A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রহিমের প্রস্রাবের পরিমাণ…’ সিলেট বোর্ড ২০১৯ – বর্জ্য ও নিষ্কাশন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৬ষ্ঠ অধ্যায় — বর্জ্য ও নিষ্কাশন🔢 সৃজনশীল নং ১২🏫 বোর্ড সিলেট বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

রহিমের প্রস্রাবের পরিমাণ কয়েকদিন যাবত কমে যাওয়া ডাক্তার থাকে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়ার পরামর্শ দিলেন।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

pH হলো কোন দ্রবণে হাইড্রোজেন অয়ন ঘনমাত্রা বা (H+) এর 10 ভিত্তিক ঋণাত্মক লগারিদম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রক্তকে পাম্প দিয়ে শরীর থেকে বের করে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ এর উদ্দেশ্যে পরিশ্রুত করে আবার দেহে ফেরত পাঠানো কে হিমোডায়ালাইসিস বলে। এ প্রক্রিয়ার শুরুতে কিছু যন্ত্রপাতি, দ্রবণ ও টিউবের সমন্বয়ে একটি কৃত্রিম বৃক্ষ নির্মাণ করা হয়। কৃত্রিম বৃক্ষ আসল বৃক্ষের মতোই কাজ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রহিমের সমস্যার সংশ্লিষ্ট অঙ্গটি হলো বৃক্ক। নিচের বৃক্কের কাজ করার কৌশল ব্যাখ্যা করা হলো:

মানবদেহে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ মূলত বৃক্কের মাধ্যমে অপসারিত হয়। উদ্দীপকে উল্লেখিত এই বৃক্কের সূক্ষ্ম গঠন রয়েছে নেফ্রন যা গঠনগত ও কার্যগত একক হিসেবে কাজ করে। নেফ্রন মূত্র তৈরির মাধ্যমে রঅক্তের অপদ্রব্য অপসারণ এর ভূমিকা রাখে। 

নেফ্রনের গ্রোমেরুলাস রক্তের হাইড্রোস্ট্যাটিক চাপে রক্তের প্রোটিন ও রক্তকণিকা ছাড়া সমস্ত পানি, লবণ, শর্করা, ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড প্রভৃতি পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ায় কৌশিক জালিকার এন্ডোথেলিয়াম ও বিভিন্ন বিভিন্ন ঝিল্লি এবং রেনাল ক্যাপসুল এর হ্যাপি থেলিয়াম ভেদ করে ক্যাপসুলার স্পেসে জমা হয়। এ পরিশ্রুত তরল কে গ্লোমেরুরাল ফিলট্রেট বলে।এরপর নির্বাচনমূলক পুন শোষণ প্রক্রিয়ায় নেফ্রনের নালিকা অংশে গ্লোমেরুরাল ফিল্রেট থেকে প্রচুর পরিমাণ সোডিয়াম ও সমস্ত গ্লুকোজ, ৬৫%পানি  ৫০%ইউরিয়া, অ্যামিনো এসিড, ভিটামিন এবং ক্লোরাইড আয়ন এখানে শোষিত হয়। প্রক্সিমাল পেঁচানো নালিকায় কৌশিক জালিকা থেকে কিছু অবাঞ্ছিত বস্তু, যেমন: ক্রিয়েটিনিন ও সামান্য ইউরিয়ার সক্রিয় ক্ষরণ সংঘটিত হয়। নেফ্রনের নালিকার এফথেলিও কোষে কয় প্রকার যৌগ, অ্যামেনিয়া, হিপপিউরিক অ্যাসিড ইত্যাদি সৃষ্টি হয়ে নালিকা গহ্বর মুক্ত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে রহিমের সমস্যার সমাধানে ভূমিকা পালন করে তা হল এন্টিডাইইউরেটিক হরমোন। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

আহারের সঙ্গে পানি গ্রহণ এবং ঘাম, মলমূত্র ত্যাগ ইত্যাদির মাধ্যমে পানিতে এক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেহ রক্তের দ্রব্য ও স্থিত অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ করে। এ প্রক্রিয়ার সুনির্দিষ্ট ভাবে প্রভাব ফেলে এন্টিডাইইউরেসিস হরমোন (ADH) বিপুল পরিমাণ কম ঘন মূত্র উৎপাদন প্রক্রিয়ার ডাইইউরসিস এবং বিপরীত প্রক্রিয়ার স্বভাবতই এন্টিডাইইউরেসিস নামে পরিচিত। ADH কার্যগত ভাবে  এন্টিডাই-ইউরেটিক, অতএব বেশি ঘন মুত্র উৎপন্নের ভূমিকা পালন করে। ADH একটি পেপটাইড। এটি ভেসোপ্রসির নামেও পরিচিত। মস্তিষ্কের হাইপোথালমাসে উৎপন্ন হয়ে ADH পিটুইটারি গ্রন্থির পশ্চাৎ খন্ডে প্রবেশ করে। রক্তে পানের পরিমাণ স্বাভাবিক এর চেয়ে কম হয়ে গেলে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালমাস অবস্থিত ওসমেরিরসেক্টর কোষ গুলো উত্তেজিত হয় এবং ADH উৎপন্ন করে। নিউরনের এক্রন বেড়ে ADH পশ্চাৎ পিটুয়ারি গ্রন্থিতে প্রবেশ করে এবং রক্ত স্রোতে ক্ষরিত হয়। ক্ষরিত হরমোন বৃক্কসহ দেহের সব অংশে বহিত হয়। 

বৃক্কের নেফ্রন গুলো সংগ্রাহী নালীর কাছাকাছিতে অবস্থিত গ্রাহক অনু ADH গ্রহণ করে, ফলে ঝিল্লির পানি ভেদ্ধতা বেড়ে যায়। গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেট থেকে তখন পানি অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় বৃক্ষের সংগ্রাহী নালীতে পূর্ণঃশোধিত হয়। সংগ্রামী নালীতে তরল বেশ ঘন হয়ে যায় এবং ব্যক্তি অল্প পরিমাণ অতি ঘন মুত্র উৎপাদন করে। 

অন্যদিকে, রক্ত পানির পরিমাণ স্বাভাবিক এর চেয়ে বেড়ে গেলে হাইপোথ্যাল্যামাসের অসমোরিসেপ্টর কোষগুলো তেমন উত্তেজিত হয় না এবং অল্প পরিমাণ ADH ক্ষরিত হয়। তখন সংগ্রাহী নালীর কোষগুলো প্রায় পানি অভেদ্য হয়ে যায়, হলে গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট থেকে পুনশোধন বন্ধ থাকে। সংগ্রাহী নালীতে তখন ফিলট্রেট অনেক তরল হয়ে যায় এবং ব্যক্তির বেশি পরিমাণ মূত্র উৎপাদন করে। দেহে প্রাণীর সমতা ফিরে না আসা পর্যন্ত এই অবস্থা অব্যাহত থাকে। রেনাল ক্যাপসুলে পরিশ্রবণ প্রক্রিয়ার সবসময় অব্যাহত থাকে। পানির অভাবে রক্ত রসের গাড়োতা বাড়লে কিংবা পরিমাণ কমে গেলে এড্রেনাল কটেক্স থেকে ক্ষরিত অ্যালডোস্টেরন হরমোন মূত্রের সোডিয়াম আয়নের রেচন কমিয়ে পরোক্ষভাবে পানির রেচন ও হ্রাস করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রহিমের প্রস্রাবের পরিমাণ…’ সিলেট বোর্ড ২০১৯ – বর্জ্য ও নিষ্কাশন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”