A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৭ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জীবপ্রযুক্তি🔢 সৃজনশীল নং ৭🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

টিস্যু কালচারের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত উদ্ভিদাংশই হলো এক্সপ্লান্ট।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

টিস্যু কালচারের মাধ্যমে অবশ্যই রোগমুক্ত চারা উৎপাদন করা সম্ভব। উদ্ভিদের শীর্ষমুকুলের অগ্রভাগের টিস্যুকে মেরিস্টেম বলে। এই মেরিস্টেম সর্বদা রোগমুক্ত থাকে। টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে মেরিস্টেম কালচার করে রোগমুক্ত চারাগাছ তৈরি করা যায়। যেমন- টমেটো, আনারস, আলু, আখ প্রভৃতির ক্ষেত্রে মেরিস্টেম কালচার করে রোগমুক্ত সবল চারা উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রটি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে নির্দেশ করে। নিচে উদ্দীপকের অসম্পূর্ণ চিত্রটি সম্পূর্ণ করা হলো-

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তিটি হলো রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিটি চিকিৎসাক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিচে চিকিৎসাক্ষেত্রে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান উল্লেখ করা হলো-

হরমোন উৎপাদনে: মানবদেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমোন ইনসুলিন জিনপ্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপন্ন করা হয়। এছাড়াও ভাইরাস ও ক্যান্সার প্রতিরোধী ইন্টারফেরনও একইভাবে উৎপন্ন করা হয়।

টিকা উৎপাদনে: রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন উৎপন্ন করা সম্ভব হয়েছে। এই পদ্ধতিতে স্বল্প খরচে অধিক পরিমাণে প্রতিষেধক তৈরি করা যায়।

বংশগতীয় রোগ নিরাময়: হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া, ইউরোকাইনেজ ইত্যাদি জিনঘটিত বংশগত রোগ নির্ণয় ও গর্ভাবস্থার শুরুতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফেনিলকেটোনুরিয়া নিরাময় সম্ভব।

রোগ নির্ণয়ে: বিভিন্ন রোগ শনাক্তকরণের প্রচলিত পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে DNA প্রোব, মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ও এন্টেনেটাল ডায়াগনসিস সরাসরি ও কার্যকরভাবে রোগ শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

জিন থেরাপিতে: জিনঘটিত রোগসমূহ জিনের প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। বর্তমানে বহু দুরারোগ্য রোগ জিন থেরাপির মাধ্যমে নিরাময়ের চেষ্টা চলছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৭ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”