A. Nayanㅤ
A. Nayan
29 Oct 2026 (3 hours ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৭ – ব্যাখ্যা, যুক্তিবিদ্যা, যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই যুক্তিবিদ্যা📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ যুক্তিবিদ্যা🧩 অধ্যায় ৬ষ্ঠ অধ্যায় — ব্যাখ্যা🔢 সৃজনশীল নং ১৬৭🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

র্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার ও প্রমাণ করার জন্য যে পদ্ধতিসমূহ ব্যবহৃত হয় সেগুলোই পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অনাবশ্যক অংশকে বাদ দিয়ে মূল কারণটা খুঁজে বের করার জন্য পরীক্ষণ পদ্ধতিতে অপনয়ন প্রয়োজন হয় ।

অপনয়ন শব্দের অর্থ অপসারণ করা বা বাদ দেওয়া। কোন ঘটনার কারণ নির্ণয় করতে গেলে ঘটনার পিছনে অনেক ঘটনা বা কারণ পাওয়া যায়, যার সবগুলোই কারণ হতে পারে না। এ অবস্থায় প্রয়োজন হয় অপনয়নের। অপনয়নের মাধ্যমে ঘটনার অনাবশ্যক বিষয়কে বাদ দিয়ে মূল কারণ নির্ণয় করা হয়। এ কারণেই অপনয়ন গুরুত্বপূর্ণ

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে ব্যতিরেকী পদ্ধতির প্রতিফলন ঘটেছে।

ব্যতিরেকী পদ্ধতি কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের একটি মৌলিক পদ্ধতি । ব্যতিরেকী শব্দের অর্থ হলো ‘পার্থক্য’। অর্থাৎ, এ পদ্ধতিতে পার্থক্যের ভিত্তিতে কারণ নির্ণয় করা হয়। এ পদ্ধতিতে দুটি দৃষ্টান্ত থাকে। একটি সদর্থক ও অন্যটি নঞর্থক। সদর্থক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনার উপস্থিতির সাথে অন্য একটি ঘটনার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। আর নঞর্থক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনার অনুপস্থিতির সাথে ঐ ঘটনার অনুপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এভাবে পার্থক্যের ভিত্তিতে এ পদ্ধতিতে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে প্রকাশিত পদ্ধতি হলো ব্যতিরেকী পদ্ধতি। নিচে ব্যতিরেকী পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা উল্লেখ করা হলো—

ব্যতিরেকী পদ্ধতির সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়। এ পদ্ধতিতে পরীক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ করা যায়। ব্যতিরেকী পদ্ধতির পরীক্ষণ সুনিয়ন্ত্রিত পরিবেশে করা হয়। এই পদ্ধতিতে অনুপপত্তি ঘটার সম্ভাবনা থাকে না। কারণ এটি একটি পরীক্ষণের পদ্ধতি। ব্যতিরেকী পদ্ধতির সাহায্যে কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ করা যায়।

অন্যদিকে, যেসব ক্ষেত্রে পরীক্ষণ সম্ভব নয়, সেসব ক্ষেত্রে ব্যতিরেকী পদ্ধতির প্রয়োগ করা যায় না। কারণ, ব্যতিরেকী পদ্ধতি একটি পরীক্ষণমূলক পদ্ধতি। ব্যতিরেকী পদ্ধতি পরীক্ষণ নির্ভর হওয়ায় পরীক্ষণের সীমাবদ্ধতাও এতে বর্তমান থাকে। ব্যতিরেকী পদ্ধতি কারণ ও শর্তের মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করতে পারে না। কারণ ও শর্তের বিষয়টি নিরীক্ষণ নির্ভর ও প্রাকৃতিক পরিবেশে করতে হয়। ব্যতিরেকী পদ্ধতি বহু কারণবাদের সমস্যা থেকে মুক্ত নয় ।

পরিশেষে বলা যায়, ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে কিছু সীমাবদ্ধতা বা অসুবিধা থাকলেও এই পদ্ধতির গুরুত্বকে অস্বীকার করা যায় না। সর্বজনীন নিশ্চয়তা প্রদান সম্ভব না হলেও এই পদ্ধতির সাহায্যে যে আমরা কারণ আবিষ্কার ও প্রমাণ করতে পারি। এছাড়া অপনয়নের পদ্ধতি হিসেবেও ব্যতিরেকী পদ্ধতির মূল্য রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৭ – ব্যাখ্যা, যুক্তিবিদ্যা, যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র (এইচএসসি)”