| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘রহিম সাহেব শ্বাসকষ্ট,…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

রহিম সাহেব শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যাথাসহ অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে ডাঃ বললেন বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতি অঙ্গটির রক্তনালীতে প্লাক সৃষ্টি হয়েছে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
রক্ত একধরণের তরল যোজক কলা। যা রক্তরস নামক তরল মাতৃকা ও রক্তবাহিকা নিয়ে গঠিত।
যে প্রক্রিয়ায় ক্ষতস্থান থেকে নির্গত হওয়া রক্তের প্লাজমা থেকে ফাইব্রিনোজেন আলাদা হয়ে ফাইব্রিনজালক গঠনপূর্বক রক্তপাত বন্ধ করে এবং বক্তের অবশিষ্টাংশকে জেলির ন্যায় থকথকে পিন্ডে পরিণত করে তাকে রক্ত তন বা রক্তের জমাট বাঁধা বলে। সমগ্র বস্তু তখন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। এটি কমপক্ষে ১৩টি ভিন্ন ভিন্ন ফ্যাক্টরের সমন্বিত কার্যের দ্বারা সংঘটিত হয়।
যে প্রক্রিয়ায় ক্ষতস্থান থেকে নির্গত হওয়া রক্তের প্লাজমা থেকে ফাইব্রিনোজেন আলাদা হয়ে ফাইব্রিনজালক গঠনপূর্বক রক্তপাত বন্ধ করে এবং বক্তের অবশিষ্টাংশকে জেলির ন্যায় থকথকে পিন্ডে পরিণত করে তাকে রক্ত তন বা রক্তের জমাট বাঁধা বলে। সমগ্র বস্তু তখন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। এটি কমপক্ষে ১৩টি ভিন্ন ভিন্ন ফ্যাক্টরের সমন্বিত কার্যের দ্বারা সংঘটিত হয়।
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গটির রক্তনালীর জটিলতা নিরসনে বড় আকারের অপারেশন ছাড়াই সম্ভব। পদ্ধতিটি হলো এনজিওপ্লাস্টি। পদ্ধতিটি নিম্নরূপ-
বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিণ্ডের সংকীর্ণ লুমেন (গহ্বর) যুক্ত বা রুদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্থ লুমেন মুক্ত বা উন্মুক্ত করার পদ্ধতিকে এনজিওপ্লাস্টি বলে। করোনারি হৃদরোগের অন্যতম প্রধান রোগ সৃষ্টি হয় করোনারি ধমনিতে। ধর্মনির ভেতর ব্লক সৃষ্টি হলে পর্যাপ্ত O২ সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপেশিতে সংবহিত হতে পারে না। ফলে হার্ট ফেইলিউর ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এমন মারাত্মক অবস্থা মোকাবিলায় এনজিওপ্লাস্টি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
এনজিওপ্লাস্টি ধরনের চিকিৎসা লুমেন থেকে ব্লক অপসারণ বা হ্রাস করতে পারে এবং শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা উপশম হয়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে জীবন রক্ষায় অবদান রাখে। যেহেতু বুক উন্মুক্ত করতে হয় না সেহেতু কষ্ট, সংক্রমণ ও দীর্ঘকালীন সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে না। বেলুন ও স্টেন্ট পদ্ধতি একই সাথে ব্যবহার করলে প্লাক এর পুনরাবির্ভাবের সম্ভাবনা কমে যায়। মাত্র এক থেকে কয়েক ঘণ্টায় জীবন রক্ষাকারী এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে এবং কয়েকদিন পর থেকেই হালকা কাজকর্ম করা সম্ভব।
সুস্থ হতে ৪ সপ্তাহের বেশি সময় লাগে না। যারা বুকের অসুখে ভুগছেন, কিংবা অ্যানজিওগ্রামের সময় রঞ্জকের প্রতি অ্যালার্জি দেখা যায় এবং যাদের বয়স ৭৫ বছরের বেশি তাদের ক্ষেত্রে এনজিওপ্লাস্টি কিছুটা অসুবিধাজনক হতে পারে।
সুতরাং এনজিওপ্লাস্টি পদ্ধতির মাধ্যমে করিম সাহেবের রোগ নিরাময়ে অনেকটা সহায়ক হবে এবং এর ফলে তার বড় ধরনের অপারেশনে যেতে হবে না।