A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৭ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৫🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০১৭⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

লালাগ্রন্থিসমূহ কর্তৃক নিঃসৃত গন্ধ ও স্বাদবিহীন, স্বচ্ছ, সামান্য ক্ষারীয় পিচ্ছিল তরলই হলো লালা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দেহের ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার কারণে যে স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি হয় তাকেই স্থূলতা বলে। BMI-র মান ৩০ কেজি/মি' অতিক্রম করলে একজন মানুষ স্থূলতাজনিত সমস্যায় ভুগছে বলে ধরে নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে চর্বি জমার কারণে দেহের উচ্চতার তুলনায় ওজন অনেক বেড়ে যায় যা বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের A অংশটি হলো যকৃত। দেহের বৃহত্তম গ্রন্থি যকৃত পিত্তরস তৈরি করে যা পিত্তথলিতে জমা থাকে। পিত্তথলি থেকে পিত্তনালি এসে অগ্ন্যাশয় নালির সাথে মিলিত হয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। পিত্তনালি বাহিত পিত্তরস একটি ক্ষারীয় রাসায়নিক পদার্থ। পিত্তরসের পিত্তলবণের প্রভাবে ইমালসিফিকেশন প্রক্রিয়ায় চর্বি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। পিত্তরসে কোনো এনজাইম থাকে না। এই রসের সোডিয়াম বাইকার্বনেট উপাদানটি পাকস্থলি থেকে আগত পাকমন্ডের HCI-কে প্রশমিত করে এবং এর প্রভাবে ডিওডেনামে ক্ষারীয় মাধ্যম সূচিত হয়। এই ক্ষারীয় মাধ্যমে পরিপাককারী বিভিন্ন এনজাইমসমূহ ডিওডেনামে সক্রিয় হয়। এভাবেই উদ্দীপকে চিত্রিত A অংশ অর্থাৎ যকৃত পরিপাকে ভূমিকা রাখে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত B অংশটি হলো পাকস্থলি। পাকস্থলিতে যান্ত্রিক পরিপাক তিনভাবে ঘটে থাকে যা নিম্নরূপ-

খাদ্য জমা রাখা: খাবার যখন পাকস্থলিতে প্রবেশ করে তখন এর পেশিবহুল দেয়াল ক্রমশ প্রসারিত হতে থাকে। ফলে নতুন গৃহীত খাবার পাকস্থলির প্রথম অংশে প্রবেশ করলে পূর্বের গৃহীত খাবার এর পরবর্তী অংশে অগ্রসর হয়।

খাদ্যের মিশ্রণ ও প্রচলন: যে পর্যন্ত খাবার পাকস্থলিতে জমা থাকে সে পর্যন্ত পাকস্থলিতে একটি দুর্বল পেরিস্টালটিক সংকোচনমূলক ঢেউ কাজ করে। প্রতিবার ক্রম সংকোচন ঢেউয়ের ফলে খাবার পাকস্থলির অ্যান্ট্রাম অংশ হতে পাইলোরাস অংশের মুখে চলে যায় এবং অল্প পরিমাণ খাবার ডিওডেনামে পৌঁছায়। বাকি অধিকাংশ খাবার ঊর্ধ্বমুখী ক্রমসংকোচনের মাধ্যমে অ্যান্ট্রাম অংশে ফিরে আসে। এভাবে ঘূর্ণায়মান ক্রমসংকোচক বলয়ের সাথে ঊর্ধ্বমুখী সংকোচনমূলক ক্রিয়ার ফলে পাকস্থলির খাবার গ্যাস্ট্রিক রসের সাথে পুনঃ পুনঃ মিশ্রিত হয়। ফলে পাকস্থলির খাবার অর্ধতরল কাইম বা পাকমণ্ডে পরিণত হয়।

পাকস্থলি খালিকরণ: পাকস্থলির খালি হওয়া নির্ভর করে পাকস্থলি কতটা খাদ্য পূর্ণ হয়েছে এবং পাকস্থলির ক্রমসংকোচনে ফলে নিঃসৃত গ্যাস্ট্রিন হরমোন কতটা উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে তার উপর। এভাবে পরিপাককৃত খাবার ক্রমশ পাকস্থলির পাইলোরিক স্ফিংকটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে পাকস্থলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে প্রবেশ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৭ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”