সরকারের সাথে ব্যবসায়ীদের (G2B) তথ্যের প্রবাহ ও সম্পর্ক স্থাপন সহজ হবে। আবার জনগণ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ, পরিবহন, ডাক, চিকিৎসা, শিক্ষা, জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র ইত্যাদি সরকারি সেবা সহজেই পাবে। তাছাড়া ই-টেন্ডার, ই-লাইসেন্স প্রক্রিয়ার কারণে সরকারি কাজের ঠিকাদারি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে স্বচ্ছতাও নিশ্চিত হবে। ফলে জনগণের সার্বিক জীবনমান উন্নত হবে। এসব কারণে সরকার ও নাগরিকের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে। এটি সুশাসনের জন্য সহায়ক।

ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়িত হলে সরকারের দক্ষতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, দুর্নীতি কমবে, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস পাবে, সময় বাঁচবে, জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ বাড়বে, মানবসম্পদের উন্নয়ন হবে এবং সর্বোপরি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

পরিশেষে বলা যায়, কোনো রাষ্ট্র ও সমাজে যদি ই-গভর্নেন্সের ব্যাপক প্রচলন নিশ্চিত করা যায় তাহলে সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রহিম সাহেব নির্বাচনে…’ সরকারি আজিজুল হক কলেজ ২০২৬ – সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”