A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – পদ্মা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১৭তম অধ্যায় — পদ্মা🔢 সৃজনশীল নং ১৩🏢 প্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ নদী-তীরবর্তী এলাকা। প্রতি বর্ষা মৌসুমে আশেপাশের অনেক এলাকা নদীভাঙনের শিকার হয়। এলাকার দুটি স্কুল, একটি কলেজসহ জনপদের অসংখ্য বাড়ি ও বসতি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙনের শিকার মানুষগুলো আবার গোয়ালন্দের নদীতীরে বন্যাপ্লাবিত জমিতে বাদাম, আলু, ধান, পাট, লাগিয়ে প্রচুর ফসল ঘরে তুলতে সক্ষম হয়। সর্বস্বান্ত মানুষ যেন নতুন অনুপ্রেরণায় বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'জওয়ান' ফারসি ভাষার শব্দ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আলোচ্য পঙক্তিতে পদ্মার ভয়ংকর রূপটি প্রকাশ পেয়েছে।
'পদ্মা' কবিতায় কবি পদ্মা নদীর ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপ তুলে ধরেছেন। এর স্রোতে সাজানো বাগান ভেসে যায়। বর্ষাকালে এর স্রোত দুই পাড়ের জনজীবনকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পদ্মার প্রমত্ত ঢেউ দেখে বহু সমুদ্রে ভ্রমণকারী হার্মাদ জলদস্যুদের প্রাণও শুকিয়ে যেত। আলোচ্য পঙ্ক্তিতে পদ্মার সেই প্রমত্ত রূপের বর্ণনা ফুটে উঠেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের গোয়ালন্দ নদী-তীরবর্তী ভাঙনের চিত্র 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত পদ্মার ধ্বংসাত্মক রূপের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'পদ্মা' কবিতা কবি পদ্মার ধ্বংসাত্মক ও ভয়ংকর বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলেছেন। এ নদী কখনো কখনো এমন রূপ ধারণ করে যে তা দেখে মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। বর্ষাকালে এ নদীর জলস্রোত স্ফীত হয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যায় মানুষের সাজানো বাগান, ঘর, এমনকি জীবনও।
উদ্দীপকে গোয়ালন্দ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর ধ্বংসাত্মক রূপ প্রকাশ পেয়েছে। এ নদীর স্বেচ্ছাচারের শিকার হয়েছে দুই তীরের মানুষ। বসতভিটা, ফসলি জমি এ নদীর ভাঙনে অতল গর্ভে হারিয়ে গেছে। 'পদ্মা' কবিতায় উল্লিখিত পদ্মার ভয়ংকর রূপ দেখে দুরন্ত হার্মাদ জলদস্যুরাও ভয়ে কাঁপত। পদ্মা স্বেচ্ছাচারী। প্রতিবছর বন্যার প্লাবনে এ নদীর দুই তীরের জনবসতি, ঘরবাড়ি নদীভাঙনের শিকার হয়; এমনকি প্রাণহানিও ঘটে। এভাবে উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত পদ্মা নদীর স্বেচ্ছাচারের শিকার মানুষের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"সর্বস্বান্ত মানুষ যেন নতুন অনুপ্রেরণায় বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে।"- উদ্দীপকের আলোচ্য বাক্যে 'পদ্মা' কবিতার মর্মার্থই যেন ফুটে উঠেছে- মন্তব্যটি যথার্থ।
'পদ্মা' কবিতায় ফররুখ আহমদ পদ্মার ধ্বংসাত্মক ও কল্যাণময়ী উভয় দিককে সার্থকতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন। বর্ষাকালে পদ্মার প্লাবনে জনজীবন সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ে। তবে পদ্মার এই প্লাবন পলিমাটি বহন করায় তা ফসলের পক্ষে খুবই উপযোগী। এই পলিমাটির কল্যাণে ফলানো ফসলের কথা 'পদ্মা' কবিতায় কবি তুলে ধরেছেন।
উদ্দীপকে গোয়ালন্দ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর প্লাবনে সর্বস্বান্ত জনজীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। তবে বন্যায় পলিবাহিত মাটিতে বাদাম, আলু, পাট, ধান লাগিয়ে প্রচুর ফসল পায় ওই এলাকার জনসাধারণ। তারা যেন নতুনভাবে বাঁচার অনুপ্রেরণা পায়। 'পদ্মা' কবিতায়ও পদ্মা নদীর করাল গ্রাসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ সেই ধ্বংসস্তূপের ভেতর আবার নতুন জীবনের প্রেরণা পায় সেই পদ্মাকে ঘিরেই।
'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত পদ্মার প্লাবন জান-মালের ক্ষতিসাধন করলেও পলিবাহিত এ প্লাবন ফসলের অতিরিক্ত ফলনের উপযোগী। সোনার ফসল এই এলাকার জনগোষ্ঠীর বেঁচে থাকার সম্বল। এর ওপর ভর করেই মানুষ আবার বেঁচে থাকার আশায় বুক বাঁধে। উদ্দীপকের নদীর বন্যায় জনসাধারণ সর্বস্বান্ত হলেও এর পলিবাহিত মাটিতে প্রচুর ফসল ফলে, যা মানুষকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে। তাই বলা যায় যে, আলোচ্য উক্তিটি সমর্থনযোগ্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – পদ্মা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”